২৬ জানুয়ারী ২০২০, ১৩ মাঘ ১৪২৬, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

বৃষ্টিপাতের কারণে নীলফামারীতে মানুষ দুর্ভোগে

প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৫:৫৮ পি. এম.
বৃষ্টিপাতের কারণে নীলফামারীতে মানুষ দুর্ভোগে

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী॥ কে বলবে এটা আশ্বিন মাস? নীল আকাশ উধাও । আকাশে নেই সাদা ধবধবে পেজো তুলোর মতো মেঘ। কালো মেঘে ঢেকে রয়েছে শহর ছাড়িয়ে গ্রাম। শুরু হয়েছে বর্ষাসুর।

গত কয়েক দিন ধরে শ্রাবণ মাসের মতো বৃষ্টি লেগেই রয়েছে। দিন রাত চলছে একই সুরের বৃস্টি। আজ রবিবার আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভানে বলা হয়েছে উত্তরাঞ্চল সহ সারা দেশে আগামী ৭২ ঘণ্টা বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টি চলবে। সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিও হবে। এদিকে বৃস্টিতে আমন ধান ও শাক সব্জীর উপকার বয়ে আনলেও আগাম আলু আবাদে নীলফামারী সহ উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের চরম খেসারত দিতে হচ্ছে। অপর দিকে শারদীয় দুর্গাপুজার উৎসবের আমেজ এই বৃস্টি যেন কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গতকাল শারদীয় দুর্গাপুজার মহালয়া হয় বৃষ্টির মধ্যেই। আগামী সপ্তমী থেকে দশমীতে কী হবে? এমন চিন্তায় কপালে ভাজ পড়েছে সনাতন ধর্মের বৃহৎ উৎসব এই শারদীয়তে। বৃষ্টি হওয়ার কারণে, উদ্যোক্তারা তো বটেই, পুজো শপিংয়ে সমস্যায় পড়েছেন অনেকেই।

আজ রবিবার সেই ভোর হতে উত্তরবঙ্গে বৃস্টির রেশ চলছেই। এর আগের দিন শনিবারও ছিল একই অবস্থা। আবহাওয়া দফতর সুত্র মতে গত ২৪ ঘন্টায় উত্তরের রংপুর বিভাগের আট জেলায় গড় বৃস্টিপাত হয়েছে ১৫২ মিলিমিটার। এর মধ্যে পঞ্চগড়ে ৫৩, রংপুরে ৯, দিনাজপুরে ২০,নীলফামারীর সৈয়দপুরে১৩

ডিমলায়১২.কুড়িগ্রামে ২৬ ও তিস্তা অববাহিকায় ডালিয়ায় ১৯ মিলিমিটার।

আষাঢ়-শ্রাবন বর্ষাকাল পেরিয়ে ভাদ্র মাসের তীব্র দাবদহ সহ্য করতে হয় জনজীবনকে। আশ্বিনে এসে হঠাৎ মৌসুমী বায়ু যেন সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তার সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি নি¤œচাপের সম্ভাবনা থাকায় পুজোর চারদিন বৃস্টি থাকবেই বলে আবহাওয়া দপ্তর মনে করছে। বৃস্টিতে ভিজেই মন্ডবে মন্ডবে প্রতিমা দর্শন করতে হতে পারে। তবে প্রকৃতি সহায় হলে, বৃস্টি নাও থাকতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরের উপর একটি নি¤œচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি সেটি ঘনীভূত হয়, তাহলে উত্তরবঙ্গ সহ সারা দেশে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। সুত্র মতে বর্ষার আগামী ৮ অক্টোবরের আগে বৃস্টি থামবেনা। এদিকে বৃষ্টিপাতের কারণে নীলফামারী ও পাশ্ববর্তী এলাকার ফসলের মাঠে আগাম আলু চাষে চরম দুর্ভোগে পড়েছে আলু চাষীরা। তবে আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে আমন ধানের মাঠের।

নীলফামারীর যাদুর হাট গ্রাম, সোনারায় গ্রাম কিশোরীগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি, নিতাই পুটিমারী বড়ভিটা মাগুড়া এলাকার কৃষকরা জানায় ইতোমধ্যে তারা প্রায় সাড়ে ৬ হাজার হেক্টরে আগাম আলুর বীজ বুনেছে। বৃস্টির কারনে ক্ষেত নস্ট হবার উপক্রম হয়েছে।আর এই আগাম আলুর জমিতে এভাবে বৃষ্টি চলতে থাকলে তা বিনষ্ট হবে। এছাড়া অনেক জমিতে পানি জমে গেছে। তাই আলু চাষীরা এখন দুশ্চিন্তায়।

প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৫:৫৮ পি. এম.

২৯/০৯/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



শীর্ষ সংবাদ: