ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১

ঈদের ছুটিতে পর্যটন

ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া

প্রকাশিত: ২০:৫৫, ১৩ জুন ২০২৪

ঈদের ছুটিতে পর্যটন

ঈদের ছুটিতে পর্যটন

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে যুগে যুগে বহু পরিব্রাজক এবং ভ্রমণকারী মুগ্ধ হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন-সম্ভাবনা অপরিসীম। আমাদের রয়েছে সুবিশাল সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, অরণ্যঘেরা জলপ্রপাত, প্রত্নতত্ত্বের প্রাচুর্য, ঐতিহাসিক নিদর্শনসহ নানা ধরনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যম-িত স্থান, যা পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য যথেষ্ট।

কিন্তু সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে আমাদের এ শিল্প অনেকটা আড়ালে পড়ে রয়েছে। বিশ^দরবারে বাংলাদেশকে আকর্ষণীয় করার অন্যতম উপায় হতে পারে পর্যটন শিল্প। একটি দেশের সুপ্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি আর বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে পর্যটন অপরিহার্য নিয়ামক। ‘পর্যটন’ অর্থনীতির একটি বিশেষ খাত-এমন ধারণার বিকাশ ঘটে পঞ্চাশ-ষাটের দশকে। তবে দেশের অনেক পরিবর্তন-উন্নয়ন ঘটলেও পর্যটন শিল্পের চিত্র এখনো বেশ বিবর্ণ।

পর্যটন যে আমাদের অর্থনীতির একটি বিশাল ভান্ডার হতে পারে, এ ধারণার বিকাশ ঘটে মূলত পঞ্চাশের দশকে। এরপর ১৯৯৯ সালে পর্যটনকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে সরকার পর্যটন করপোরেশনের মাধ্যমে এ শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
পর্যটন এক ধরনের বিনোদন।

অবসর অথবা ব্যবসার উদ্দেশ্যে এক স্থান থেকে অন্য স্থান কিংবা এক দেশ থেকে অন্য দেশে ভ্রমণ করাকে বোঝায়। বর্তমান সময়ে সারাবিশ্বে পর্যটন একটি ‘শিল্প’ হিসেবে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও পর্যটন শিল্প বিশ^ব্যাপী অবসরকালীন কর্মকা-ের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। যিনি আমোদ-প্রমোদ বা বিনোদনের উদ্দেশ্যে অন্যত্র ভ্রমণ করেন, তিনি পর্যটক নামে পরিচিত।

বাঙালিরা বরাবরই ভ্রমণপিপাসু। প্রাচীনকাল থেকে মানুষ নানাবিধ প্রয়োজনে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমণ করে আসছে। বাঙালি জাতি ইতোমধ্যে ভ্রমণের প্রেমে পড়েছে। নান্দনিক বাংলাদেশ এখন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের ভ্রমণ গন্তব্য। যার ফলে, প্রাকৃতিক লীলাভূমি খ্যাত আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

এদেশের পর্যটন খাতগুলো বছরজুড়ে বিভিন্ন সময়ে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ধরনের পর্যটক দ্বারা পরিপূর্ণ থাকলেও বাঙালি সংস্কৃতির বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সব উৎসব যেমনÑ ঈদ, পহেলা বৈশাখ এবং পূজার সময়ে পর্যটকদের ভিড় বেড়ে যায় বহুগুণ। দেশের আপামর জনসাধারণ এই ধরনের উৎসবসমূহে যে অবসর সময় পান, সেটাকে পরিবারের সকল সদস্যকে নিয়ে সুন্দর ও স্মৃতিময় করে রাখার লক্ষ্যে পর্যটন স্থানগুলোতে ভ্রমণ করে থাকেন। 
ঈদ পর্যটন বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে খুব গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। কারণ, প্রতিবছর ঈদের সময় দীর্ঘ ছুটি কাটাতে বাঙালি জনগণ বিভিন্ন ট্যুরিস্ট স্পটে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভ্রমণ করে থাকেন। ট্যুরিস্ট গাইড, পর্যটন সংস্থাগুলো, সেবা খাতগুলো পর্যটনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে।

পর্যটনের মাধ্যমে নিজেদের সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাস, হস্তশিল্প, খেলাধুলা ও উৎসবসমূহ দেশী-বিদেশী পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরার মধ্যেই রয়েছে অফুরন্ত সুযোগ ও সম্ভাবনা। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে অপার সম্ভবনা থাকার ফলে দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে পর্যটন শিল্পের ভূমিকা খুবই উজ্জ্বল।

অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস, বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি আমাদের দেশকে রূপের রানী হিসেবে পরিণত করেছে। আনন্দঘন পরিবেশে সময় কাটানোর জন্য দেশে এখন অনেক পর্যটন স্পট রয়েছে, যা অভ্যন্তরীণ পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহিত করে। গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন খাত হিসেবে এদেশে রয়েছে বিশে^র দীর্ঘতম নিরবচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার।

১৯৯৭ সালে ইউনেস্কোর ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান পৃথিবীর একক বৃহত্তম জীববৈচিত্র্য ভরপুর ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন। একই সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকনের স্থান সমুদ্রকন্যা কুয়াকাটা। দুটি পাতা একটি কুঁড়ির সবুজ রঙের নয়নাভিরাম চারণভূমি সিলেট। স্বচ্ছ জলরাশির লালাখাল, পাথর জলের মিতালিতে বয়ে যাওয়া জাফলং ও বিছনাকান্দির নয়নাভিরাম সৌন্দর্য।

পাহাড় ভেদ করে নেমে আসা পাংথুমাই ঝরনা, রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট, মিনি কক্সবাজার, হাকালুকি এবং কানাইঘাটের লোভাছড়ার, আদিবাসীদের বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি ও কৃষ্টি-আচার। সমৃদ্ধ উচ্চ সবুজ বনভূমি ঘেরা পাবর্ত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল। সমৃদ্ধ অতীতের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ইত্যাদি।

বাংলাদেশের এসব পর্যটন খাতগুলোর অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যে কাউকে সহজেই বিমোহিত করে। চতুর্দশ শতাব্দীতে জগদ্বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা নৌকাযোগে সোনারগাঁও থেকে সিলেট যাওয়ার পথে নদীর দুকূলের অপার সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়েছিলেন। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য, বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি, দৃষ্টিনন্দন জীবনাচার বাংলাদেশকে গড়ে তুলেছে আকর্ষণ সমৃদ্ধ পর্যটন গন্তব্য হিসেবে। যার ফলে, প্রতিবছর বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলোতে দেশী পর্যটকদের পাশাপাশি বছরজুড়ে বিভিন্ন সময়ে বিদেশী পর্যটকদেরও ভিড় লেগে থাকে।
বাঙালি সংস্কৃতির নানারকম কৃষ্টি-কালচার এদেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করেছে। ঈদের সময় প্রায় সকল শ্রেণি, পেশার মানুষের মধ্যে ভ্রমণ প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন উৎসবে যোগদানের জন্য আন্তঃজেলা ভ্রমণ বেড়ে যায়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ঈদ হচ্ছে পরিবার-পরিজন নিয়ে অবকাশ যাপনের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় সময়।

ঈদের ছুটিতে গ্রাম হয়ে ওঠে প্রাণচঞ্চল আর শহর থাকে প্রায় জনশূন্য। বন্ধু-বান্ধব একসঙ্গে ঈদ আনন্দ উপভোগ করার জন্য শহরের কৃত্রিম ব্যস্ততা ঘেরা পরিবেশ ছেড়ে নাড়ির টানে ছুটে যায় গ্রামের বাড়ি। ঈদের সময় মানুষ ভ্রমণ ও বিনোদনের জন্য আলাদা বাজেট রাখে। অনেকে দেশের অভ্যন্তরে ঘোরাঘুরি করে। আবার অনেকে দেশের বাইরে যেতে পছন্দ করে।

এদিকে ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে আকাশপথে বাড়ি যাওয়া-আসার টিকিট প্রায় নেই বললেই চলে। ঈদের ছুটিতে মানুষ প্রিয়জনদের দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন জেলায় ভ্রমণ করে এবং বিনোদনের জন্য পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ভিড় জমায়। ঈদের ছুটিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলা এবং কক্সবাজার পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে।
এবারে পবিত্র ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি সকল চাকরিজীবী দীর্ঘ ৫ দিনের ছুটি পেতে যাচ্ছেন। বিভিন্ন সেক্টর অনুযায়ী সেটা আরও দীর্ঘ হতে পারে। সেক্ষেত্রে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ন্যায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাতেও বিপুলসংখ্যক পর্যটক কক্সবাজারে বেড়াতে আসবেন বলে আশা করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

