ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১

ফুলদি নদী তীরের ৬৫ স্থাপনা উচ্ছেদ

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ

প্রকাশিত: ২২:৩৫, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ফুলদি নদী তীরের ৬৫ স্থাপনা উচ্ছেদ

গজারিয়া উপজেলার ফুলদী নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ফুলদী নদী তীরের অবৈধ বৃহস্পতিবার আরও ৬৫ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। বুধবার ৩৫ স্থাপনা উচ্ছেদ হয়। দুই দিনের অভিযানে দখল মুক্ত হয়েছে ৩ একর জমি। যার মূল্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা। এক্সকেভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে একের পর এক স্থাপনা। বাদ যায়নি দ্বিতল হিমাগার শেড, বাড়ির ঘাটলা, ভাসমান রেস্তোরাঁ ও ড্রেজার। 
রসুলপুরের ফুলদী নদীর পূর্ব পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নামে বিআইডব্লিউটিএ। উপজেলা কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকাটিতে দীর্ঘদিন ধরেই পাকা, আধাপাকা এবং টিন-কাঠের স্থাপনা গড়ে উঠে। মেঘনা ঘাট নদী বন্দর উপপরিচালক শরিফুল ইসলাম জানান, যৌথ জরিপে নদীর জায়গা চিহ্নিত করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। আর বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসলিমা আক্তার বলেন, ফের দখল ঠেকাতে উচ্ছেদের পরই তীর ঘেষে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। 

ইটভাঁটিকে জরিমানা
অন্যদিকে, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় ৩ ইটভাঁটিতে অভিযান চালিয়ে সাড়ে ১৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার দুপরে উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নে পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা সালেহা সুমির নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে লতব্দী ইউনিয়নের খাজা ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকা, সাজিদ ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকা ও স্টার গ্রিন ব্রিকস কোম্পানিকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

×