ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১৮ আশ্বিন ১৪২৯

বায়ুদূষণ রোধে পানি ছিটানো হবে ॥ মেয়র সাঈদ খোকন

প্রকাশিত: ১২:০১, ৩১ জানুয়ারি ২০১৯

বায়ুদূষণ রোধে পানি ছিটানো হবে ॥ মেয়র সাঈদ খোকন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৫১ কিলোমিটার প্রাইমারি সড়কে প্রতিদিন সকাল-বিকাল পানি ছিটানো হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। ধুলাবালিতে সৃষ্ট বায়ুদূষণ প্রতিরোধে ডিএসসিসির এলাকায় পানি ছিটানো কার্যক্রম উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। আসন্ন অমর একুশে গ্রন্থমেলা উপলক্ষে মেলা প্রাঙ্গণ ধুলাবালি মুক্ত রাখতে বুধবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। এ সময় মেয়র বলেন, আমাদের শহর পরিচ্ছন্ন ও ধুলাবালিমুক্ত রাখতে আগে থেকেই পানি ছিটানো কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এরপরও আদলাতের নির্দেশনা মেনে আমরা বিশেষ কর্মসূচী গ্রহণ করেছি। ধুলাবালি দূষণমুক্ত করতে খাদ্যে ভেজাল রোধের মতো ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে। নাগরিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুষ্ক মৌসুমে বাসা-বাড়ি নির্মাণসহ রাস্তাঘাটে উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালিত হয়, সে কারণেও আরও বেশি ধুলাবালি সৃষ্টি হয়। তাই যারা যেখানে কাজ করছেন নিজ উদ্যোগে সেসব স্থানে সকাল-বিকাল পানি ছিটিয়ে ধুলাবালি মুক্ত রাখবেন। নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা একটু সচেতন হলে আমরা একটি পরিচ্ছন্ন ধুলাবালি মুক্ত একটি শহর আপনাদের উপহার দিতে পারি। যদি আমরা সবাই একটু সচেতন হয়ে নিজের আঙ্গিনা, বাড়ির সামনে ধুলাবালি মুক্ত রাখতে কাজ করি তাহলে সবাই একটি মুক্ত পরিবেশ পাব। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী, ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর জাহিদ হোসেন, অতিরিক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপক খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম, সচিব শাহাবুদ্দিন খান প্রমুখ। প্রসঙ্গত, গত সোমবার উন্নয়নমূলক কাজের কারণে ঢাকা মহানগরীতে ধুলাবালিতে বায়ুদূষণ প্রতিরোধে সকাল-বিকাল রাস্তায় পানি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ঢাকা শহরে যারা বায়ুদূষণের কারণ সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সপ্তাহে দুইবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে পরিবেশ অধিদফতরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জবি কর্মকর্তা সমিতির নির্বাচন আজ জবি সংবাদদাতা ॥ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতির (জবিকস) কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন ২০১৯ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে ২১টি পদের বিপরীতে দুই প্যানেলে ৪২ জন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে তিন জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করবেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে মোট ২শ’ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এই নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ নাসির উদ্দিন তালুকদার এই তথ্য নিশ্চত করেন। এবারের নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনায় বিশ্বাসী বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার নিয়ে কামাল-ময়নাল নামে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিষদ ও আক্তারুজ্জামান-আব্দুল কাদির নামে আরেকটি পরিষদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।