৬ এপ্রিল ২০২০, ২৩ চৈত্র ১৪২৬, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 

ঝলক

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

মিমা মন্ডসের রহস্য

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে সাজানো রয়েছে ছোট-বড় মাটির স্তূপ। দেখে মনে হয়, যতœ করে কেউ যেন সেগুলো সাজিয়ে রেখেছে। দেখতে মানুষের তৈরি কবরস্থানের মতো। সেটা হুবহু তেমনই। ১৮৪১ সালে মার্কিন এক্সপ্লোরার চার্লস উইলকিস আবিষ্কার করেন। তিন মিটার থেকে ৫০ মিটার চওড়া ও ৩০ সেন্টিমিটার থেকে দুই মিটার পর্যন্ত সেগুলোর উচ্চতা। কোনটা গোল, কোনটা একটু চ্যাপ্টা আবার কোনটা ডিম্বাকৃতি। আবিষ্কারের পর বিশ্ববাসী চমকে উঠেছিল এমন নিদর্শন দেখে। তখন ধারণা করা হয়েছিল, সেগুলো সম্ভব কবর। নাম দেয়া হয় মিমা মাউন্ডস। বর্তমানে মিমা মাউন্ডস ন্যাচারাল এরিয়া প্রিজার্ভ নামে সংরক্ষিত অঞ্চল হিসেবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে। -নেচার

বিশাল আকৃতির জীবাশ্ম

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তরাঞ্চলে কলম্বিয়ার তাতাকো মরুভূমি ও ভেনিজুয়েলার উরুমাবে অঞ্চলে মোটরগাড়ির সমান আকৃতির বিশাল কচ্ছপের জীবাশ্ম আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। স্টুপেনডেমিস জিওগ্রাফিকস নামের কচ্ছপগুলো ৭০ লাখ থেকে এক কোটি ৩০ লাখ বছর আগে ওই অঞ্চলে বিচরণ করত। স্টুপেনডেমিসের প্রথম জীবাশ্ম পাওয়া যায় ১৯৭০ সালের দিকে; ৪ মিটার দীর্ঘ ওই সরীসৃপটিকে ঘিরে তখন থেকেই ছিল নানা রহস্য। কচ্ছপগুলোর আকৃতি ও ওজন একেকটি স্যালুন গাড়ির সমান; আমাজান ও ওরিনোকো নদীর উৎপত্তির আগে এগুলোর আবাসস্থল ছিল দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশের বিস্তৃত জলাভূমিতে। পুরুষ কচ্ছপের খোলসের সামনের দুই পাশেই শিং ছিল। যে জীবাশ্মগুলো পাওয়া গেছে, সেগুলোর শিংয়ে ক্ষত দেখতে পেয়ে শিংগুলো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে লড়াইয়ে কচ্ছপগুলোর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো বলে অনুমান করছেন বিজ্ঞানীরা। -বিবিসি

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

১৪/০২/২০২০ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ: