ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ১৬ আগস্ট ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

যুদ্ধাপরাধী বিচার ॥ কিশোরগঞ্জ ও বি.বাড়িয়ার দুই রাজাকারের বিরুদ্ধে সাক্ষীদের জবানবন্দী

প্রকাশিত: ০৫:৪৭, ৭ নভেম্বর ২০১৬

যুদ্ধাপরাধী বিচার ॥ কিশোরগঞ্জ ও বি.বাড়িয়ার দুই রাজাকারের বিরুদ্ধে সাক্ষীদের জবানবন্দী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবািড়য়ার দুই রাজাকার সৈয়দ মোঃ হোসাইন ও মোঃ মোসলেম প্রধানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ২০তম সাক্ষী কাশেম আলী (৭০) ও ২১তম সাক্ষী আব্দুল আলী (৮০) তাদের জবানবন্দী প্রদান করেছেন। ২০তম সাক্ষী কাশেম আলী জবানবন্দীতে বলেছেন, রাজাকার কমান্ডার সৈয়দ মোঃ হোসাইনের নির্দেশে অন্য রাজাকাররা আমাকেসহ আরও তিন চারজনকে থানায় ধরে নিয়ে মারপিট করে। নির্যাতন করে, ভয়ভীতি দেখায়। পরে শর্তসাপেক্ষে রাজাকাররা আমাদের ছেড়ে দেয়। শর্ত ছিল রাজাকারদের প্রতিদিন সন্ধ্যায় খাওয়াতে যেতে হবে। চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাক্ষী এই জবানবন্দী প্রদান করেন। সাক্ষীকে সাক্ষ্যগ্রহণে সহায়তা করেন প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ। তাকে সহায়তা করেন তাপস কান্তি বল। সাক্ষী কাশেম আলী বলেন, আমার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী থানার পুকুরপাড় গ্রামে। আমি কৃষি কাজ করি। একাত্তরের ভাদ্র মাসের ১৬ তারিখে নিকলী থানার রাজাকার কমান্ডার সৈয়দ হোসাইনের নির্দেশে আমিসহ আমার সঙ্গীয় সুন্দর আলী, বুধু ও মোহরকে থানায় ধরে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে আমাদের ওপর নির্যাতন করে। ভয় দেখায়। মারপিট করে। তখন থানা সংলগ্ন মুদি দোকানদার আব্দুল আলী থানায় এসে আমাদের ছেড়ে দিতে বলে। পরে শর্তসাপেক্ষে রাজাকাররা আমাদের ছেড়ে দেয়। শর্ত ছিল রাজাকারদের প্রতিদিন সন্ধ্যায় খাওয়াতে যেতে হবে। এবং মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজখবর দিতে হবে। সে মোতাবেক প্রায় এক মাস তারা রাজাকারদের শর্ত পূরণ করে আসছিল। ২১তম সাক্ষী আব্দুল আলী আদালতকে জানান, ২০তম সাক্ষী আদালতে যা বলেছে তা সঠিক। আমি তাদের ওইদিন থানা থেকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে শর্তসাপেক্ষে তাদের মুক্তি দেয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২