ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

ব্যবসায় প্রশাসনে উচ্চশিক্ষা

প্রকাশিত: ০৭:০০, ২৭ জানুয়ারি ২০১৯

ব্যবসায় প্রশাসনে উচ্চশিক্ষা

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে অধিকতর গুরুত্ব পাচ্ছে বাজারমুখী, বাস্তবভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর মানব সম্পদ। আর এ মানব সম্পদকে মূলধনে পরিণত করার লক্ষ্যে কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায় প্রশাসনবিষয়ক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা গুরুত্ব বহন করছে। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে পাশ করা ছাত্রছাত্রীরা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ অনুষদের পাঠদানের মাধ্যম হচ্ছে ইংরেজি। এ ইউনিভার্সিটিতে ট্রাইমিস্টার পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রতিটি সেমিস্টারে ছাত্রছাত্রীদের মিডটার্ম ও ফাইনাল পরীক্ষার জন্য কোর্স শিক্ষকরা পর্যাপ্ত কেসস্ট্যাডি, চলমান বিষয়ের ওপর এ্যাসাইনমেন্ট, বাধ্যতামূলক ক্লাস পাটিসিপেশন, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। নিয়মিত ওয়ার্কসপ, সেমিনার, সিম্পোজিয়ামে ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে থাকে। প্রতি বছর বিবিএ ও এমবিএ ফাইনাল সেমিস্টারে শিক্ষার্থীদের স্ট্যাডি ট্যুর এবং বিভিন্ন সেমিস্টারে শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিজিটের ব্যবস্থা করা হয়। প্রতি ২ সেমিস্টার পর পর ভাইবা এবং ফাইনাল সেমিস্টারে ইন্টার্নিশীপ ছাত্রছাত্রীদের জন্য বাধ্যতামূলক। এ ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলরের নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানে এ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের শিক্ষকদের সমন্বয়ে যুগোপোযোগী বিবিএ এবং এমবিএ প্রোগামের সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। কোর কোর্সের পাশাপাশি রয়েছে অনেক মেজর কোর্স। যেমন- মেজর ইন ম্যানেজমেন্ট, মেজর ইন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, মেজর ইন এ্যাকাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম, মেজর ইন ফিন্যান্স, মেজর ইন ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট, মেজর ইন মার্কেটিং এবং মেজর ইন ইনফরমেশন সিস্টেম। শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী উল্লিখিত যে কোন বিষয়ে লেখা পড়া করতে পারে। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি চাকরিজিীবী এবং বিএমএ ডিপ্লোমা পাশকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য সান্ধ্যকালীন শিফট চালু রয়েছে। বর্তমানে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে প্রায় ১৫০০ ছাত্রছাত্রী অধ্যয়ন করছে। এমবিএ পাসকৃত ছাত্রছাত্রীদের সমন্বয়ে এমবিএ এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়েছে। নিয়মিত এ এ্যাসোসিয়েশন বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এডুকেশন সেল (আইকিউএসি) : ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব একটি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এডুকেশন সেল (আইকিউএসি) রয়েছে। এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বিশ্বদ্যিালয় মঞ্জুরি কমিশনের অধীনে ‘হায়্যার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহেন্সমেন্ট প্রজেক্ট (হেকেপ)’ ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ৭টি সেলফ এ্যাসেসমেন্ট কমিটি ১ জুলাই ২০১৫ থেকে যথারীতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ইতোমধ্যে ৭টি বিভাগের পিয়ার রিভিউয়ের কাজ দেশী ও বিদেশী বিশেষজ্ঞের দ্বারা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিটি বিভাগ থেকে ইমপ্রুভমেন্ট প্লান তৈরি করে ইউজিসিতে জমা দিয়েছে এবং সে অনুযায়ী কাজ চলছে। গবেষণা ও প্রকাশনা সেল : এ ইউনিভার্সিটিতে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ গবেষণা ও প্রকাশনা সেল রয়েছে। উক্ত সেলের পরিচালক হি হিসেবে রয়েছে অধ্যাপক ড. মোঃ সানা উল্লাহ। প্রতি বছর উক্ত সেল ডিআইইউ জার্নাল প্রকাশ করে থাকে। প্রত্যেক শিক্ষককে বছরে কমপক্ষে ২টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করতে হয়। লাইব্রেরী সুবিধা : ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে ৩টি সুসজ্জিত সমৃদ্ধ লাইব্রেরী। এখানে রয়েছে দেশী- বিদেশী পর্যাপ্ত বই ও জার্নাল। লাইব্রেরীতে শিক্ষার্থীরা নিরিবিলি পরিবেশে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পড়াশোনা করতে পারে। পড়াশোনার প্রয়োজনে লাইব্রেরী থেকে বই বাসায় বই নিয়ে যেতে পারে পারে। তাঁর জন্য রয়েছে ই-লাইব্রেরী কার্ড। ছাত্রছাত্রীদের আবাসিক সুবিধা : ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসিক সমস্যা দূরীকরণের লক্ষ্যে এ ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের সন্নিকটে রয়েছে ৭টি হোস্টেল, তার মধ্যে ছেলেদের জন্য রয়েছে ৫টি এবং মেয়েদের জন্য রয়েছে ২টি হোস্টেল। এ ছাড়াও নিকুঞ্জ জোয়ার সাহারায় ছেলেদের জন্য ১টি এবং গ্রীনরোডে মেয়েদের জন্য ১টি হোস্টেল রয়েছে। বৃত্তি : ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ২০১০-এর আইন অনুযায়ী দরিদ্র, মেধাবী ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বৃত্তি প্রদান করা হয়। এ ছাড়া যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরধারীদের বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে ২৫৩ শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ বিনা বেতনে অধ্যয়নরত। স্থায়ী ক্যাম্পাস : ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস ঢাকার বাড্ডার সাঁতারকুলে স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে ২টি বিশাল সুরম্য ভবন রয়েছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসে ওয়াই-ফাই, ক্যান্টিন, ব্যায়ামাগার ও আধুনিক অডিটোরিয়াম রয়েছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসে ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে আসার জন্য বাস ও শাটল সার্ভিস রয়েছে। বছরের বিভিন্ন সময়ে স্থায়ী ক্যাম্পাসে ইনডোর ও আউটডোর গেমসের আয়োজন করা হয়। সবুজে ঘেরা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিশিষ্ট এই স্থায়ী ক্যাম্পাসের পরিবেশ মনোমুগ্ধকর। যোগাযোগ : বাড়ি-০৪, সড়ক-০১, ব্লক-এফ, বনানী, ঢাকা-১২১৩। মোবাইল : ০১৯৩৯৮৫১০৬১। নাইম খান
×