ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

সংগ্রহে ২৩৫ প্রজাতির জবা

মো. আমান উল্লাহ

প্রকাশিত: ০০:৫০, ১৯ মার্চ ২০২৩

সংগ্রহে ২৩৫ প্রজাতির জবা

.

কর্মব্যস্ততায় মগ্ন নগরীর মানুষের কাছে ছাদবাগান সতেজতার পরিচয় বহন করে। প্রত্যেকেরই সুযোগ থাকে এই ব্যস্ত নগরীতে পরিবেশের জন্য ভালো কিছু উপহার দেওয়ার। বাসাবাড়ির পরিত্যক্ত জায়গায় অথবা ছাদবাগানে গাছ রোপণ করে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে। সৌন্দর্য প্রিয়াসী ব্যক্তি হলেই এসব জায়গায় সুন্দর বাগান করা সম্ভব। নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশী-বিদেশী থেকে ২৩৫ প্রজাতির জবার গাছ রোপণ করে এমন বিস্ময় সৃষ্টি করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক . শাহানারা বেগম। প্রতিদিনই বাহারি রং-বেরঙের সে ফুলগুলো ফুটছে  তাঁর সেই ছাদ বাগানে। . শাহানারা কৃষি অনুষদের ১৯৯২-৯৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অনার্স শেষ করে মাস্টার্স চলাকালীন সময়ে ২০০১ সালে বাকৃবিতে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন এই অধ্যাপক। টোকিও ইউনিভার্সিটি অফ এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি থেকেও অর্জন করেছেন পিএইচডি ডিগ্রি।

জবা চাষে আগ্রহ সৃষ্টি : জবা ফুলের প্রতি আগ্রহ হঠাৎ করে জন্মেছিল . শাহানারা বেগমের। জবা ফুলের ২৩৫ ধরনের প্রজাতি হতে পারে  সে সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না।এসো বাগান করি ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে প্রথম জবা ফুল আকৃষ্ট করে। সেখানে জবা ফুলের বিভিন্ন ধরনের রং, ধরন থেকে ভালো লাগা শুরু তাঁর। মূলত করোনাকালে ছাদ বাগানকারীদের সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০ সালে করোনার ভিতরে বাড়িতে অলস বসে থাকার সময় ছাদ বাগানের কাজ শুরু করা হয়। অনেকের কাছে বিরল প্রজাতির জবার গাছ রয়েছে। তবে ২৩৫ প্রজাতির জবার গাছ বাংলাদেশে সম্ভবত অন্য কারো কাছে নেই।

যেভাবে শুরু : অধ্যাপকের নিজের উদ্যেগে জবা ফুলের বাগান করা। জবা ফুলের নতুন নতুন প্রজাতি সংগ্রহ শুরু হয় করোনা যখন পরিস্থিতি শীতল হলে। প্রথমে বাকৃবি ক্যাম্পাসের আশপাশের নার্সারি থেকে ফুলের প্রজাতি সংগ্রহ শুরু করেন। একদম শুরুতে ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের পাশের নার্সারি থেকে গাছ ক্রয় করেন।

এরপর আস্তে আস্তে সারা বাংলাদেশ থেকে ফুলের চারা সংগ্রহ করতে থাকেন। বর্তমানে ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ির আবিদুল ইসলামের নার্সারি বগুড়ার ইসলামুল হকের কাছ থেকে জবা ফুলের সংগ্রহ চলমান।

 

 

 

 

 

 

 

×