ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০ আশ্বিন ১৪২৯

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ

প্রকাশিত: ০৭:৩৩, ২৩ নভেম্বর ২০১৭

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ

সংসদ রিপোর্টার ॥ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংস্থার সরঞ্জাম ও জনবল বৃদ্ধি করে সাংগঠনিক কাঠামো যুগোপযোগী করা হচ্ছে। শীঘ্রই মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনাকারীদের ‘ক্ষুদ্রাস্ত্র’ দেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে হালনাগাদ করা হচ্ছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন। স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, সবচেয়ে আলোচিত মাদক ইয়াবার সরবরাহ ঠেকাতে টেকনাফে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বিশেষ জোন স্থাপন করা হবে। তিনি দাবি করেন, রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে মাদকের ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইন সংশোধনসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর আধুনিকায়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ সংসদে তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৭-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। এনফোর্সমেন্ট কাজে নিয়োজিত জনবলকে ক্ষুদ্রাস্ত্র প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ’ একই দলের শফিকুল ইসলাম শিমুলের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ইন্সপেক্টর ও ফিল্ড লেভেলের অফিসারদের অস্ত্র দেয়ার পরিকল্পনা সরকারের আছে। এ ব্যাপারে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, মাত্র ১০ বছর আগেও এই সংস্থাটি ঠুঁটো জগন্নাথের মতো ছিল। তখন তিন-চারটি জেলা মিলে একজন কর্মকর্তা ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা (সরকার) এটিকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেই। এখন প্রতিজেলায় কর্মকর্তা রয়েছে।