৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ চৈত্র ১৪২৬, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 

লবন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৭:৫৪ পি. এম.
লবন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় মাঠ ছাড়ছেন লবন চাষিরা। মৌসুমের দু’মাস পেরিয়ে গেলেও উৎপাদন হয়েছে মাত্র ৩৯ হাজার মেট্রিক টন লবণ। যেখানে গত মৌসুমে এ সসময় উৎপাদন হয়েছিল ১ লাখ মেট্রিক টন। ফলে চলতি মৌসুমে লবণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে শঙ্কায় বিসিক। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে লবণ চাষিদের মাঠে ফেরাতে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতসহ নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক।

কক্সবাজার উপকূলের লবণ চাষের মাঠ। এ সময় লবণ চাষে ব্যস্ত সময় পার করেন চাষিরা। কিন্তু এখন চাষিশূন্য লবণের মাঠ। আর যারা চাষে নেমেছিলেন তারাও মাঠ ছেড়ে উঠে আসছেন। তাদের অভিযোগ, মাঠ পর্যায়ে লবণের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না তারা। চাষিরা বলছেন, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত লবণ চাষে মাঠে নামবেন না।

লবণ চাষিরা বলছেন, ছেলেদের পড়াশুনা থেকে শুরু করে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের সবকিছুরই জন্য নির্ভর করতে হয় লবণের ওপর।

লবণ নিয়ে চিন্তিত ৩০০ মিল মালিকও। তাদের অভিযোগ, সোডিয়াম সালফেটের নামে বিদেশ থেকে লবণ আমদানি করছে একটি চক্র। যা বারবার সরকারের দপ্তরগুলোকে বলার পরও কাজ হয়নি। যে কারণে দেশের লবণ শিল্প ধ্বংসের মুখে।

বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি নুরুল কবির বলেন, সোডিয়াম সালফেট রহরহ আমদানি হচ্ছে। এটার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়সহ জেলা প্রসাককে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু কোনও কাজ হচ্ছে না।

এ অবস্থায় চলতি মৌসুমে লবণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে কিনা তা নিয়ে চিন্তিত বিসিক। আর স্থানীয় সংসদ সদস্য জানালেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে লবণ চাষিদের মাঠে ফেরাতে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতসহ নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। গত বছরে এ সময়ে যে উৎপাদন হয়েছে সে তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছি।

কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন প্রকল্প (বিসিক) উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আহামদ বলেন, আবহাওয়া খুব খারাপ ছিল। বৃষ্টি হয়েছে তার ফলে লবণ খুব কম উৎপাদন হয়েছে।

কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক বলেন, সোডিয়াম সালফারের নাম দিয়ে যে সোডিয়াম সালফেট আমদানি হচ্ছে এবং যত্রতন্ত্র বিক্রি হচ্ছে সেটি আমরা বন্ধ করব।

চলতি মৌসুমে দেশে লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সাড়ে ১৮ লাখ মেট্রিক টন।

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৭:৫৪ পি. এম.

১৭/০২/২০২০ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: