১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ কেন ‘বিশ্ব সম্পদ’ হিসেবে স্বীকৃত


(শেষাংশ)

কেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম ভাষণের মধ্যে অন্যতম বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি কেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম ভাষণসমূহের অন্যতম হিসেবে অভিহিত? এর উত্তরে সংক্ষেপে যা বলা যায়

এক. যেকোন শ্রেষ্ঠ ভাষণ মাত্রই তা প্রচন্ড- উদ্দীপনীয় (ওহংঢ়রৎরহম) মুহূর্তে মানুষকে নব চেতনায় জাগিয়ে তুলে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে তাদের প্রস্তুত করতে পারঙ্গম। ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সমগ্র বাঙালী জাতিকে নজিরবিহীনভাবে ঐক্যবদ্ধ এবং স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল। ভাষণে দৃপ্তকণ্ঠে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেছিলেন, ‘আমরা ভাতে মারবো। আমরা পানিতে মারবো... আমরা যখন মরতে শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না।... রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো, ইনশাআল্লাহ!’ ঠিকই, কোনরূপ আপোসকামিতার পথে না গিয়ে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে ৫-১০ লাখ নয়, ৩০ লাখ লোক আত্মোৎসর্গ করে এবং কয়েক লাখ মা-বোন সম্ভ্রম হারান, যা বিশ্ব ইতিহাসে নজিরবিহীন;

দুই. শ্রেষ্ঠ ভাষণের আর একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে: নেতৃত্বের সর্বোচ্চ দেশাত্মবোধ, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে স্থির এবং লক্ষ্য অর্জনে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের মূল ও আশু লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানী অভ্যন্তরীণ ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ-নিয়ন্ত্রণ থেকে বাঙালীর জাতীয় মুক্তি বা স্বাধীনতা ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’;

তিন. শ্রেষ্ঠ ভাষণের অপর একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে: সময়ের পরিসীমায় গ-িবদ্ধ না থেকে তা হয় কালোত্তীর্ণ ও সকল সময়ের জন্য প্রেরণাদায়ী ‘সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না’ (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান);

চার. ইতিহাসখ্যাত শ্রেষ্ঠ ভাষণের আর একটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে এর কাব্যিকতা, শব্দশৈলী ও বাক্যবিন্যাসে তা হয়ে ওঠে গীতিময় ও শ্রবণে চতুর্দিকে অনুরণিত। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি ঠিক অনুরূপ; যেকারণে বঙ্গবন্ধু আখ্যাত হন ‘চড়বঃ ড়ভ চড়ষরঃরপং’ রূপে;

পাঁচ. যেকোন শ্রেষ্ঠ ভাষণই বিদ্যমান পরিস্থিতি উত্থিত, একই কারণে তাৎক্ষণিক, স্বতঃস্ফূর্ত ও হৃদয় উৎসারিত। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণও ছিল তাই; কোনরূপে লিখিত ছিল না;

ছয়. শ্রেষ্ঠ হিসেবে চিহ্নিত ইতিহাসখ্যাত ভাষণের অপর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, আকারে তা নাতিদীর্ঘ। আব্রাহাম লিংকনের Gettysburg Address-এর শব্দ সংখ্যা ২৭২, সময় ৩ মিনিটের কম। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের সময় ১৮ মিনিট, শব্দ ১১০৫ (এক হাজার একশত পাঁচ)। অপরদিকে, মার্টিন লুথার কিং-এর ‘ও যধাব ধ ফৎবধস’ অফফৎবংং-এর সময় ছিল ১৭ মিনিট, শব্দ সংখ্যা ১৬৬৭।

কেন বিশ্ব সম্পদ হিসেবে স্বীকৃত ও গৃহীত

যেসব দিক বিবেচনায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এক অনন্য-অসাধারণ ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত এবং মানবজাতির অমূল্য সম্পদ হিসেবে গৃহীত, তা হচ্ছে এরূপ

এক. জাতিসংঘের বিশ্ব মানবাধিকার ঘোষণাপত্রে (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮) উপনিবেশবাদ, বর্ণবৈষম্যবাদ, জাতিনিপীড়ন ইত্যাদি থেকে পৃথিবীর সর্বত্র জাতি-জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের নীতি গৃহীত ও স্বীকৃত হয়। পাকিস্তানী অভ্যন্তরীণ ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ ও জাতিনিপীড়নের নিগড় থেকে বাঙালীর জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে নির্দেশিত বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম ছিল ওই নীতি-আদর্শের সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ;

