১৯ অক্টোবর ২০১৯, ৪ কার্তিক ১৪২৬, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

জিডিপিতে পর্যটন শিল্পের অবদান বাড়ছে

প্রকাশিত : ৬ অক্টোবর ২০১৯
  • ড. ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস

(পূর্ব প্রকাশের পর)

বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। প্রাচীনকাল থেকেই এ দেশে পর্যটকদের আগমন ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। বাংলাদেশ অফুরন্ত পর্যটন সম্ভাবনার দেশ। বিশ্বের যে কোন পর্যটককে আকৃষ্ট করার মতো সকল উপাদান রয়েছে এদেশে। বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, বন্ধু-বাৎসল মানুষ ও তাদের অকৃত্রিম আতিথেয়তা, নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি, দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট, বন-বনানী, জীববৈচিত্র্য এবং বৈচিত্র্যময় আদিবাসী সংস্কৃতি যে কোন পর্যটকের নিকট অত্যন্ত আকর্ষণীয়। বর্তমান বিশ্বে অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান খাতসমূহের মধ্যে অন্যতম সেবাখাত। সেবাখাতের সর্ববৃহৎ অংশীদার পর্যটন শিল্প। কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে পর্যটন শিল্প। বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ এবং পর্যটন শ্রমঘন একটি শিল্প। কাজেই পর্যটন শিল্পের কাক্সিক্ষত উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং এ শিল্পে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব। পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশী পর্যটকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে আগ্রহী করা যায়। বিদেশী পর্যটকগণ বাংলাদেশ ভ্রমণ করলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পাশাপাশি বিদেশী পর্যটকগণ দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, আতিথেয়তা ইত্যাদি সম্পর্কে অবহিত হবেন এবং বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হতে থাকবে। ডঞঞঈ কর্তৃক সম্পাদিত গবেষণায় প্রকাশিত ফলাফল থেকে প্রতীয়মান হয়, ২০১৭ সালে বাংলাদেশের জিডিপিতে এ খাতের প্রত্যক্ষ অবদান ছিল ৪২৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন টাকা যা জিডিপির ২ দশমিক ২ শতাংশ এবং সর্বমোট অবদান ছিল ৮৫০ দশমিক ৭ বিলিয়িন টাকা যা জিডিপির ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।

দেশের অফুরন্ত পর্যটন আকর্ষণসমূহকে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে সরকার কর্তৃক বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে ১৯৭২ সালে গঠন করেন বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের পর্যটন উন্নয়নের অগ্রপথিক। সরকারী এ সংস্থাটি বেসরকারী অংশীজনসহ দেশের পর্যটন উন্নয়নে অবদান রেখে আসছে। বিশ্বব্যাপী পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর অবদানের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের পর্যটন বিকাশ ও বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কর্তৃক ২০১০ সালে জাতীয় পর্যটন নীতিমালা ও বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড আইন-২০১০ প্রণয়নসহ জাতীয় পর্যটন সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড গঠন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির জন্মলগ্ন থেকে দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন, বিকাশ ও বিপণনে সরকারী-বেসরকারী অংশীজনসহ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় পর্যটন সংস্থা কর্তৃক পর্যটন শিল্পে নিয়োজিত বিশাল কর্মী বাহিনীর দক্ষতা উন্নয়ন, দেশীয় ট্যুর অপারেটরদের সঙ্গে বিদেশী ট্যুর অপারেটরদের সংযোগ স্থাপন, পর্যটন আকর্ষণ এলাকায় পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও ডিজিটাল মিডিয়ায় পর্যটন বিষয়ে প্রচারণা, জনসচেতনতা তৈরি ইত্যাদি কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য নানাবিধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কার্যত এ জাতীয় কার্যক্রম গ্রহণের ফলে বাংলাদেশের পর্যটন উন্নয়নের বিষয়টি আজ দৃশ্যমান। বৃদ্ধি পেয়েছে অভ্যন্তরীণ পর্যটন, তৈরি হচ্ছে পর্যটন বিষয়ক জনসচেতনতা, আন্তর্জাতিক পর্যটন অঙ্গনে বাংলাদেশের পরিচিতি ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হচ্ছে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কর্তৃক পর্যটন শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়ন ও বিকাশের লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এসডিজি ও পর্যটন

২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১৭টি লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে লক্ষ্য ৮, ১২ ও ১৪ প্রত্যক্ষভাবে পর্যটনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। পর্যটন বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকা শক্তিগুলোর মধ্যে একটি। বর্তমানে প্রতি ১০টি কর্মসংস্থানের মধ্যে ১টি কর্মসংস্থান পর্যটন খাত কেন্দ্রিক। এক্ষেত্রে পর্যটন এলাকাগুলোর উন্নয়নের মাধ্যমে সংস্কৃতি ও পণ্য প্রমোট করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও যুব ও মহিলাদের স্বাবলম্বী করা সম্ভব। অভ্যন্তরীণ, উপকূলীয় এবং সামুদ্রিক পর্যটন সমুদ্র সম্পদের ওপর নির্ভর করে। অভ্যন্তরীণ, উপকূলীয় এবং সামুদ্রিক ট্যুরিজম উন্নয়নের জন্য অবশ্যই সমন্বিত উপকূলীয় অঞ্চলের সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। পানির নিচের সম্পদ সংরক্ষণ ও সম্পদের টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে ব্লু ইকোনমিক অর্জনে পর্যটন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসডিজির তিনটি লক্ষ্য সরাসরি পর্যটনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বলা হলেও বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রতীয়মান অবশিষ্ট ১৪টি লক্ষ্য পর্যটনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।

