ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

সংকটের মাঝেই সুখবর, রেমিট্যান্সে চমক

প্রকাশিত: ২০:৫২, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

সংকটের মাঝেই সুখবর, রেমিট্যান্সে চমক

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স।

ডলার সংকটের মাঝেই সুখবর বয়ে আনলো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। চলতি বছরের সদ্য বিদায়ী জানুয়ারিতে চমক দেখিয়েছেন প্রবাসীরা। ধারণা ছিল জানুয়ারি মাসে ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, অবশেষে সেই ধারণাই সত্য হলো। ওই মাসটিতে দেশে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২১০ কোটি মার্কিন ডলার। রেমিট্যান্স কেনার ঘোষিত দর ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা হলেও ১২২ টাকা পর্যন্ত দরে রেমিট্যান্স কেনায় প্রবাসী আয় বেড়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

২০২৩ সালের জুন মাসে সবশেষ ২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল রেমিট্যান্স। মাঝে প্রায় ৬ মাসের বেশি সময় অতিক্রম করলেও ২ বিলিয়ন ডলার বা এর বেশি আসেনি। তবে চলতি বছরের প্রথম মাসের শুরু থেকেই প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স আসার ধারা ভালো ছিল। এখন নিরাপদ ও বাড়তি প্রণোদনা পাওয়ায় প্রবাসীরা উৎসাহিত হচ্ছেন। আগামীতে আরও রেমিট্যান্স আসবে বৈধপথে।

সদ্য বিদায়ী বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরের পুরো সময়ে ১৯৮ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার বা ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি আসে। আর দিনে এসেছে ৬ কোটি ৪১ লাখ ডলার বা ৭০৪ কোটির টাকার বেশি।

এরমধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৯ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৭২ কোটি ৪৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫২ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

২০২৩ সালে সব মিলিয়ে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ২ হাজার ১৯০ কোটি ডলার। ২০২২ সালে এসেছিল ২ হাজার ১৩০ কোটি ডলার। এর মানে, ২০২৩ সালে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৩ শতাংশ। এর আগে ২০২১ সালে ২ হাজার ২০৭ কোটি ডলার, ২০২০ সালে ২ হাজার ১৭৩ কোটি ডলার ও ২০১৯ সালে ১ হাজার ৮৩৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় আসে।

সেই হিসাবে গত পাঁচ বছরের মধ্যে ২০২৩ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে। তা সত্ত্বেও প্রবাসী আয়ে যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে, তা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

 

এম হাসান

সম্পর্কিত বিষয়:

×