বুধবার ৭ আশ্বিন ১৪২৮, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

বাস্তুচ্যুত হতে পারে ২ কোটি বাংলাদেশী

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বের তাপমাত্রা প্রতিবছর ব্যাপকহারে বাড়ছে। একই কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ১৭ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্তত ২ কোটি বাংলাদেশী বাস্তুচ্যুত হতে পারে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট মানবাধিকার পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানান। খবর বিবিসি ও ওয়েবসাইটের। ১৯৮০’র দশকের পর থেকে প্রতিদশকে দৈনিক তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পৌঁছানোর সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে। পূর্বে ঘটেনি এমন নতুন স্থানেও তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। যা মানুষের স্বাস্থ্য এবং বেঁচে থাকার ওপর অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসছে। ১৯৮০’র দশকের পর থেকে প্রতিদশকে দৈনিক তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পৌঁছানোর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ১৯৮০ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত প্রতিবছর গড়ে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পৌঁছেছে ১৪ দিন করে। ২০১০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এ সংখ্যাটা ২৬ দিন ছিল। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশগত পরিবর্তন ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক ফ্রিডারিক অটো বলেন, জীবাশ্মা জ্বালানি পোড়ানোর জন্য তাপমাত্রার এই বৃদ্ধি ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তন যেভাবে বাড়ছে তাতে অতিরিক্ত তাপমাত্রা মানুষ ও প্রকৃতির জন্য মৃত্যুর কারণ হতে পারে। একইসঙ্গে ভবন, সড়ক ও বৈদ্যুতিক শক্তির জন্য বড় ধরনের সমস্যার কারণ হতে পারে। সাধারণত ৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা পৌঁছায় মধ্যপ্রাচ্য ও আরব উপসাগরীয় দেশগুলোতে। এর বাইরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইতালিতে রেকর্ড ৪৮ দশমিক ৮ ডিগ্রী এবং কানাডায় সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মিশেল ব্যাচেলেট বলেছেন, মালদ্বীপের স্থলভাগের ৮০ শতাংশের বেশি এলাকার অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র এক মিটারেরও কম উচ্চতায় রয়েছে। ইতোমধ্যে দেশটি জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এটি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামসহ দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বেশিরভাগ এলাকায় ২০৫০ সালের মধ্যে দৈনিক উচ্চ জোয়ারের কারণে বন্যা দেখা দিতে পারে। এসব এলাকায় বর্তমানে ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করছে। এছাড়া প্রতিবছর গড়ে ৭ কোটি ৯০ লাখের মতো মানুষের বাড়িতে বন্যা প্রভাব ফেলতে পারে। পরিবেশগত দুর্যোগের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঘটনা দক্ষিণ এশিয়ায় গুরুতর এক সমস্যা। এই অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বলছে, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ, চীন, ভারত এবং ফিলিপিন্স এই অঞ্চলের সব দেশের তুলনায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সবচেয়ে বেশি বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে।

শীর্ষ সংবাদ:
শেখ হাসিনা ‘মুকুট মণি’ আখ্যায়িত         শিশুদের কাছে আকর্ষণীয় মানসিক বিকাশে সহায়ক         বঙ্গবন্ধুর নামে বেঞ্চ উৎসর্গ ঐতিহাসিক ঘটনা ॥ প্রধানমন্ত্রী         জাতিসংঘ ৭৬তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের উদ্বোধনী সেশনে প্রধানমন্ত্রী         করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ২৬         ঈশ্বরদী রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         বাংলাদেশে প্রতিমাসে এক কোটি ভ্যাকসিন আসছে, অক্টোবরে ভারত থেকেও আসবে॥ নৌ প্রতিমন্ত্রী         জাতিসংঘে করোনা টিকা নিশ্চিতে জোর দেবেন প্রধানমন্ত্রী         কমলো সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার         স্বাস্থ্য-র গাড়িচালক মালেক ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন         নামিদামি অফিসই ছিল তাদের টার্গেট         এহসান গ্রুপ ॥ ৭ দিনের রিমান্ড শেষে রাগীব ও তার ৩ ভাই কারাগারে         প্রতারণা মামলা : দুই মামলায় জামিন পেলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর         টঙ্গীতে ৭ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক         জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী         স্থানীয় সরকার নির্বাচন তৃণমূলে গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করে ॥ কাদের         ডেঙ্গু : গত ২৪ ঘন্টায় ২৪৬ জন হাসপাতালে         করোনার র‍্যাপিড টেস্টের যন্ত্র দেশে নেই : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী         রৌমারী সীমান্তে ‘বাংলাদেশী ভেবে’ ভারতীয়কে গুলি করে হত্যা করল বিএসএফ         শূন্য পদে কারা চিকিৎসক নিয়োগ দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