দুই. একটি রাষ্ট্্েরর বন্ধন ছিন্ন করে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ ছিল তৃতীয় বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম নজির সৃষ্টিকারী ঘটনা। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল এর সকল প্রেরণার মূলে। বাঙালীর জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে পরিচালিত দীর্ঘ ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রেখেও একথা বললে বোধ হয় অত্যুক্তি হবে না যে, একটি ভাষণে (৭ মার্চ) একটি জাতিরাষ্ট্রের (বাংলাদেশ) সৃষ্টি এবং তাও মাত্র নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে, যা বিশ্বের ইতিহাসে নজিরবিহীন। উল্লেখ্য, ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনামের জনগণের বিপ্লবী নেতা হো চি মিন কর্তৃক বৈদেশিক নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে তাঁর দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ফরাসী ও মার্কিনবিরোধী সশস্ত্র সংগ্রামে রূপ নিয়ে দীর্ঘ ত্রিশ বছর যুদ্ধ শেষে ১৯৭৫ সালে তা সফলতা লাভ করে;

তিন. আমেরিকার বর্ণবৈষম্যবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রিয় নেতা, বিশ্বনন্দিত মার্টিন লুথার কিং (১৯২৯-১৯৬৮)-এর মতো জনগণকে শুধু ‘I have a dream’ বা একটি ‘স্বপ্নের কথা’ (দাসপ্রথা বিলুপ্তি) বলতে নয়, বরং ৭ মার্চ বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জনতার উত্তাল মহাসমুদ্রে হাজির হন বাঙালীর হাজার বছরের লালিত স্বাধীনতার স্বপ্নের বাস্তবায়ন তথা বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সশস্ত্র সংগ্রামের উদাত্ত আহ্বান নিয়ে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আসন্ন যুদ্ধের, বিশেষ করে গেরিলা যুদ্ধের সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণে বাঙালীদের দিকনির্দেশনা দান শেষে বঙ্গবন্ধুর আহ্বান ছিল, ‘... ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি তোমরা বন্ধ করে দেবে।’ পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থাকা সত্ত্বেও তাঁরই নামে পরিচালিত নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় বাঙালীর লালিত স্বপ্ন, মহান স্বাধীনতা;

চার. ঢাকায় উপস্থিত বিদেশী সাংবাদিকসহ প্রায় সর্বমহলের ধারণা ছিল, বঙ্গবন্ধু তাঁর ৭ মার্চের ভাষণে সরাসরি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, যাকে বলা হয় টউও (টহরষধঃবৎধষ উবপষধৎধঃরড়হ ড়ভ ওহফবঢ়বহফবহপব) ঘোষণা করবেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন প্রাজ্ঞ, অত্যন্ত বিচক্ষণ ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাজনীতিক। স্নায়ু যুদ্ধকালীন বিশ্ব রাজনীতির গতিধারা বা মেরুকরণ সম্বন্ধে তিনি সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল ছিলেন। দেশের অভ্যন্তরে কিংবা বহির্বিশ্বে একজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হিসেবে তিনি যাতে কোন অবস্থায় চিহ্নিত না হন, সে ব্যাপারে তিনি ছিলেন সদা-সর্বদা অত্যন্ত সতর্ক। তেমনটি ঘটলে, তৎকালীন বিশ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন হয়ত অসম্ভব হয়ে দাঁড়াত। তাঁর সম্মুখে দৃষ্টান্ত ছিল কীভাবে নাইজিরিয়ার বায়াফ্রা বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন (১৯৬৭-১৯৭০) আদর্শিক বিভাজন নির্বিশেষে বৃহৎ শক্তির প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে কঠোরভাবে দমন করা হয়। তাই বঙ্গবন্ধুর অবস্থান ছিল : মেজরিটি (বাঙালী) মাইনরিটি (পশ্চিম পাকিস্তানী) থেকে বিচ্ছিন্ন হবে কেন? বরং মাইনরিটিই ‘সিসিড’ করছে বা আক্রমণকারী এটাই বিশ্ববাসীর কাছে প্রতিভাত বা দৃষ্ট হোক;

