বুধবার ৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

পুঁজিবাজারে ৫৭৩ কোটি টাকা লেনদেন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দুই দিনের সূচকের পতনের পরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার উর্ধমুখী প্রবণতায় শেষ হয়েছে লেনদেন। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৭৩ কোটি টাকার শেয়ারের। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে মিশ্রধারায়। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৮ কোটি টাকার শেয়ার। তবে গত কার্যদিবসের তুলনায় দুই বাজারেই বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। তবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা করতে যাওয়া মুদ্রানীতির দিকেই তাকিয়ে রয়েছে বাজার সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, গত দুই বছরে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সঙ্কোচনমুখী মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছিল। তাই এবার ঠিক কেমন মুদ্রানীতির ঘোষণা আসবে তা বিনিয়োগকারীদের ভাবাচ্ছে। ফলে অনেকেই শেয়ার কেনা-বেচার ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

বাজার পর্যালোচনায দেখা গেছে, সকালে দরবৃদ্ধির প্রবণতা দিয়ে শুরুর পরে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৭৩ কোটি টাকার। যা আগের দিনের তুলনায় ৪৬ কোটি টাকা বা ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি লেনদেন। আগের দিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৫২৭ কোটি টাকার শেয়ার। এদিন ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয় ৩২১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭১টির, কমেছে ১১১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টি শেয়ার দর।

সকালে সূচকের উর্ধগতির পরে সারাদিন সূচকের ওঠানামা চলতে থাকে। তবে দিনশেষে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৬৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ১২১ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক দশমিক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৫৭ পয়েন্টে।

আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টের প্রতিদিনের বাজার পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, সারাদিন সূচকের ওঠানামার পরে ডিএসইতে শেষ বেলাতে সূচকটি ইতিবাচক প্রবণতায় শেষ হয়েছে। তবে দিনটিতে সারাদিন ছোট পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখা দেয়। ছোট মূলধনী হিসেবে দিনটিতে মোট ১ দশমিক ৬০ শতাংশ হার দর বেড়েছে, দিনটিতে সূচক আগের দিনের চেয়ে সামান্য বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৬৬৫ পয়েন্ট। দিনটিতে সার্বিক লেনদেনও বেড়ে দাঁড়ায় ৫৭০ কোটি টাকায়। দিনটিতে আগের দিনের মতোই প্রকৌশল খাতটি মোট লেনদেনের ১৮ দশমিক ৭০ শতাংশ লেনদেন করেছে। অন্যান্য খাতের মধ্যে বিবিধ খাতের দর বেড়েছে ২ দশমিক ২ শতাংশ ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাতটির দর বেড়েছে ১ দশমিক ১ শতাংশ।

ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হলো : ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, বিডি থাই, বেক্সিমকো ফার্মা, ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, বিবিএস, এমারেল্ড অয়েল, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, আইটিসি, বেক্সিমকো এবং কেডিএস এক্সেসরিজ লিমিটেড।

ডিএসইর দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : মেঘনা পেট, আইসিবি সোনালী মিউচুয়াল ফান্ড, জিকিউ বলপেন, এ্যাপেক্স স্পিনিং, আইএসএন, আরামিট, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, মতিন স্পিনিং, হাক্কানী পাল্প ও রংপুর ফাউন্ডি।

এদিকে ঢাকার বাজারে সব ধরনের সূচকের বৃদ্ধির দিনে চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ হয়েছে। দিনটিতে সিএসই সার্বিক সূচক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ২৭৮ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৩৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩২টির, কমেছে ৮১টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টির।

শীর্ষ সংবাদ:
হোতারা রেহাই পাবে না ॥ স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধেও জিরো টলারেন্স         উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর         কক্সবাজার-সাতক্ষীরা সুপার ড্রাইভওয়ে হচ্ছে         করোনায় সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ তিন হাজার         সীমান্ত পাড়ি দেয়ার জন্য সাহেদ মৌলভীবাজারে!         করোনার নকল সনদ ॥ সাবরিনার বিরুদ্ধে মামলা         নিয়ন্ত্রণহীন বেসরকারী হাসপাতাল         ১৯ দিন ধরে বন্যায় ভাসছে উত্তরের বিভিন্ন জেলা         যশোর-৬ ও বগুড়া-১ উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী         সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে চায় বিএনপি         বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে হকারদের ছবিসহ তালিকা হচ্ছে         ঈদের দিনসহ ৫ দিন ৬ স্থানে বসবে পশুর হাট         চট্টগ্রামে করোনায় ডাক্তার ও ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু         নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুত উৎপাদনে চীনা বিনিয়োগ আসছে         করোনা ও উপসর্গ নিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১১ জনের মৃত্যু         একনেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন         কেশবপুর উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের শাহীন চাকলাদার নির্বাচিত         ঈদের জামাত নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা         অধিদপ্তরের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কোনো সমস্যা নেই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী         বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ১৪ লাখ মানুষ        
//--BID Records