তাই দেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারে লেগেছে ঈদের হাওয়া! ঈদের ছুটিকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ, বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটিসহ অন্য সংশ্লিষ্টরা। পর্যটন ব্যবসায়ীদের বরাতে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা বিপুলসংখ্যক পর্যটক বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার। ইতোমধ্যে হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউস ও রেস্টুরেন্টগুলো নতুনরূপে সাজানো হয়েছে।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তোলা হয়েছে নতুন নতুন পণ্য। ঈদে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের ব্যাপক সাড়া পড়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় সব হোটেল-মোটেলের কক্ষ বুকিং হয়েছে। হোটেল-মোটেল জোনের প্রায় সব হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউসে চলছে ধোঁয়ামোছা ও রং করার কাজ।

পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারের পর্যটন স্পট মহেশখালী, হিমছড়ি, ইনানী, দরিয়ানগর, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলো আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সাজছে নতুন করে। কক্সবাজার শহরের বার্মিজ মার্কেটগুলোতে নানা রকমের বাহারি বার্মিজ পণ্যের সমাহার নিয়ে দোকানিরা বসে আছেন পর্যটকদের আগমনের অপেক্ষায়।

শুধু কক্সবাজারই নয়, বরং বাংলাদেশের সকল ট্যুরিস্ট স্পট আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সেজেছে নতুনভাবে। প্রতিটি ট্যুরিস্ট স্পটে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ।
আমাদের প্রত্যাশা, প্রতি ঈদের ন্যায় এবারও ঈদুল আজহায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তার সঙ্গে বাংলাদেশের জনসাধারণ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের ছুটি কাটাতে বাংলাদেশের পর্যটন খাতগুলোতে ভ্রমণ করবে। ভ্রমণপিপাসুদের উপস্থিতিতে পর্যটন খাতগুলো হবে চাঙ্গা। এতে ঈদ পর্যটন হবে আরও আকর্ষণীয়।

ঈদ পর্যটনের এমন প্রসারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা হবে আরও গতিশীল। তবে বাঙালি সংস্কৃতিতে দুই ঈদ এবং পূজার সময় ছাড়াও অন্য সময়গুলোতে যেন পর্যটন খাতগুলোতে পর্যটকদের ভিড় থাকে, জন্য বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত কর্তৃপক্ষকে সময়োপযোগী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়ে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে।

পর্যটন ব্যবস্থাপনা সফল দেশগুলোর মতো আমরাও পর্যটন শিল্পের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে দেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রাভা-ারে বিরাট ভূমিকা রাখতে পারি। এ জন্য প্রয়োজন রয়েছে সামাজিক নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করা। প্রয়োজন রয়েছে উন্নত পর্যটন দেশগুলোর মতো যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন করা। গোঁড়ামির বলয় থেকে বেরিয়ে আসা।

পর্যটকদের জন্য আনন্দময় উপভোগ্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করা। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা। প্রচার-প্রসারের ব্যবস্থা করা। পর্যটন টিভি চ্যানেল প্রবর্তন করা। পর্যটন এলাকায় পর্যটন কালচার তৈরি করা। কাজটি কঠিন হলেও আমাদের পক্ষে সম্ভব। কারণ, আমরা অনেক অসম্ভবকে সম্ভব হতে দেখেছি। যে জাতি চ্যালেঞ্জ নিতে অভ্যস্ত, তাদের জন্য পর্যটন বিপ্লব কঠিন কোনো কাজ নয়। শুধু প্রয়োজন সুন্দর একটি স্বপ্ন এবং তা বাস্তবায়নে একাগ্রচিত্তে নিরলস প্রচেষ্টা।

ইতোমধ্যে সরকার দীর্ঘমেয়াদি ‘পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ হাতে নিয়েছে, এটা আমরা সকলেই জানি। পর্যটন মহাপরিকল্পনার কল্যাণে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে নিঃসন্দেহে এক ধরনের বিপ্লব সংঘটিত হতে যাচ্ছে। আমাদের দেশের জন্য এটি একটি বিপ্লবই বলতে হবে। এ বিপ্লব সাধিত হলে আমরা যে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি, তা বাস্তবায়নে পর্যটন একটি অনেক বড় ভূমিকা রাখবে।

এ জন্য প্রয়োজন হলে পর্যটন শিল্পে সফল দেশগুলো বিশেষ করে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়ার সফলতার কারণগুলো খুঁজে বের করে বাংলাদেশের পর্যটনের ক্ষেত্রে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হলে ব্যাপক প্রসার ঘটবে দেশের পর্যটন শিল্পের। তাহলেই সম্প্রসারিত হবে বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং গতিশীল হবে স্মার্ট বাংলাদেশের পথচলা।
লেখক : অধ্যাপক, উপাচার্য
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

×