বৃহস্পতিবার ৭ মাঘ ১৪২৮, ২০ জানুয়ারী ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

গণহত্যার জাদুঘর ঘুরে দেখলেন বিদেশী সেনা কর্মকর্তারা

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহত্যার স্মারকসহ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো নিয়ে গঠিত ‘চলমান জাদুঘর’ ঘুরে দেখলেন বিদেশী সেনা কর্মকর্তারা। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সিনিয়র ডিরেকটিং স্টাফ রিয়ার এ্যাডমিরাল এম ময়েনুল হকের নেতৃত্বে শুক্রবার তারা হেঁটে এসব স্থান পরিদর্শন করেন। খবর বিডিনিউজের।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নারকীয় গণহত্যার ঐতিহাসিক স্থানগুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে ২০১৮ সাল থেকে ‘চলমান জাদুঘর’ কার্যক্রম শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ (সিজিএস)। সিজিএসের গবেষণা সহযোগী জিএম আরিফুজ্জামান জানান, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর নারকীয় গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও মর্যাদা আদায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যে গণহত্যা হয়েছিল, সেটা ২৫ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছিল। আমরা আজকে যে জায়গাগুলো ঘুরে দেখলাম, প্রত্যেকটা জায়গায় ১৯৭১ সালে গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঐতিহাসিক স্থানগুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আমাদের সেন্টারের যে ডিপ্লোমা কোর্স রয়েছে, সেখানে ‘ওয়াকিং মিউজিয়াম’ নামে এই কর্মসূচী অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিদেশী সেনা কর্মকর্তাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা ঘটনা ও স্থান সম্পর্কে তুলে ধরেন মুক্তিযোদ্ধা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত। সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ১৯৭১ সালের ২ মার্চ প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনের স্থান থেকে বিদেশী অতিথিদের পরিদর্শন শুরু হয়।

একে একে একাত্তরের শহীদ ১৯৫ জন ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও কর্মচারীর তালিকা সংবলিত স্মৃতি চিরন্তন, ব্রিটিশ কাউন্সিল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, জগন্নাথ হল, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের জনসভাস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ডাকসু সংগ্রহশালা ঘুরে দেখার পর মধুর ক্যান্টিনে কিছুক্ষণ কাটান তারা। পরে অজয় দাশগুপ্ত বলেন, মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে এখানে ১৯৫ জন ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মচারী আত্মাহুতি দিয়েছিলেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ধূলিকণায় মিশে আছে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্ত। গণহত্যার এসব স্থান ও স্থাপনাগুলো আসলে জীবন্ত জাদুঘর, এগুলোকে আমরা চলমান জাদুঘর নাম দিয়েছি। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, সিজিএসের উদ্যোগে তরুণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে হেঁটে এসব ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে ঘুরে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা শোনানো হয়। সম্প্রতি বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি জানতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন যে, একাত্তরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কী ঘটেছিল, কী ধরনের গণহত্যা পরিচালিত হয়েছিল। আজকে ১৯টি দেশের সেনাবাহিনীর প্রায় ৩০ জন উর্ধতন কর্মকর্তা এসেছেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন প্রত্যক্ষদর্শী ও যোদ্ধা হিসেবে আমি তাদের একাত্তরের ঐতিহাসিক ঘটনাবলি তুলে ধরেছি।

এর আগে ঢাকায় ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসন ও তার স্ত্রী টেরিজা আলবর, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার, জাতিসংঘ মিশন প্রধান মিয়া সেপো, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রধান জয়েন্দু ডি এই চলমান জাদুঘর ঘুরে দেখেন।

শীর্ষ সংবাদ:
২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৪, শনাক্ত ১০৮৮৮         ব্যাংকারদের বেতন বেধে দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক         সন্ত্রাসীরা অস্ত্র তুললেই ফায়ারিং-এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলেই সাংবাদিককে গ্রেফতার নয়, ডিসিদের আইনমন্ত্রী         সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধে ডিসিদের নির্দেশ         শাজাহান খানের মেয়েকে বিয়ে করলেন এমপি ছোট মনির         ৪৩তম বিসিএস প্রিলির ফল প্রকাশ         শান্তিরক্ষা মিশনে র‍্যাবকে বাদ দিতে জাতিসংঘে চিঠি         আইপিটিভি-ইউটিউবে সংবাদ পরিবেশন করা যাবে না ॥ তথ্যমন্ত্রী         মগবাজারে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় প্রাণ গেল কিশোরের         নদীদূষণ ও দখলরোধে ডিসিদের আরও তৎপর হতে নির্দেশ         হাইকোর্টে আগাম জামিন পেলেন তাহসান         ‘সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের একসঙ্গে কাজ করার বিকল্প নেই’         ঠিকাদারি কাজে এফবিআই’র সাজাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান!         এক সপ্তাহে করোনা রোগী বেড়েছে ২২৮ শতাংশ         যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল কোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারক হচ্ছেন বাংলাদেশি নুসরাত         সস্ত্রীক করোনা আক্রান্ত প্রধান বিচারপতি, হাসপাতালে ভর্তি         আইসিসি বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে টাইগারদের দাপট         ‘স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে শহীদ আসাদ একটি অমর নাম’         ‘শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ সবসময় প্রেরণা জোগাবে’