ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০৩ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০

রাতে প্রস্রাবের বেগ পাওয়ার কারণ

প্রকাশিত: ১৭:১৬, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩

রাতে প্রস্রাবের বেগ পাওয়ার কারণ

ছবি : প্রতীকী

প্রস্রাবের বেগের কারণে রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া বেশ বিরক্তিকর। তবে প্রতি রাতে একবার টয়লেটে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

লস অ্যাঞ্জেলেসের ‘ফিউশন ওয়েলনেস অ্যান্ড ফেমিনা ফিজাক্যাল থেরাপি’র চিকিৎসক হিথার জেফকোট এই ব্যাপারে বলেন, “শুয়ে থাকা অবস্থায় মূত্রের বেগ আসতেই পারে। তবে মূত্র বৃদ্ধিকারক কোনো ওষুধ গ্রহণ না করে থাকলে আর প্রস্রাবের কারণে ঘুম ভেঙে গেলে শারীরিক পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।”

ওয়েলঅ্যান্ডগুড ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিনি জানান, প্রস্রাবের কারণে বার বার ঘুম ভাঙার অবস্থাকে বলে ‘নাকটোরিয়া’।

ক্যালিফোর্নিয়া’র ‘ইউরোলজি ক্যান্সার স্পেশালিস্ট’য়ের ইউরোলজিস্ট এস.অ্যাডাম রামিন একই প্রতিবেদনে এই বিষয়ে বলেন, “যারা এই সমস্যায় ভোগেন রাতে তাদের একের অধিকবার টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে।”

‘নাকটোরিয়া’র ক্ষেত্রে একবার টয়লেটে যাওয়া স্বাভাবিক। বয়স পঁয়তাল্লিশের বেশি হলে এই পরিস্থিতিকে জীবনের একটি অংশ হিসেবেই ধরে নিতে হবে।

এছাড়া অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে- মূত্রথলির পেশির কার্যকারিতা, প্রসবোত্তর জীবনের পরিবর্তন, হৃদসংক্রান্ত স্বাস্থ্য, স্নায়ুগত সমস্যা।

ডা. রামিন বলেন, “একজন মানুষ প্রতিরাতে যতবার মূত্র ত্যাগের জন্য বিছানা ছাড়বেন, সেই মাত্রায় ‘নাকটোরিয়া’র সমস্যা গণনা করা হবে।”

“মূত্রথলি প্রায় ভর্তি হয়ে গেলে মূত্রত্যাগের অনুভূতি জাগে। এটাই মূত্রথলির পেশির স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। আর বাথরুমে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ত্যাগ করা যাবে না, এই প্রশিক্ষণটা ছোটবেলা থেকেই আমাদের মস্তিষ্ক পেয়ে থাকে”, বলেন ডা. রামিন।

‘নাকটোরিয়া’ তৈরি হওয়ার নানান কারণ থাকতে পারে।

ডা. জেফকোট এই বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলেন, “আমি দেখেছি যে মায়েরা শিশুকে বোতলে খাওয়াতে বা স্তন্যদান করতে রাতে উঠতো তাদের মধ্যে এই সমস্যা তৈরি হয়ে গেছে। রাতের ঘুমের মাঝে এই বিরতি অভ্যস্ততায় পরিণত হয়ে যায় স্তন্যদান করা শেষ হলেও। ফলে মাঝ রাতে ঘুম থেকে উঠেও বাথরুমে যাওয়ার ব্যাপারটা থেকে যায়।”

 

এমএস

×