উন্নয়ন ও পর্যটন

বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন দেশী-বিদেশী অর্থায়নে সরকারের পরিকল্পনা অনুসারে বিভিন্ন দফতর ও সংস্থা কর্তৃক বাস্তবায়িত হয়ে থাকে। বহুমাত্রিক পর্যটন শিল্প, উন্নয়নের অন্যতম অনুষঙ্গ। সংশ্লিষ্ট শিল্পসমূহের উন্নয়ন ও বিকাশে বিকশিত হয় পর্যটন। উন্নয়ন সহযোগী সকল সংস্থা/কর্তৃপক্ষ উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নকালে পর্যটনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কর্ম সম্পাদন করলে পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব মর্মে দৃঢ়ভাবে আশা করা যায়। বিভিন্ন দফতর ও সংস্থা তাদের উন্নয়ন কার্যক্রমে পর্যটনকে যেভাবে সম্পৃক্ত করতে পারে তাঁর একটি ধারণা এখানে উপস্থাপন করা হলো- স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নিজ নিজ উন্নয়ন কাজের পরিকল্পনা করার সময় পর্যটন কেন্দ্র উন্নয়ন, পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিতে পারে। এর ফলে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্র উন্নয়ন, যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং পর্যটন বিকশিত হবে। সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ এবং সেতু বিভাগ উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়নকালে মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী পর্যটন কেন্দ্র এবং সেতুকেন্দ্রিক পর্যটন বিকাশে গুরত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

সংরক্ষিত বন অঞ্চল এবং সাধারণ বনভূমিতে পর্যটকগণের যাতায়াত, স্বল্প সময়ের জন্য জন্য অবকাশ, যাতায়াতের পথ ইত্যাদি উন্নয়নে বন বিভাগ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে পারে। বন বিভাগের আওতাধীন পর্যটন কেন্দ্রসমূহে যাতে অপরিকল্পিত দোকানপাট, অবকাঠামো নির্মাণ করে পর্যটন কেন্দ্রের পরিবেশ বিনষ্ট করা না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করার কার্যক্রম গ্রহণসহ পরিবেশ উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।

বিদেশী ও দেশী পর্যটকগণের স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর উৎপাদন পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা এবং ভোক্তা পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তা পর্যটন আকর্ষণের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। রিভার ক্রুজ এবং নদীপথে ট্যুরিজম উন্নয়নের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা ও দফতর বিআইডব্লিউটিসি এবং বিআইডব্লিউটিএ, নৌপরিবহন অধিদফতর এতদবিষয়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন করতে পারে। বিশেষ করে বিভিন্ন ঘাটে যাত্রী ও পর্যটক উঠানামার জন্য নিরাপদ ব্যবস্থা, ঘাটসমূহে পর্যাপ্ত ও উন্নতমানের ওয়াসরুমের ব্যবস্থা করে পর্যটন বিকাশে সহায়তা করা সম্ভব। দেশে মেগাপ্রকল্প সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকা হতে পারে পর্যটনের সম্ভাবনাময় স্থান। মেগাপ্রকল্প প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দফতর ও অধিদফতর এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পর্যাপ্ত পর্যটন সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে পারে।

শিক্ষা ও মেডিক্যাল ট্যুরিজমের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দফতর ও অধিদফতর এবং বেসরকারী উদ্যোক্তা বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে। এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করতে আসত। কিন্তু এর সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজগুলোতে প্রচুর বিদেশী ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করতে আসে। এর সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। অপরদিকে দেশের বিদ্যমান হাসপাতালগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার ও মেডিক্যাল সেবার সহজীকরণ ও মান বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের নাগরিকদের বিদেশে গিয়ে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের প্রবণতা হ্রাস ও বিদেশীদের এদেশে চিকিৎসাসেবা নিতে উদ্বুদ্ধ করে মেডিক্যাল ট্যুরিজ্ম এ উন্নয়ন সম্ভব।

রেলস্টেশনের সৌন্দর্যবর্ধন, মানসম্মত ওয়াসরুম ও বিশ্রামাগারের ব্যবস্থাকরণ, পর্যটন সুবিধাদি অন্তর্ভুক্তকরণ ও আরামদায়ক রেল ভ্রমণের ব্যবস্থাকরণের মাধ্যমে পর্যটন উন্নয়নের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। যুব উন্নয়ন অধিদফতর, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ যে সকল মন্ত্রণালয়, দফতর ও অধিদফতর যুবক এবং নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে সে সকল প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ সূচীতে ট্যুরিজ্ম এবং হসপিটালিটি কারিকুলাম অন্তর্ভুক্ত করে পর্যটন শিল্পে দক্ষ জনবল সৃষ্টিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। ফলে পর্যটন খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। কেবলমাত্র বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজ্ম বোর্ড এবং কতিপয় পর্যটন অংশীজনের সহায়তায় পর্যটন উন্নয়ন একটি সময় সাপেক্ষ বিষয়।

দ্রুততম সময়ে পর্যটনের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন ও বিকাশে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ ও পর্যটন মনস্ক জাতি গঠন। জাতীয় এবং প্রান্তিক পর্যায়ের সুফল ছড়িয়ে দিতে প্রয়োজন সরকারী-বেসরকারী অংশীজনসহ স্থানীয় জনসাধারণের উন্নয়ন ভাবনায় পর্যটনকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং পর্যটন বিকাশ ও বিপণনে অংশগ্রহণ ও আন্তরিক সহযোগিতা প্রদান।

লেখক : প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।

প্রকাশিত : ৬ অক্টোবর ২০১৯

০৬/১০/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: