ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

আল বিদা মাহে রমজান

অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম রফিক

প্রকাশিত: ০০:৩৫, ১৩ মার্চ ২০২৬

আল বিদা মাহে রমজান

আজ মাহে রমজানের ২৩তম দিবস

আজ মাহে রমজানের ২৩তম দিবস। একে একে শেষ হতে চলেছে ইবাদত বন্দেগি ও ধর্মীয় আবেগ সঞ্চারের শ্রেষ্ঠ মাসটি। এ মাস যেমন কৃচ্ছ্র সাধন ও ত্যাগ তিতিক্ষা শিক্ষার, তেমনি অনেক মুসলিম মনীষী রয়েছেন, যারা ইসলামের এ বিকাশের ক্ষেত্রে বিশাল ত্যাগ তিতিক্ষা ও অবদান রেখে গেছেন। এ মাহে রমজানে তাদের জীবনকথা সিয়াম সাধকদের মনে আবে হায়াৎ সঞ্চার করে। তেমনি এক দরদী মনীষী হজরত আবু বকর সিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু।

৬৩৪ সালে ঠিক মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর মতো ৬৩ বছর বয়সে উম্মতের সব চাইতে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হজরত আবু বকর (রাদি.) ওফাৎপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। মহানবীর (স.) সুখ-দুঃখের এ মহান সাথি সকল যুগের মুসলমানদের জন্য আদর্শ হয়ে রয়েছেন। হজরত (স.) স্বয়ং তার সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন- ‘বন্ধুত্ব ও অর্থ সাহায্যের দিক দিয়ে আমি আবু বকরের নিকট হতে সর্বাপেক্ষা অধিক ইহসান প্রাপ্ত হয়েছি।’-(বুখারী)।
এ মহান সাহাবীর তিরোধান সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে মাহমুদ আল আক্কাদ বলেন- পৃথিবী হতে এমন একটি জীবনের অবসান হলো, যা শিষ্টাচার ও ভদ্রতার ইতিহাসে অতুলনীয় ছিল।’-(ই. বিশ্ব কোষ ২/১২৫)। আমাদের উচিত প্রিয় নবীর (স.) এ প্রিয় সাহাবী সম্পর্কে সম্যক অবগত হয়ে আমাদের ঈমান ও ইশ্ককে মজবুত করা, জ্ঞান ও উপলব্ধির ভা-ারকে সমৃদ্ধ করা। তার পারিবারিক নাম আবদুল্লাহ, তবে আবু বকর উপনামেই তিনি বিখ্যাত হয়ে আছেন।

পিতা আবু কুহাফা ওসমান। পিতা-মাতা উভয়ে ছিলেন মহানবীর (স.) সাহাবীর অন্তর্ভুক্ত। আবু বকর (রাদি.)-কে ‘আতিক’ নামেও স্মরণ করা হতো। ‘আতিক’ অর্থ সৌন্দর্যের অধিকারী, তিনি প্রথম জীবন হতেই রুচিশীল এবং সত্যনিষ্ঠ ছিলেন- এজন্য তাকে আতিক বলা হতো (আর ইসাবা)। স্বয়ং হজরত (স.) এ নামের ব্যাখ্যা সম্পর্কে বলেন- ‘আবু বকর জাহান্নাম হতে চিরমুক্ত।’-(তিরমিজি ২/২১৪)। পরবর্তীতে মহানবী তাকে ‘সিদ্দিক’ উপাধি দান করেন। এর অর্থ সত্যবাদী এবং সত্যের স্বীকৃতি দানকারী।’

প্যানেল হু

×