ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ১০ ডিসেম্বর ২০২৩, ২৬ অগ্রাহায়ণ ১৪৩০

উন্নত বিশ্বের আদলে বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে মুভিং ওয়াক

প্রকাশিত: ১০:৫১, ৪ অক্টোবর ২০২৩

উন্নত বিশ্বের আদলে বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে মুভিং ওয়াক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত

উন্নত বিশ্বের আদলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে যুক্ত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির চলন্ত ওয়াকওয়ে বা মুভিং ওয়াক। 

প্রথম ফ্লোরে ৮টি ও দ্বিতীয় ফ্লোরে ৬টি মুভিং ওয়াক স্থাপন করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন থেকে উড়োজাহাজ পর্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারবেন যাত্রীরা। এই প্রযুক্তি ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীরা।

চলন্ত সিঁড়ি বা এসকেলেটর ব্যবহারে আমরা অভ্যস্ত হলেও মুভিং ওয়াক দেশে নতুন। টার্মিনালের আগমনী ও বহির্গমনে ১৪টি মুভিং ওয়াক বসানো হয়েছে। এর ওপর যাত্রীরা না হেঁটে দাঁড়িয়ে থাকলেই পৌঁছে যাবেন গন্তব্যে। এটা ব্যবহার করে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারবেন যাত্রীরা।

তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে শাহজালালেই প্রথম মুভিং ওয়াক স্থাপন করা হয়েছে। টার্মিনালে ফ্লাইট চালু হলে খুব সহজেই ইমিগ্রেশন থেকে উড়োজাহাজের কাছ পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন যাত্রীরা। আবার উড়োজাহাজ থেকে নেমে কিছু পথ হেঁটে কিছু পথ মুভিং ওয়াক ব্যবহার করে ইমিগ্রেশনে যাওয়া যাবে। তবে এ প্রযুক্তি ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রী এবং শিশুরা।

এদিকে তৃতীয় টার্মিনাল ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় ফ্লোরে ওঠা-নামায় পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বয়ংক্রিয় এসকেলেটর ও লিফট স্থাপন করা হচ্ছে। এগুলো ব্যবহার করে এক তলা থেকে আরেক তলায় যেতে পারবেন যাত্রী ও বিমানবন্দরে কর্মরতরা।

আগামী ৭ অক্টোবর তৃতীয় টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে টার্মিনালে ফ্লাইট চালু হতে সময় লাগবে আরও এক বছর। অর্থাৎ, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে এই টার্মিনাল ব্যবহারের সুযোগ পাবেন যাত্রীরা। তখন এ টার্মিনালে বছরে এক কোটি ২০ লাখ যাত্রীকে সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। এখন বিদ্যমান টার্মিনাল-১ ও ২ এ বছরে সেবা পাচ্ছেন প্রায় ৮০ লাখ যাত্রী।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্র জানায়, শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল ভবনটির নকশা করেছেন সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের নকশাকার রোহানি বাহারিন। চাঙ্গি এয়ারপোর্টের টার্মিনাল-৩ ছাড়াও চীনের গুয়াংজুর এটিসি টাওয়ার, ভারতের আহমেদাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ইসলামাবাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের নকশা তৈরি করেছেন এই স্থপতি। 

ফলে তিনি এই টার্মিনালের নকশায় আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রেখেছেন। এখানে সব কিছুতে আধুনিক অটোমেটেড সিস্টেম থাকবে।

 

এসআর