শুক্রবার ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৪ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

নাইজেরিয়ার যমজদের শহর

দক্ষিণ পশ্চিম নাইজেরিয়ার ইগবো ওরা শহরে গেলে যে কেউ ধন্ধে পড়বেন। কেননা জোড়া চেহারার বহু মানুষের দেখা মিলবে সেখানে।

যমজদের রাজধানী

নাইজেরিয়ার ওইয়ো রাজ্যের ইগবো ওরা শহরে পর্যটকরা পথে পথে একটি ব্যানারের দেখা পাবেন। তার মূল কথা একটাই, ‘স্বাগত বিশ্বের যমজদের রাজধানীতে।’ কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করলে তার প্রমাণও মিলবে। দেখা মিলবে অনেক যমজ মানুষের সঙ্গে।

হাজারে ৫০

যমজ দুই ভাইয়ের নাম কেহিন্দে এবং তাইয়ু কোলাওলে। কার নাম কোনটি সেটি মনে রাখাটা অবশ্য মুশকিল হতে পারে। ১৯৭০ এর দশকে এক ব্রিটিশ গাইনি বিশেষজ্ঞের গবেষণা অনুযায়ী এই অঞ্চলে প্রতি হাজারের মধ্যে যমজ জন্মের হার ৫০টি, যা বিশ্বের মধ্যে অন্যতম বেশি।

নামের বাহার

কেহিন্দে এবং তাইয়ো আদেরগোবা ভাইয়ের মধ্যে মিল ও ভাব দুইই বেশ। শুধু চেহারা নয়, সেখানকার যমজদের নামেও থাকে মিল। ইয়োরুবা সম্প্রদায়ের মানুষেরা যমজদের একটি নামই রাখেন। নামের আগে একজনের ক্ষেত্রে তাইয়ু আরেকজনকে কেহিন্দে বলে ডাকেন, যা দিয়ে বোঝা যায় কে আগে জন্ম নিয়েছে, কে পরে।

চেনে কী করে!

ইগবো ওরা শহরেই যমজ জন্মের প্রবণতা বেশি, কিন্তু তার মধ্যেও এগিয়ে ইয়োর বা সম্প্রদায়ের মানুষ। তাদের ১০০ জন ছাত্রছাত্রীর একটি উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের এসেম্বলিতে নয় যমজের দেখা পেয়েছেন রয়টার্সের সাংবাদিক। বন্ধুবান্ধব আর শিক্ষকরা তাদের গুলিয়ে ফেলে নাতো!

কেন এত জোড়া?

নবজাতক যমজ শিশুকে কোলে নিয়ে ঘরের দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছেন এক মা। এই শহরের মানুষদের বেশিরভাগের বিশ্বাস ওকরা পাতা খাওয়ার অভ্যাসের কারণেই এত যমজ শিশুর জন্ম দেন তারা। এই পাতা পানিতে সেদ্ধ করে খাওয়াটা ইগবো ওরার মানুষদের খুবই প্রিয়।

কারণ একটাই নয়

ওকরা পাতার বিষয়টি ঠিক সবার কাছে বিশ্বাসযোগ্য নয়। অনেকের ধারণা আমালা নামের আরেক খাবার এর জন্য দায়ী। লাল আলু আর কাসাভা থেকে তৈরি আটা দিয়ে এই খাবার বানানো হয়। এর পেছনে একটি ব্যাখ্যাও আছে। খাবারটি নাকি বিশেষ হরমোন তৈরি করে, যা ডিম্বাণুর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

আসল কারণ কী

কারণ খুঁজতে রয়টার্স দ্বারস্থ হয়েছিল নাইজেরিয়ার রাজধানী লাগোসের একজন গাইনী বিশেষজ্ঞের কাছে। তিনি বলেছেন, লাল আলুর যেই খাবারের কথাটি মানুষ বলছেন সেটি সঠিক নয়, কেননা একই ধরনের খাবার বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলেও প্রচলিত আছে। তার মতে সম্ভবত নিজেদের মধ্যে বিবাহ আর জিনগত ঐতিহ্যের কারণেই এখানকার নারীদের যমজ জন্মদানের প্রবণতা বেশি।

বিশ্বাসে মেলায় বস্তু!

কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা মানতে রাজি নন স্থানীয় অধিবাসীরা। তাদের মতে ওকরা পাতা খাওয়ার উপরই বিষয়টি নির্ভর করে। এ জন্য সেটি সেদ্ধ করে জমিয়ে না রেখে সঙ্গে সঙ্গেই খেতে হবে। ওয়েনিক বেমিমোর নামের এক নারী এর প্রমাণ পেয়েছেন বলে রয়টার্সের সাংবাদিককে জানান। ‘আমি অনেক ওকরা পাতা খাওয়ায় আট জোড়া যমজ সন্তানের জন্ম দিতে পেরেছি,’ বলেন তিনি।

সূত্র : ডয়েচে ভেলে

শীর্ষ সংবাদ:
‘হাসিনা : আ ডটারস টেল’ আজ ৯ টিভি চ্যানেলে         ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থে যেন জাতীয় শোক দিবসের পরিবেশ নষ্ট না হয় ॥ কাদের         যেখানে সেখানে শিল্প কারখানা নয় ॥ অর্থমন্ত্রী         ৮ বিভাগে আটটি ১৫ তলা ক্যান্সার হাসপাতাল হবে ॥ স্বাস্থ্যমন্ত্রী         চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধে ফের ভয়াবহ ভাঙ্গন         পর্বতারোহী রেশমাকে চাপা দেয়া সেই মাইক্রোর সন্ধান পায়নি পুলিশ         সাবেক প্রধান বিচারপতি সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু         বন্যার পানি কমলেও নদী ভাঙ্গনে বিপাকে মানুষ         বিশ্বের শীর্ষ ছয় জঙ্গী নেতার মাথার দাম কোটি টাকা         সিলেটে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ পাঁচজন নিহত         মেহেরপুর-২ আসনের সাংসদসহ ১০ জন করোনা আক্রান্ত         আওয়ামী লীগের মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে : সেতুমন্ত্রী         মোংলা বন্দরে টেনিস বলের পরিবর্তে ৪ কন্টেইনারে আমদানি নিষিদ্ধ আফিম         জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি-বনানীতে আবাসিক হোটেল বন্ধ         বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে আগ্রহী আলজেরিয়া : বাণিজ্যমন্ত্রী         ‘১লা অক্টোবরের মধ্যে সব সংস্থাকে সিটি কর্পোরেশনের সাথে সমন্বয়ে আসতে হবে’         শোধরানো হবে প্রকল্পের অস্বাভাবিক খরচ         ঢাকায় ডি-এইট সম্মেলন জানুয়ারিতে         মালিকরাও প্রত্যাহার চান বাসের বর্ধিত ভাড়া         ‘ট্রেনের টিকিট হস্তান্তর করলে তিন মাসের জেল’        
//--BID Records