ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০

৯৪৪ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত: ১৪:২৫, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩

৯৪৪ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

শিক্ষার্থী

১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ৫০ জন শিক্ষার্থীও নেই এমন ৯৪৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে দেশের ৫৬ জেলায়। এমন প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে এবার নতুন এক সিদ্ধান্ত নিলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই)।

জানা গেছে, এরকম বেহাল স্কুলগুলোকে পাশের স্কুলের সঙ্গে একত্রিত বা একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) সমন্বয় সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন : সিডনিতে বারডিয়া বাংলা স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সার্টিফিকেট প্রদান 

গত ৭ ডিসেম্বর অধিদপ্তরের পলিসি ও অপারেশন শাখার পরিচালক মনিষ চাকমা স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, অধিদপ্তরের মাসিক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫০ এর কম শিক্ষার্থী এমন স্কুলের বিষয়ে বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের কাছে প্রস্তাবনা চাওয়া হয়েছে। স্কুলগুলো একত্রীকরণ ও কম ছাত্র থাকা বিদ্যালয় পরিচালনা করা সমীচীন হবে কি না, সে বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রস্তাব আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২২ সালের তৎকালীন সচিব আমিনুল ইসলাম খান এসব স্কুলের তালিকা করার নির্দেশ দেন। এরপর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সেই সব স্কুলের তালিকা শুরু করে। সর্বশেষ তথ্য মতে, দেশের ৫৬টি জেলায় ৯৯৪ স্কুলে ৫০ জন শিক্ষার্থী নেই। সেই তালিকা ধরে এখন এসব প্রতিষ্ঠানগুলো পাশের স্কুলের সঙ্গে একীভূত করা হবে। 

সংশ্লিষ্টরা বলছে, ২০২৩ সালের তালিকা করলে এই সংখ্যা আরও বাড়বে।

ডিপিই পরিচালক মনিষ চাকমা গণমাধ্যমকে জানান বলেন, এটা ২০২২ সালের তালিকা। যেসব স্কুলের ৫০ জনের কম শিক্ষার্থী রয়েছে তাদের পাশের স্কুলের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে স্থানীয় পর্যায়ের মতামত চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ৫টি ক্লাসে ৫০ জন শিক্ষার্থী না থাকার পরও এসব চালানো রাষ্ট্রীয় অপচয়।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ৫৬টি জেলার ৯৪৪ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে ৫০ জনের কম শিক্ষার্থী নেই। সেই তালিকায় জাতীয়করণ করা স্কুলও রয়েছে। এ ধরনের জাতীয়করণ করা স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়েও ভাবছে ডিপিই।

৯৪৪ স্কুলের যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে

একত্রিত করার জন্য প্রস্তাবিত স্কুলের নাম, ছাত্র সংখ্যা, জমির পরিমাণ, যে স্কুলের সঙ্গে একত্রিত করা হবে তার নাম, বর্তমান বিদ্যালয় থেকে একত্রিত করার জন্য প্রস্তাবিত স্কুলের দূরত্ব, প্রস্তাবিত স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা উল্লেখ করে অধিদপ্তরে প্রস্তাব পাঠাতে হবে উপ-পরিচালকদের।

২০১৩ সাল থেকে ধাপে ধাপে ২৬ হাজারের বেশি এমপিওভুক্ত রেজিস্ট্রার্ড, আন রেজিস্ট্রার্ড ও কমিউনিটি বিদ্যালয় সরকারিকরণ করা হয়। এদের মধ্যে প্রায় ২১ হাজার শিক্ষক ছিলেন যোগ্যতাবিহীন। বার বার সময় দেওয়ার পরও তারা যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি। আবার অনেক স্কুলে ছিল নামমাত্র শিক্ষার্থী। গোঁজামিল দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য দিয়ে স্কুলগুলো চালাচ্ছেন কিছু শিক্ষক। তারা বেতনভাতাও পাচ্ছেন।

এবি 

×

শীর্ষ সংবাদ:

লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৪৪ বাংলাদেশি
ভারত থেকে এলো ৫০ মেট্রিক টন নারিকেল
বিশেষ ব্যবস্থায় মালয়েশিয়া প্রবাসীদের পাসপোর্ট দেবে হাইকমিশন
ষড়যন্ত্র আছেই, ষড়যন্ত্র হচ্ছে প্রত্যেকবারই : প্রধানমন্ত্রী
কুয়াকাটায় হোটেল না পেয়ে বাসাবাড়ি ভাড়া নিচ্ছেন পর্যটকরা
সেনাবাহিনীতে যোগ দিলে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেবে মিয়ানমার
বুয়েট প্রাক্‌-নির্বাচনী ভর্তি পরীক্ষা আজ
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন আর্থিক অনুদান, আজই আবেদনের শেষ সুযোগ
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন: প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু
রমজানে মক্কার মসজিদুল হারামে ইফতার পরিবেশনে নতুন নিয়ম সৌদির
প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক রুটে বাস চালু করলো সৌদি
কূটনৈ‌তিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় ৩ মা‌র্কিন কর্মকর্তা