সুদানের সিনজায় ড্রোন হামলার পর সতর্কাবস্থায় দেশটির সেনাবাহিনী
সুদানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সিনজায় দেশটির সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বিদ্রোহী আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)। হামলায় ২৭ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ১৩ জন। খবর আলজাজিরাা।
প্রতিবেদন মতে, সুদানি সেনাবাহিনী (এসএএফ) সমর্থিত সরকার তাদের অপারেশন ঘাঁটি রাজধানী খার্তুমে সরানোর ঘোষণা দেওয়ার একদিন পরই মঙ্গলবার ভয়াবহ এই হামলার ঘটনা ঘটে। এখন থেকে তিন বছর আগে ২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানের সেনাবাহিনী (এসএএফ) ও বিদ্রোহী আধাসামরিক বাহিনীর (আরএসএফ) মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়। এই সংঘাতের প্রধান কেন্দ্র খার্তুম। সংঘাতের শুরুর দিকে নিজেদের অপারেশন ঘাঁটি খার্তুম থেকে পোর্ট সুদানে সরিয়ে নেয় সেনাবাহিনী।
জাতিসংঘ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, এই সংঘাতে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১ কোটি ৪০ লক্ষ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তবে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণায় মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার বলে অনুমান করা হয়েছে। চলমান লড়াইয়ের মধ্যে সরকারি বাহিনীর ঘাঁটি লক্ষ্য করে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালায় বিদ্রোহী যোদ্ধারা। এই হামলায় কেবল সরকারি বাহিনীর নেতারাই নয়, বরং তাদের সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা দল এবং বেসামরিক নাগরিকরাও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এতে সামরিক ও বেসামরিক মিলিয়ে ২৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে কতজন আহত হয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। আলজাজিরার তথ্য মতে, ১৩ জন আহত হয়েছে। যদিও কেউ কেউ এই সংখ্যা আরও বেশি বলেছে।
সামরিক ও স্বাস্থ্য সূত্রের বরাত দিয়ে এএফপি ৭৩ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে। সরকারি বিবৃতি অনুসারে, হামলার সময় সিনজার কর্মকর্তাদের মধ্যে সুদানের হোয়াইট নাইল রাজ্যের গভর্নর কামার আল-দিন ফাদল আল-মাওলাও ছিলেন। তিনি বেঁচে গেলেও তার দুই সহকর্মী নিহত হয়েছেন। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সেনারের রাজধানী সিনজা খার্তুমে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে অবস্থিত, যা প্রায় ৩০০ কিলোমিটার (১৮০ মাইল) উত্তরে অবস্থিত। সুদানি সেনাবাহিনীর ১৭তম পদাতিক ডিভিশনের সদর দপ্তরও এখানে অবস্থিত, যা মঙ্গলবারের হামলার স্পষ্ট লক্ষ্যবস্তু ছিল।
প্যানেল হু








