২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মুন্সীগঞ্জের মেঘনায় বালুর জাহাজডুবি পিতা-পুত্র নিহত ॥ নিখোঁজ কলেজের শিক্ষক


স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ মুন্সীগঞ্জের চরআব্দুল্লাহ’র কাছে মেঘনায় বাল্গহেট ডুবির ঘটনায় পিতার পর পুত্রের লাশ উদ্ধার হয়েছে। বুধবার দুপুরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীরা বাল্গহেটের ভেতর পুত্র মো. মাসুমের (৪০) লাশ তুলে আনে। এর আগে বাল্গহেট মালিক পিতা মতিউর রহমানের (৬৫) লাশ দুর্ঘটনাস্থলের কাছে ভেসে উঠে। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অপর পুত্র রাজধানীর পলিটেকনিক অ্যান্ড টেক্সটাইল কলেজের শিক্ষক মামুনুর রহমান মামুন (৩২)। সোমবার সন্ধ্যায় বালু বোঝাই করার সময় নতুন বাল্গহেটটি (বালুর জাহাজ) ফেটে ডুবে যায়। দুই পুত্রসহ মালিক এবং সুখানী, মাস্টার ও এক স্টাফসহ ছয়জন ছিল বাল্গহেটটিতে। তিন জন স্টাফকে আশপাশের নৌযান উদ্ধার করেছে বলে ধারানা করা হলেও মালিক দু’পুত্রসহ নিখোঁজ ছিল।

সদর থানার ওসি ইউনুচ আলী জানান, ফায়সার সার্ভিস, কোস্টগার্ড এবং পুলিশ উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা হেডকোয়াটার স্টেশন অফিসার মো. শামসুল হুদা জানান, প্রায় ১শ’ ফুট নিচে মেঘনার তলদেশে বালুর জাহাজটি রয়েছে। সেখান থেকে ব্যবসায়ী মাসুমের লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও নিখোঁজের সন্ধানে ডুবুরীরা কাজ করছে।

নিহত মতিউর রহমানের জামাতা বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিস ব্যাচের অধিনায়ক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম জানান, তার শ্বশুর সাতার জানলেও দু’ শ্যালক সাঁতার জানতেন না।

চরআব্দুল্লাহ বালুমহলের ইজাদার পক্ষের দায়িত্বশীল মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফসার উদ্দিন ভূইয়া জানান, ছোট বাল্গহেটকে ভেঙ্গে বড় আকারে নতুন করে এটি তৈরী করা হয়। এটি প্রথমবারের মত বালু লোট নিচ্ছিল। কিন্তু যথাযথ তৈরী হয়নি বলে লোড কুলাতে পারেনি। ফেটে গিয়ে ডুবে যায়। বাল্গটি এখনও উদ্ধার করা যায়নি। সোমবারই বাল্গহেটি নদীতে প্রথম ভাসানো হয়। আর সে কারণে এটির মালিক ও তার দু’পুত্র উৎসাহ বশত বাল্গহেটটিতে ছিলেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: