শুক্রবার ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

১৪ বছর পর মেয়েকে ফিরে পেল পরিবার

১৪ বছর পর মেয়েকে ফিরে পেল পরিবার

অনলাইন ডেস্ক ॥ নিখোঁজের ১৪ বছর পর মেয়েকে ফিরে পেয়েছে এক পরিবার। ২০০৬ সালে নিখোঁজ হয়েছিলন গীতা সরকার। ২০২০ সালে এসে পরিবারকে খুঁজে পেয়েছেন তিনি। ঘটনাটি কলকাতার।

কলকাতার ফুলবাগান থানা ও একটি এনজিওর প্রচেষ্টায় পরিবারের সঙ্গে তার মিলন ঘটে। ১৪ বছর পর ভিডিও কলে মা-বাবাকে দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি গীতা সরকার। সাথে সাথে বলে ওঠেন, ‘মা, মাগো। বাবা, তোমাদের চিনতে পেরেছি।’

চিনতে পেরেছেন বোন ও ভগ্নিপতিকেও। এর মধ্যে গীতার ছেলেমেয়েও বড় হয়ে গেছে। তার মেয়েও সন্তানের মা হয়েছেন। কিন্তু এতদিন তিনি কোথায় ছিলেন বা কী অবস্থায় ছিলেন, কিছুই মনে করতে পারছেন না।

জানা গেছে, গত মার্চে ফুলবাগান থানার পুলিশ কর্মকতারা তাকে উদ্ধার করেন। এরপর তুলে দেন এক এনজিওর হাতে। ওই এনজিওর কর্মকর্তা ভারতী আইচ ও ফুলবাগান এবং মালদহের বামনগোলা থানার কর্মকতাদের সেই প্রচেষ্টায় অবশেষে ফল মিলল। ১৪ বছর পর হারিয়ে যাওয়া গীতা সরকারকে তুলে দেয়া হলো তার পরিবারের লোকদের হাতে।

পুলিশ জানায়, গত মার্চ মাস থেকে গীতা রয়েছেন ওই এনজিওর হোমে। তার পায়ে ছিল পুড়ে যাওয়া ক্ষত। পুলিশকে বলেছিলেন হাসপাতাল থেকে পালিয়ে এসেছেন। এছাড়াও শুধু নিজের নামটি বলতে পেরেছিলেন। তার মানসিক সমস্যার চিকিৎসাও হয় হাসপাতালে।

ভারতী আইচ জানান, গীতা কখনও বেঙ্গালুরু, কখনও শিলিগুড়ি, কখনও মুর্শিদাবাদ, এমনকী বাংলাদেশের কয়েকটি গ্রামের নামও বলেন। কথায় অসঙ্গতি থাকায় তার ঠিকানা জানা দুষ্কর হয়ে পড়েছিল।

শেষ পর্যন্ত যে জায়গাগুলোর নাম তিনি বলেছিলেন, সেই জায়গাগুলোর ছবি বের করা হয়। স্কুল, মাঠ, মন্দির ও আরও কিছু বস্তু দেখানো হয়। কয়েকটি জায়গা চিনতেও পারেন। হঠাৎই একদিন মালদহের বামনগোলা থানা এলাকার ছাতিয়ার একটি স্কুল দেখে বলেন, তিনি সেখানে পড়তেন।

ওই অঞ্চলের আরও কিছু ছবি দেখে গীতা জায়গাটি শনাক্ত করেন। এরপর ফুলবাগান থানায় জানানো হয়। ফুলবাগান থানা তার ছবি ও বিবরণ মালদহের বামনগোলা থানাকে দেয়। বামনগোলা থানার কর্মকর্তারা এলাকার পঞ্চায়েত ও বাসিন্দাদের মাধ্যমে গীতার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হন।

কলকাতায় থাকেন গীতার বোন ও ভগ্নিপতি। তাদেরও বিষয়টি জানানো হয়। গীতাকে মোবাইল স্ক্রিনের সামনে বসিয়ে ভিডিও কল করা হয়। অন্য পারে ছিলেন তার মা-বাবা। ১৪ বছরের স্মৃতি মুছে গেলেও তিনি চিনতে পারেন তার মা-বাবা, বোন এবং ভগ্নিপতিকেও। তারাও মেয়েকে চিনতে পারেন।

গীতার বোন কল্পনা বালা ও ভগ্নিপতি গণেশ বালা জানান, ২০০৬ সালের ২১ জুন নিখোঁজ হন গীতা। বিয়ের পর থেকেই অমানুষিক অত্যাচার চলত তার ওপর। স্বামীর অত্যাচারের ফলে পাঁচ বছরের মেয়ে ও তিন বছরের ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়িতে এসে ওঠেন।

বাপের বাড়িতেও নুন আনতে পান্তা ফুরায়। তাই এক কৃষকের বাড়িতে কাজ করে গীতা প্রতিদিন খাওয়া ও ৩০ টাকা করে পেতেন। সেই টাকা আনতে গিয়েই আর বাড়ি ফেরেননি। আগামী ২৮ তারিখ নভেম্বর গীতাকে মালদহে মা-বাবার কাছে নিয়ে যাওয়া হবে।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

করোনাভাইরাস আপডেট
বিশ্বব্যাপী
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
৬৪২৭০৯১১
আক্রান্ত
৪৬৯৪২৩
সুস্থ
৪৪৫২৭৫৭৬
সুস্থ
৩৮৫৭৮৬
শীর্ষ সংবাদ:
রোহিঙ্গা স্থানান্তর শুরু ॥ উখিয়া থেকে ভাসানচর         একাত্তরের নৃশংসতা ভোলার নয়, এ ব্যথা চিরদিন থাকবে         আগামী বছরজুড়েই থাকবে নির্বাচনী ডামাডোল         মৌলবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে একাট্টা দেশ         শ্রেষ্ঠ অভিনেতা তারিক আনাম, শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী সুনেরাহ         করোনায় দেশে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু         ’২৪ সালের নির্বাচনে ফের প্রার্থী হতে পারেন ট্রাম্প         প্রতিবন্ধীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান         বগুড়ায় রেকর্ড পরিমাণ আলু উৎপাদনের সম্ভাবনা         বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় দণ্ডিতদের রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল চেয়ে রিট         বিএনপি-জামায়াত জোট হেফাজত নেতাদের মন্ত্রী বানাতে চেয়েছিল!         দাম্পত্য কলহের জের, রায়েরবাজারে গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ         ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবস’ উদযাপন উপলক্ষে বাস্তবায়ন কমিটি গঠন         রোহিঙ্গাদের ইউরোপ-আমেরিকা নিচ্ছেন না কেন, প্রশ্ন মোমেনের         ব্রিটেনের সঙ্গে বাণিজ্য বৈঠক জানুয়ারিতে         আগামী ১৩-১৫ ডিসেম্বর জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় প্রবেশ নিষেধ         হোয়াইট বোর্ড’–এর দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত         একাত্তরের নৃশংসতা ভোলার নয় : প্রধানমন্ত্রী