১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

প্রতি বছরই হবে শেখ কামাল ক্লাব কাপ ফুটবল


স্পোটর্স রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে ॥ প্রতি বছরই অনুষ্ঠিত হবে শেখ কামাল ক্লাব কাপ। এখন থেকে প্রতিবছরই অক্টোবরে বসবে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। আয়োকজরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের বার্ষিক ক্যালেন্ডারেও যুক্ত হচ্ছে এই বহুল আলোচিত টুর্নামেন্টটি। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলের আগামী আসরে সহযোগী ভেন্যুও হচ্ছে চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়াম।

চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেডের উদ্যোগে অবিশ্বাস্য স্বল্প সময়ের (মাত্র ১৫ দিনে) প্রস্তুতিতে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম আয়োজন। তড়িঘড়ি করে দেশী-বিদেশী ৮ ক্লাব নিয়ে আসর বসলেও সামনের বছর থেকে আরও বড় হচ্ছে এ আয়োজন। বাড়ছে অংশগ্রহণকারী ক্লাবের সংখ্যাও। টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব সামশুল হক চৌধুরী জানান, প্রথম আসরের ক্লাবগুলো ছাড়াও থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, হংকং, সিঙ্গাপুরসহ এশিয়ার ক্লাবগুলোর মধ্য থেকে ৪টি ক্লাবকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে পশ্চিমা দলও আসতে পারে।

দেশের ঝিমিয়ে পড়া ফুটবলকে চাঙ্গা করতে আরও কিছু পরিকল্পনা আছে শেখ কামাল ক্লাব কাপের আয়োজকদের। টুর্নামেন্ট কমিটির প্রধান সমন্বয়ক তরফদার রুহুল আমিন জানান, ‘নতুন প্রজন্মের দর্শক সৃষ্টি করা দরকার, তাদের মাঠে নেয়া দরকার।’ এ রকম আসরে ক্লাব ফুটবলের এই আন্তর্জাতিক আয়োজনকে বাফুফের ফুটবল ক্যালেন্ডারেও যুক্ত করা হচ্ছে। টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব আরও জানান, ‘ফেডারেশন ক্যালেন্ডারে অক্টোবর মাসে প্রতিবছর শেখ কামাল ক্লাব কাপের আয়োজন করা হবে।’ এসব আয়োজনের পাশাপাশি বয়সভিত্তিক ফুটবলেও নিজেদের সম্পৃক্ত করছে চট্টগ্রাম আবাহনী। আগামী বছরের প্রথম দিকেই বসার কথা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের পরবর্তী আসর। ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রামেও হবে এই টুর্নামেন্টের ম্যাচ এমনই পরিকল্পনা বাফুফের।

আগামী বছরগুলোতে শুধু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বা আশিয়ান অঞ্চলই নয়, দল নেয়া হবে মধ্যপ্রাচ্য থেকেওÑ এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন টুর্নামেন্টের আয়োজক কর্তৃপক্ষ। এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর থাকা খাওয়া, আসা যাওয়ার খরচ দিয়েছে আয়োজকরা। টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দল পায় ২৫ হাজার ডলার। রানার্সআপ দল পায় ১০ হাজার ডলার। অংশগ্রহণ ফি হিসেবে দেশী দল তিন পায় পাঁচ লাখ টাকা করে। প্রতি ম্যাচে জয়ী দল পায় এক হাজার ডলার। ম্যাচসেরা খেলোয়াড়েরও পুরস্কার ছিল ৫০০ ডলার করে। এছাড়া স্টেডিয়ামে আগত দর্শকদের জন্য ছিল মোটরসাইকেল পুরস্কার।

বাংলাদেশের পেশাদার লীগ চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে শেখ জামাল ধানম-িকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল আয়োজক চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেড। কিন্তু তাদের সঙ্গে অংশগ্রহণ ফি নিয়ে বনিবনা না হওয়াতে শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তানের প্রিমিয়ার লীগ চ্যাম্পিয়ন বাজান ক্লাবকে নেয় আয়োজকরা। এছাড়া ভারতের মোহনবাগানের বদলে টুর্নামেন্টে যুক্ত হয় কলকাতা মোহামেডান। নাম প্রত্যাহার করে নেয় ভুটানের থিম্পু এফসি।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: