ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১

প্রীতির ফেরা

আনন্দকণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:৩১, ১৩ জুন ২০২৪

প্রীতির ফেরা

প্রীতি জিনতা

বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। দীর্ঘ বিরতির পরে অভিনয়ে ফিরছেন তিনি। সবশেষ ২০০৭ সালে ‘ঝুম বরাবর ঝুম’ চলচ্চিত্রে সবশেষ তাকে মূল নারী প্রধান চরিত্রে দেখা গিয়েছিল। (২৩ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম পেজে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি অভিনেত্রী নিজেই নিশ্চিত করেছেন। জানান, আমির খানের প্রোডাকশনের ‘লাহোর ১৯৪৭’-এর শূটিং শুরু করেছেন তিনি।

নিজের নতুন সিনেমার শূটিং সেট থেকে রাজকুমার সন্তোষীর সঙ্গে প্রথম ছবিও শেয়ার করেছেন প্রীতি। ছবিটি প্রকাশের পরপরই ভক্তরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। এই ছবির সঙ্গেই ১১ বছর পর রুপালি পর্দায় ফিরছেন অভিনেত্রী। প্রীতি ছাড়াও ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সানি দেওল এবং এটি পরিচালনা করেছেন রাজকুমার সন্তোষী।

সিনেমাটিতে সানির বড় ছেলে করণ দেওলও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছে ছবির গল্প। এদিকে  পঞ্চাশ ছুঁইছুঁই বলিউডের ডিম্পল গার্ল। দুই সন্তান, সংসার সামলে এখন ছবির জগত থেকে আগের চেয়ে কিছুটা দূরেই থাকেন। কিন্তু তার গ্ল্যামার ফিকে হয়নি একবিন্দু।

সম্প্রতি কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেট মাতিয়েছেন বলিউডের ‘প্রীতি ওম্যান’। আপাতত নিজের কামব্যাক ছবি লাহোর ১৯৪৭-র শূটিংয়ে ব্যস্ত নায়িকা।  এদিকে সম্প্রতি কান সফরের সময় একটি চমকপ্রদ ফটোশুট করেছেন তিনি। একটি ফ্যাশন এবং লাইফস্টাইল ম্যাগাজিনের জন্য একটি ডিজিটাল কভার শুট করেছিলেন অভিনেত্রী।

যার ঝলক সামনে এল। অভিনেত্রী তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে তার গ্ল্যামারাস ফটোশুটের ভিডিওটি পোস্ট করেছেন। এই ফ্যাশন ফটো শুটের জন্য লাল, নীল এবং ক্রিম রঙের গাউনে ধরা দিলেন ৪৯ বছরের সুন্দরী তারকা। আসলে বয়স তার কাছে শুধুই একটা সংখ্যা তা প্রমাণ করে দিয়েছেন। এই শুটে প্রীতির গলায় পাখির আকৃতির রুপালি এবং লাল নেকলেস ছিল চোখ টানা। অফ-শোল্ডার লাল পোশাকে মোহময়ী প্রীত। এরপর একটি নীল গাউন পরে পোজ দেন তিনি।

সব শেষে ক্রিম রঙা গাউনে লাস্য়ময়ী রূপে ধরা দিলেন দুই সন্তানের জননী। ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, কেয়া কেহনা (২০০০) ছবিতে একা মায়ের চরিত্রে অভিনয় করার ব্যাপারে অনেক চোখ রাঙানি সয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি কেয়া কেহনার স্ক্রিপ্টটি পছন্দ করেছি এবং এর অংশ হতে পেরে খুব উত্তেজিত ছিলাম। অনেকেই আমাকে বলেছিলেন, এমন অপ্রচলিত ছবি দিয়ে অভিষেক করাটা ক্যারিয়ারকে নিজের হাতে শেষ করা হবে।

প্রথম ছবিতে কেউ কুমারী মা হিসাবে তোমাকে দেখতে চায় না, তাই আমি এটিকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছিলাম। তাছাড়া কুন্দন শাহের কাজ করার আইডিয়াটা আমার খুব ভালো লেগেছিল। তিনি ভারতের সেরা পরিচালক ছিলেন এবং তার কাছ থেকে শিখতে মুখিয়ে ছিলাম’।

×