ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২, ২১ আশ্বিন ১৪২৯

সরবরাহ করা হবে জুয়েলার্স সমিতির মাধ্যমে

স্বর্ণ আমদানি করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রকাশিত: ০৪:১৭, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

স্বর্ণ আমদানি করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আমদানির এই সুযোগ থাকবে বেসরকারী ব্যাংক ও অনুমোদিত ডিলারদেরও। সারাদেশের ব্যবসায়ীদের স্বর্ণ সরবরাহ করা হবে জুয়েলার্স সমিতির মাধ্যমে। বন্ড ব্যবস্থার অবলোপনের মাধ্যমে উন্মুক্ত হচ্ছে রফতানি পদ্ধতিও। স্বর্ণ আমদানি ও রফতানির খসড়া নীতিমালায় রাখা হয়েছে এমন বিধান। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যবসাবান্ধব নীতিমালা করতে হবে আঁটঘাট বেধেই। সৌন্দর্যের অন্যতম অনুষঙ্গ স্বর্ণ, যাকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বাণিজ্য হয় দেশের কেন্দ্র থেকে প্রান্ত সবখানে। গত এক শতক ধরে এই উপমহাদেশে জমজমাট স্বর্ণ বাণিজ্য স্বাধীন বাংলাদেশেও তা কমেনি এতটুকু। তবে ব্যবসাবান্ধব স্বর্ণ নীতিমালা না হওয়ার অভিযোগও দীর্ঘ দিনের। সম্প্রতি আপন জুয়েলার্সের অবৈধ স্বর্ণ আটকের পর নীতিমালার দাবি জোরালো হয়। গেল ২৬ মে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠকের পর খসড়া নীতিমালা তৈরি করে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো। খসড়া এই নীতিমালায় ব্যক্তি উদ্যোগে স্বর্ণ আমদানি বন্ধ হচ্ছে। আর আমদানির স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। সীমিত আকারে আমদানির সুযোগ থাকছে বেসরকারী ব্যাংক ও অনুমোদিত ডিলারেরও। আর সারাদেশের ব্যবসায়ীদের স্বর্ণ সরবরাহ করা হবে জুয়েলার্স সমিতির মাধ্যমে। উন্মুক্ত হচ্ছে হাতের তৈরি অলঙ্কার রফতানির সুযোগ। স্বর্ণ বাণিজ্যের প্রসারে এই নীতিমালা তৈরিতে আমলে নেয়া হচ্ছে ভারত, শ্রীলঙ্কাসহ নানা দেশের মডেল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে নামতে হবে আঁটঘাট বেধেই। পর্যালোচনার পর এই নীতিমালা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। নানা সমস্যায় জর্জরিত বগুড়ার বিসিক শিল্প নগরী অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ নানা সমস্যায় জর্জরিত বগুড়ার বিসিক শিল্প নগরী। দেশের কৃষিভিত্তিক ৮০ ভাগ যন্ত্রপাতি তৈরি হয় সেখানে। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত আর গ্যাস সুবিধা না পাওয়ায় আধুনিকীকরণ করা যাচ্ছে না কারখানাগুলোকে। এ ছাড়া রাস্তা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশায় নাজেহাল শিল্প মালিকরা। শিল্প নগরীর কর্মকর্তা সমস্যার কথা স্বীকার করে স্বল্প বাজেট এবং ২য় শিল্প নগরী গড়ার প্রস্তাবের কথা জানান। বগুড়ার পৌর এলাকায় ফুলবাড়িতে ১৯৬৪ ও ১৯৮০ সালে দু’দফায় ৩৩ একর জমির ওপর স্থাপন করা হয় বিসিক শিল্প নগরী। এখানে ২৩০ টি প্লটে ৯২টি ছোট ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। কৃষি যন্ত্রপাতি তৈরিসহ প্রতিষ্ঠান কারখানায় কোটি কোটি টাকার পণ্য উৎপাদন হলেও এর উন্নয়নে নেই কোন পদক্ষেপ। রাস্তা ড্রেনের সমস্যাসহ রয়েছে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুত ও গ্যাস সরবরাহের অভাব। এ ছাড়া প্লট হস্তান্তরের সমস্যার কথাও জানান মালিকরা। ৮০ শতাংশ কৃষি যন্ত্রপাতি বগুড়া থেকেই হয়। আমাদের সহযোগিতা করলে আরও ভাল হতো।