পাঁচ. বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল বস্তুত বাংলাদেশের স্বাধীনতারই ঘোষণা। তবে বিদ্যমান বিশ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতির বাস্তবতায় তিনি কৌশলের আশ্রয়ী হন, এই যা। ভাষণের শেষভাগে তিনি এমনভাবে ‘স্বাধীনতার’ কথা উচ্চারণ করেন, যাতে ঘোষণার কিছু বাকিও থাকে না, অপরদিকে তাঁর বিরুদ্ধে একতরফা স্বাধীনতা ঘোষণার অভিযোগ উত্থাপন করাও পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর পক্ষে আদৌ সহজ ছিল না। বঙ্গবন্ধুর এ কৌশলী অবস্থান সুদক্ষ সমরকুশলীদেরও অবাক করার মতো। বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ কোনক্রমে টউও হিসেবে চিহ্নিত হলে, সে অবস্থায় এটি বিশ্ব ঐতিহ্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতো না;

ছয়. বাঙালীর জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে দীর্ঘ গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় চূড়ান্ত পর্বে এসে একটি ভাষণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু যেভাবে দ্রুত তাঁর নিরস্ত্র জাতি-জনগোষ্ঠীকে তাদের কাক্সিক্ষত স্বাধীনতার স্বপ্ন অর্জনে সশস্ত্ররূপে আবির্ভূত হতে উদ্বুদ্ধ করেন, সেটিও এক বিরল ঘটনা;

সাত. ৭ মার্চ এক বিস্ফোরণোন্মুখ পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সর্বদিক বিবেচনায় রেখে ধীর-স্থির অথচ তেজোদীপ্ত কণ্ঠে বঙ্গবন্ধু এমনি এক ভাষণ রাখলেন, যার নজির ইতিহাসে বিরল। ভাষণে একদিকে যেমন ছিল শত্রুর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান, অপরদিকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে বাঙালীর অধিকার আদায়ের প্রচেষ্টা (‘আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি’), গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ (‘যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও একজন যদিও সে হয়, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব’), মানবিকতা (‘... গরিবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে, সে জন্য ...’), অসাম্প্রদায়িক আদর্শ ও সম্প্রীতি (‘এই বাংলায় হিন্দু-মুসলমান, বাঙালী-নন বাঙালী যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের উপরে’) ভাষণের এসব দিক তথা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের দায়িত্ববোধের প্রকাশ ছিল সকলের নজর কাড়ার মতো;

আট. ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে পরিগণিত অধিকাংশ নেতৃত্বের বক্তব্য যেখানে লিখিত (আব্রাহাম লিংকনের ১৮৬৩ সালের বহুল উচ্চারিত Gettysburg Address-টি সম্পূর্ণ এবং ওয়াশিংটন ডিসির লিংকন মেমোরিয়াল চত্বরে মার্টিন লুথার কিং-এর ১৯৬৩ সালের বিখ্যাত ‘I have a dreamÕ Address-টির প্রথম দিকের বক্তব্য ছিল লিখিত), সেখানে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি ছিল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অলিখিত, স্বতঃস্ফূর্ত, যা এ ভাষণকে বিশেষ বৈশিষ্ট্যম-িত করেছে;

নয়. বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ পৃথিবীর একাধিক ভাষায় ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। এত দীর্ঘ সময় ধরে (৪৬ বছর) পৃথিবীর কোন দেশে কোন নেতার ভাষণ সেদেশের মানুষ শ্রবণ করে আসছে কিনা সন্দেহ। এটি এমনি ব্যঞ্জনাপূর্ণ ও গীতিময় যে, যতবার শ্রবণ করা হয়, ততবারই মনে হবে এই প্রথমবার শোনা হলো, কখনও পুরনো মনে হয় না।

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ একটি জাতি-জনগোষ্ঠীর মুক্তির কালজয়ী সৃষ্টি, এক মহাকাব্য। বহুমাত্রিকতায় তা বৈশিষ্ট্যম-িত। শুধু বাঙালীর জন্যই নয়, বিশ্ব মানবতার জন্যও অবিস্মরণীয়, অনুকরণীয় এক মহামূল্যবান দলিল বা সম্পদ। ইউনেস্কোর সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে এটিই স্বীকৃত। গণতন্ত্র, উচ্চ মানবিকতা, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল আদর্শ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের সংগ্রাম, জাতিভেদ-বৈষম্য ও জাতিনিপীড়নের বিরুদ্ধে বিশ্ব মানবতার মুক্তির সংগ্রামে যুগেযুগে এ ভাষণ অনুপ্রেরণা যোগাবে। সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে নবীন প্রজন্ম, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, রাষ্ট্রনায়ক, সমরকুশলী সবার জন্যই এ ভাষণে রয়েছে অনেক কিছু শিক্ষণীয়।

লেখক : ভিসি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়