ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রাহায়ণ ১৪২৯

monarchmart
monarchmart

সিলেট সিটি নির্বাচনে জামানত হারালেন ৫ মেয়র প্রার্থী

প্রকাশিত: ১৯:০১, ৩১ জুলাই ২০১৮

সিলেট সিটি নির্বাচনে জামানত হারালেন ৫ মেয়র প্রার্থী

অনলাইন ডেস্ক ॥ সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জামানত হারিয়েছেন পাঁচ মেয়র প্রার্থী। তারা হলেন- জামায়াতের সিলেট মহানগর শাখার আমির অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ইসলামী আন্দোলন মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খাঁন, বাসদ-সিপিবির মই প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আবু জাফর, বিএনপির বিদ্রোহী বাসগাড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম ও হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মো. এহছানুল হক তাহের। সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এই পাঁচ মেয়র প্রার্থী জামানত টিকিয়ে রাখার প্রয়োজনীয় ভোট পেতে ব্যর্থ হন। তবে ভোট শেষে ওই পাঁচজন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে চারজনই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেন। আর বিএনপির বিদ্রোহী বাসগাড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম নির্বাচনের মধ্যসময়ে এসে ১৮ জুলাই বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের চেয়ে ৪ হাজার ৬২৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। নিশ্চিতভাবে তিনি বিজয়ী হতে যাচ্ছেন। কারণ যে দুটি ভোট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত আছে সে কেন্দ্র দুটির মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৭৮৭টি। নির্বাচন কমিশনের আঞ্চলিক অফিস থেকে প্রকাশিত ১৩২টি কেন্দ্রের মধ্যে আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) নির্বাচন বিধিমালা-২০১০ এর ৪৪ বিধির ৩ উপবিধি অনুযায়ী- ভোটগ্রহণ বা ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর যদি দেখা যায় কোনো প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের ৮ শতাংশ ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন, তাহলে তার জামানত সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে। সেই হিসেবে মেয়র প্রার্থীদের জামানত টিকিয়ে রাখতে ২৪ হাজারের বেশি ভোট পেতে হবে। কিন্তু ৫ প্রার্থীর কেউই এ পরিমাণ ভোট পাননি। সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ জন ভোটারের বিপরীতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ লাখ ৯৮ হাজার ১৫৭ জন। যা সিলেট নগরের মোট ভোটারের ৬২ শতাংশ। সেই হিসেবে জামানত টিকিয়ে রাখতে প্রার্থীদের ১৬ হাজারের মত ভোট পেতে হতো। কিন্তু ঘোষিত ফলে দেখা যায়, নাগরিক ফোরামের প্রার্থী মহানগর জামায়াতের আমির এহসানুল মাহবুব জুবায়ের টেবিল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৫৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন হাত পাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ১৯৫ ভোট, সিপিবি-বাসদ মনোনীত প্রার্থী আবু জাফর মই প্রতীকে পেয়েছেন ৯০০ ভোট, নাগরিক কমিটির প্রার্থী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম বাসগাড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৮২ ভোট এবং সচেতন নাগরিক সমাজের প্রার্থী মো. এহছানুল হক তাহের হরিণ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৯২ ভোট। এছাড়া স্থগিত হওয়া দুটি কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৮ ৭৭ জন। স্থগিত দুই কেন্দ্রের সবগুলো ভোট পেলেও এই পাঁচ প্রার্থীর কারোরই জামানত টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
monarchmart
monarchmart