ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১

ট্রফি ফটোসেশনে না থাকায় দুঃখ প্রকাশ তামিমের

প্রকাশিত: ২০:২৬, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ট্রফি ফটোসেশনে না থাকায় দুঃখ প্রকাশ তামিমের

তামিম ইকবাল

বিপিএলের অব্যবস্থাপনা নিয়ে এমনিতেই সমালোচনার শেষ নেই। ফাইনালের আগেও সমালোচনা পিছু ছাড়লো না। দেশের এক নম্বর এবং সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট, অথচ ফাইনালের আগের দিন ট্রফি নিয়ে ফটোসেশন অনুষ্ঠানে পাওয়া গেলো না দুই দলের অধিনায়ককে!

নিয়ম অনুযায়ী ফাইনালের আগেরদিন টুর্নামেন্টের শিরোপা নিয়ে ফাইনালিস্ট দুই দলের অধিনায়ক অফিসিয়াল ফটোশ্যুট করার কথা। বিসিবি থেকে আগেরদিন ঘোষণাও দেয়া হয়েছিলো, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ঢাকার নবাব বাড়ি হিসেবে খ্যাত আহসান মঞ্জিলের সামনে দুই অধিনায়ক ট্রফি নিয়ে অফিসিয়াল ফটোশ্যুট করবেন। সেখানে ফাইনাল নিয়ে নিজেদের চিন্তা-ভাবনা, পরিকল্পনা- এসব নিয়ে মিডিয়ার সামনে বিস্তারিত কথা বলার কথা দুই অধিনায়কের।

কিন্তু আহসান মঞ্জিলে দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র। দুই ফাইনালিস্ট কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স এবং ফরচুন বরিশালের কোনো অধিনায়কই অফিসিয়াল ফটোশ্যুটে অংশ নেননি। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের লিটন দাসের বদলে এসেছেন জাকের আলি অনিক এবং ফরচুন বরিশালের তামিম ইকবালের অনুপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে দেখা যায় মেহেদী হাসান মিরাজকে।

চারদিকে এ নিয়ে সমালোচনা। এর মধ্যে দুঃখপ্রকাশ করলেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক বিশাল স্ট্যাটাস দিয়ে অনুষ্ঠানে যেতে না পারার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।

তামিমের সেই স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

বিপিএল ফাইনালের আগে ট্রফি উন্মোচনের আয়োজনের জন্য আজকে চমৎকার একটি জায়গা বেছে নিয়েছিল বিসিবি। তবে আমি সেখানে যেতে পারিনি, এজন্য দুঃখপ্রকাশ করছি বিসিবি, বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ও বাংলাদেশ ক্রিকেটের সব অনুসারীর প্রতি। অধিনায়ক হিসেবে অবশ্যই আমার দায়িত্ব ছিল এরকম একটি আয়োজনে থাকা।

তবে গতকাল রাতেই আমরা কোয়ালিফায়ার ম্যাচ খেলেছি। ম্যাচ শেষে যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সেরে হোটেলে ফিরতে আমাদের অনেক রাত হয়ে যায়। এরপর ফাইনালে ওঠার আনন্দ উদযাপনের জন্য দল থেকে বিশেষ আয়োজন ছিল। পাশাপাশি, অধিনায়ক হিসেবে আমার বাড়তি কিছু ব্যস্ততাও ছিল। সবকিছু শেষ করতেই আমার অনেকটা দেরি হয়ে যায়। সকাল সাড়ে ৮টায় হোটেল থেকে বের হওয়া তাই সম্ভব ছিল না আমার পক্ষে। জায়গাটি যেহেতু একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা, ট্রফি উন্মোচনের আয়োজনটি নির্দিষ্ট ওই সময়েই করার কিছু বাধ্যবাধকতাও ছিল।

আমি ব্যক্তিগতভাবে সবসময়ই বিপিএলকে অনেক মূল্য দিয়েছি এবং এই টুর্নামেন্টকে ওপরে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। কখনোই এই টুর্নামেন্টকে কোনোভাবে খাটো করতে চাইনি। বিপিএলের জন্য কোনো কিছু করার সুযোগ পেলে ভবিষ্যতেও এগিয়ে আসার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তবে আজকের পরিস্থিতিতে আমার কোনো উপায় ছিল না এবং এজন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করছি।

 

এস

×