ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২, ১৮ আশ্বিন ১৪২৯

ভৈরবপাড়ে দৃষ্টিনন্দন সড়কের পাশে ময়লার স্তূপ

প্রকাশিত: ২১:২৭, ২৬ নভেম্বর ২০২০

ভৈরবপাড়ে দৃষ্টিনন্দন সড়কের পাশে ময়লার স্তূপ

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোর শহরের দড়াটানায় ভৈরবপাড়ে সড়ক বর্ধিত করা হয়েছে। রোড ডিভাইডার করা হয়েছে এসএস পাইপ দিয়ে। সুসজ্জিত রোড ডিভাইডারের সঙ্গে রয়েছে স্ট্রিট লাইট। অথচ দৃষ্টিনন্দন এ সড়কের পাশেই স্তূপ করা হচ্ছে ময়লা আবর্জনা। ফুচকা, চটপটি আর চা বিক্রেতাদের ফেলা ময়লা আবর্জনায় সৌন্দর্য হারাচ্ছে ভৈরবপাড়ের নতুন এ সড়ক। একইসঙ্গে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। বেড়ে যাচ্ছে জনদুর্ভোগ। দেখা গেছে, দড়াটানার ভৈরবপাড়ে প্রতিদিন ফুচকা আর চটপটি বিক্রেতারা বসেন ভ্রাম্যমাণ দোকান নিয়ে। দুপুর গড়াতেই শুরু হয় এসব বিক্রি। এসব মুখরোচক খাবার পর ব্যবহৃত টিস্যু, পলিথিনসহ নানান বর্জ্য ফেলা হচ্ছে রাস্তার ওপর। একইসঙ্গে আশপাশের দোকানিরাও দিন শেষে তাদের বাদ দেয়া বিভিন্ন জিনিসপত্র ভৈরবপাড়েই ফেলছেন। এক দোকানি জানান, ভৈরবপাড়ে ময়লা ফেলার প্রধান কারণ হচ্ছে, এটি ফাঁকা পড়ে থাকা। আহমেদ শিশির নামে এক স্কুল শিক্ষক বলেন, সরকার অনেক টাকা ব্যয় করে রোড ডিভাইডার বসিয়ে রাস্তা সজ্জিত করেছে। অথচ নান্দনিক এ সড়কের পাশেই ভৈরবপাড়ে ময়লার স্তূপ করা হচ্ছে। এটি এক প্রকার কাণ্ডজ্ঞানের অভাব। ভৈরবপাড়ে ময়লা আবর্জনা যাতে কেউ না ফেলতে পারে সেই উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। চটপটি খেতে আসা সজিব পারভেজ নাম এক যুবক বলেন, তিনি প্রতিদিন সেখানে আসেন। কয়েকজন বন্ধু মিলে ঘণ্টাখানিক আড্ডা দেন। এ সময় চটপটি খান তারা। ভৈরবপাড়ে ময়লা ফেলার ব্যাপারে তিনি বলেন, তারা চটপটি খেয়ে চলে যান। খাবারের পরে যে ময়লা তাতো দোকানির কাছেই পড়ে থাকে। দোকানি কোথায় ময়লা ফেলেন তারা তা জানেন না। এ ব্যাপারে চটপটি দোকানিরা কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে পৌর সচিব আজমল হোসেন বলেন, দড়াটানার চটপটি বিক্রেতাদের জন্যে নার্সারিপট্টিতে বসার সুযোগ করে দিয়েছিল পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু দু’একদিন যাওয়ার পর তারা দড়াটানায় চলে গেছে। একইসঙ্গে ময়লা আবর্জনা ফেলছে ভৈরবপাড়ে। পরিবেশ আইনে নদের মধ্যে ময়লা ফেলা দণ্ডনীয় অপরাধ। যারা সরাসরি নদের মধ্যে ময়লা ফেলছেন তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।