ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২, ১৮ আশ্বিন ১৪২৯

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে বিএনপি সরাসরি জড়িত ॥ কাদের

প্রকাশিত: ২২:২৭, ২৪ আগস্ট ২০২০

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে বিএনপি সরাসরি জড়িত ॥ কাদের

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ২১ আগস্ট ভয়াল গ্রেনেড হামলার সঙ্গে বিএনপি সরাসরি জড়িত উল্লেখ করে বলেছেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় যে বিএনপি জড়িত তা দিবালোকের মতো সত্য, ধামাচাপা দিয়ে কেউ পার পাবে না। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রবিবার সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় সংসদ ভবন এলাকায় সরকারী বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় বিএনপি উট পাখির মতো মুখ বালুতে লুকিয়ে রাখলে সত্য কখনও মিথ্যা হবে না। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, সত্য কথা বললেই বিএনপির গাত্রদাহ শুরু হয়। অন্ধকারের শত্রুরা সত্য সহ্য করতে পারে না, সত্যের বন্যা অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যায়। আক্ষেপ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনা সংক্রমণের বর্তমান পর্যায়ে এসেও অনেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না। অনেকেই মাস্ক পরাকে অবহেলা করছেন। এই অবহেলা-শৈথিল্য প্রকারান্তরে ভয়ঙ্কর ঝুঁকিতে ফেলতে পারে আমাদের এবং এজন্য চরম মূল্য দিতে হবে। তাই আমি আবারও সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরিধান করে করোনাবিরোধী প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানাচ্ছি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দলের নেতাকর্মীসহ বিত্তবানদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোথাও কোথাও বন্যার পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি আসায় বহু মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। মূল্যবান সম্পদসহ ফসলহানি হয়েছে। এ অবস্থায় মানুষের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাঁড়াতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ সমাজের সর্বস্তরের যার সামর্থ্য আছে তাদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। দুর্গত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সেতুমন্ত্রী বলেন, একটা কথাই বলতে চাই চলমান পরিস্থিতিতে ভবিষ্যত যেমন তোমাদের ঝুঁকিপূর্ণ তেমনই জীবনও কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ। জীবন না থাকলে ভবিষ্যতে গড়বে কেমনে? তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে খুব সিরিয়াসলি প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। কারণ সর্বক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী খুবই চিন্তিত। তিনি এই সময় শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গবর্নর ড. আতিউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম প্রমুখ।