মঙ্গলবার ২০ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৪ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

অন্যসব স্বাস্থ্য ভাবনা

কি কারণে হতাশা বাড়ে

প্রায় অধিকাংশ হতাশার মূল কারণ বায়োকেমিক্যাল নয়। হতাশা আবার জীবনভর কারাদ- নয়। মূলত হতাশা বাড়ে যে যে কারণে-

* একাকিত্ব : বারবার পরীক্ষিত বিষয় সামাজিকতা হতাশা মোচন করে। একাকিত্ব হতাশা বাড়াই।

* দুঃখ : কত রকমের দুঃখ আছে দুনিয়াতে। ছিন্ন সম্পর্কের দুঃখ, চাকরি হারানোর দুঃখ, কাউকে পুরোপুরি হারানোর দুঃখ। দুঃখ হতাশার মতো মনে হয়। বেশি দিন স্থায়ী হলে ঘুমহীনতা, একাকিত্বের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। গড়ে উঠে হতাশার পাপচক্র।

* ঘুমহীনতা : ঘুমহীনতা হতাশা আনে। প্রথমে ঘুমহীনতা জড়তা আনে, কাছে অনীহা নিয়ে আসে।

* অর্থহীনতা : আমরা জীবনের প্রতিক্ষেত্রে আমাদের জীবনের অর্থ খুঁজি। অর্থ খুঁজি কাজের মাধ্যমে। অর্থ খুঁজি আমাদের রোমান্টিক ও অন্যান্য সম্পর্কের মধ্যে। কখনও বা আমরা অপরের দিকে হাত বাড়ায়ে দিতেই জীবনে অর্থ খুঁজে পাই। কিন্তু এমনটি যদি হয় সবই অর্থহীন, তবে হতাশায় নিমজ্জিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

* অন্তর আত্মার কথা : পরীক্ষায় দেখা যায়, নিজের প্রতি অনুকল্পা প্রদর্শন একটি গুরুত্বপূর্ণ হতাশার চিকিৎসা পদ্ধতি।

* ব্যায়ামের অভাব : সামাজিক বিষয়াদির সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক পরিশ্রমও হতাশার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দরকার নেই জিমে যাওয়ার। হাঁটুন প্রাকৃতিক পরিবেশে ৩০ মিনিট বা ২০ মিনিট যোগাসন করুন। তাতেই যথেষ্ট। হতাশা কেটে যাবে।

* প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে সংস্পর্শহীনতা : সম্প্রতি পরীক্ষাতে দেখা যায়, হতাশার রোগীদের ক্ষেত্রে ইকোথেরাপি বা ‘গ্রিন থেরাপি’ চিকিৎসা পদ্ধতি বেশ কার্যকর।

সুতরাং প্রতিদিন কিছু সময় বাইরে কাটাতে যান। শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশে আপনার মনের হতাশা কেটে যাবে। প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘুরে বেড়ানো একটি রুটিনে পরিণত করুন।

* দুর্বল খাদ্য তালিকা : ভিটামিন ‘বি’ ও ভিটামিন ‘ডি’র কমতি হতাশা বাড়ায়। আবার ‘গ্লুটোন’ বাড়তি হতাশা বাড়ায়।

* স্ট্রেস : চিরন্তন স্ট্রেস হতাশা তৈরি করে। আপনি বিবেচনা করুন কিভাবে আপনি আপনার কাজগুলো সাজাবেন এবং স্ট্রেস মোকাবিলা করবেন।

* শুধু কাজ আর কাজ কোন খেলা নয় : আমাদের মধ্যে প্রচলিত ধারণা আছে, বুড়োরা গম্ভীর হবেন, আমোদ-প্রমোদ করবেন না। না, তা ঠিক নয়। জানি প্রতিদিন আপনার টাইট সিডিউল, তার মধ্যেও কিছু সময় আপনার একান্ত নিজের জন্যে রাখুন।

* হরমোনের ভারসাম্যহীনতা : ইস্ট্রোজেন প্রজেস্টেরন ও কর্টিসোল ইত্যাদি হরমোনের ভারসাম্যহীনতায় হতাশা আসতে পারে।

* নিজের আবেগের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতা : নিজের হাসি-কান্না মনের প্রতি অবহেলা আপনার হতাশা নিয়ে আসে। নিজেকে ভালবাসুন। ভালবাসতে শিখুন হতাশা কেটে যাবে।

যে খাদ্য রক্তশূন্যতা রোধ করে

* লাল মাংস : গরু-খাসির মাংস আয়রনসমৃদ্ধ।

* পালংশাক : প্রতিদিন ১ কাপ পালংশাক খেলে আপনার শরীরের আয়রনের চাহিদার ২০% পূরণ হয়।

* শিম : বিভিন্ন রকমের শিমের দানা প্রতি কাপে অন্তত ৫ মিলিগ্রাম আয়রন ধারণ করে।

* চিনা বাদাম : চিনা বাদামে প্রচুর আয়রন থাকে। ফলে তা রক্তশূন্যতা রোধ করে।

* আখরোট : প্রতিদিন এক পেয়ালা আখরোট রক্তশূন্যতাকে দূরে রাখে।

শীর্ষ সংবাদ:
পাটুরিয়া ঘাটে ঈদফেরত যাত্রী-যানবাহনের চাপ বাড়ছে         ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে মিড-ডে মিল কার্যক্রম         স্বাস্থ্যবিধি মেনে জীবন-জীবিকাকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী         বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু         মুজিববর্ষে সারাদেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হবে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী         রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধের নির্দেশ         জামালপুরে নৌকাডুবিতে দুই শিশুসহ তিন জনের মৃত্যু         গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় ৩০ জনের মৃত্যু         চলাচল নিয়ন্ত্রণ থাকবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত         ১৫ আগস্টের ষড়যন্ত্রকারীদের অপচেষ্টা আজও চলমান ॥ কাদের         বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ হাজার মানুষকে সহায়তা দেবে ইইউ         সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ        
//--BID Records