ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯

বীমা খাতের উন্নয়নে বড় অঙ্কের প্রকল্প

প্রকাশিত: ০৫:৫৮, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬

বীমা খাতের উন্নয়নে বড় অঙ্কের প্রকল্প

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দেশের বীমা খাতের উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ নামের বড় অঙ্কের প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ছয় বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের আওতায় বীমা খাতকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রকল্পটি কার্যকর হবে আগামী বছরের ১ মার্চ থেকে। এই প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের সহায়তার পরিমাণ হবে ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় (৭৯ টাকা বিনিময় হারে) যার পরিমাণ হয় প্রায় ৫১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এ বিষয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন বলেন, ‘এরই মধ্যে প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বব্যাংক নিশ্চিত করেছে। জানুয়ারিতে এই প্রকল্পের আওতায় চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।’ জানা গেছে, বীমা খাতের উন্নয়নে প্রকল্পটিতে অর্থায়নের বিষয়ে গত ৩ নবেম্বর ইআরডি সচিব মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন বরাবর বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান একটি চিঠি দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ফজলে কবির, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনুসুর রহমান, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান এম শেফাক আহমেদ এবং বাংলাদেশ বীমা একাডেমির পরিচালক আহমেদুর রহিমকে ওই চিঠির অনুলিপি দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইআরডির মাধ্যমে দেশের বীমা খাত নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সঙ্গে এ সহায়তার চুক্তি করবে বিশ্বব্যাংক। আইডিআরএ এ খাতের উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এ প্রকল্পের মেয়াদ হবে আগামী বছরের ১ মার্চ থেকে ২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, সরকার ইতোমধ্যে ‘বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ বা ‘বাংলাদেশের বীমা খাত উন্নয়ন প্রকল্প’ নামে প্রকল্পটির খসড়া তৈরি করেছে। খসড়াটি নিয়ে শীঘ্রই সকল পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে সংযোজন-বিয়োজন করা হতে পারে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটির উদাহরণ টেনে চিমিয়াও ফান চিঠিতে ইআরডি সচিবকে লিখেছেন, ‘প্রস্তাবিত প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও রাষ্ট্রায়ত্ত দুই বীমা কর্পোরেশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং সারাদেশে বীমা গ্রাহক বৃদ্ধি।’ বাংলাদেশ বীমা একাডেমির সক্ষমতা ও দক্ষতার মান উন্নয়ন এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও জীবন বীমা কর্পোরেশনের আধুনিকীকরণ ও শক্তিশালীকরণের কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।