বুধবার ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ১২ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

জাতিসংঘের সহযোগিতা চায় ঢাকা

  • করোনা মোকাবেলায়

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রভাব মোকাবেলায় ঢাকা বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা, দৃঢ় অংশীদারিত্ব এবং জাতিসংঘের কোভিড-১৯ মোকাবেলা ও পুনরুদ্ধার তহবিল থেকে যথেষ্ট বরাদ্দ চেয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারী এসডিজি অর্জন বাধাগ্রস্ত করতে পারে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন জাতিসংঘের সঙ্গে দৃঢ় অংশীদারিত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি জাতিসংঘের সঙ্গে সমন্বিত অংশীদারিত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দিয়েছেন, যাতে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকে। বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠককালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। খবর বাসসর।

বৈঠকে ড. মোমেন দারিদ্র্য হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, নারীর ক্ষমতায়ন এবং অন্যান্য আর্থ-সামাজিক খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। তৈরি পোশাক খাত এবং প্রবাসী কর্মসংস্থানের ওপর করোনা মহামারী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে আশঙ্কা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ দুটি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। তিনি ফেরত আসা অভিবাসী শ্রমিকদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং তাদের পুনরায় কর্মসংস্থান ও বিদেশে ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের সহায়তা চান।

ড. মোমেন বাংলাদেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করে জাতিসংঘ আরও সহায়তা বাড়াবে বলে আশা প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে জলবায়ু প্রভাবের কথা তুলে ধরেন এবং প্যারিস চুক্তির আলোকে জলবায়ু প্রভাব নিরসনে উন্নত দেশগুলোর দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ফোরামের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে কাজ করবে। মোমেন রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের এজেন্সিদের অব্যাহত সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে কোন অগ্রগতি না হওয়ায় গভীর উদ্বেগও প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউএনকে বিদ্যমান ত্রিপক্ষীয় ব্যবস্থার কাঠামোর অধীনে মিয়ানমারের সঙ্গে আরও গঠনমূলকভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, রাখাইন প্রদেশে চলমান সহিংসতা, অব্যাহত সামরিক অভিযান, ফলস্বরূপ অস্থিতিশীলতা মিয়ানমারের নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার সন্ধানে ভূমি ও সমুদ্রের মধ্য দিয়ে পালিয়ে বিপজ্জনক ভ্রমণে বাধ্য করছে। তিনি দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা প্রসারে বৈশ্বিক জলবায়ু অভিযোজন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি একটি উদ্ভাবন ও জ্ঞান কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘের সহযোগিতা চান। জাতিসংঘের দল বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে এবং জাতিসংঘের এজেন্সিগুলো কীভাবে কার্যকরভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিকে যাত্রায় অংশীদার হতে পারে সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেয়ার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানায়। মিয়া সেপ্পো কোপিড-১৯’র আর্থ-সামাজিক ধাক্কা থেকে উদ্ধারে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের পূর্ণ সহয়তার আশ্বাস দেন। তারা মিয়ানমারের সঙ্গে আরও গঠনমূলকভাবে সম্পৃক্ততার পাশাপাশি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে জাতিসংঘের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক বলেন, জলবায়ু অভিযোজন সম্পর্কে বিশ্ব বাংলাদেশ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারে।

শীর্ষ সংবাদ:
ভরিতে সাড়ে ৩ হাজার টাকা কমল স্বর্ণের দাম         ভ্যাকসিন কেনার বিষয়ে আগামী সপ্তাহে সিদ্ধান্ত : জাহিদ মালেক         ‘অটো পাস’ আপাতত চিন্তায় নেই : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী         আগামী ১৬ আগস্ট থেকে ইউএস-বাংলার ঢাকা-কুয়ালালামপুর ফ্লাইট শুরু         মানবতাবিরোধী অপরাধ: চার পলাতক আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত চুড়ান্ত         এ বছরে হবে না এশিয়ার বিশ্বকাপ বাছাই         করোনা ভাইরাসের টিকার জন্য আলাদা অর্থ রাখা হয়েছে ॥ অর্থমন্ত্রী         ‘আমি একজন পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবাদ ও সৎ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি’         করোনা ভাইরাসে মৃত্যু সাড়ে তিন হাজার ছাড়াল, নতুন আক্রান্ত ২৯৯৫         ‘শাহজালাল (রহ.) মাজারে হামলার পরিকল্পনা ছিল নব্য জেএমবির’         করোনা ভাইরাসের বুলেটিন একেবারে বন্ধ না করার আহ্বান কাদেরের         মেজর সিনহা হত্যা ॥ ৪ পুলিশসহ ৭ জন সাত দিনের রিমান্ডে         বিদেশফেরত ৭০ শতাংশ জীবিকা সংকটে         মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক চারজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন চূড়ান্ত         বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১০ লাখ ইউরো দেবে ইইউ         এমপিদের থোক বরাদ্দ অর্থনৈতিক সুবিধার পথ ॥ টিআইবি         ১৩৯ দিন পর শারীরিক উপস্থিতিতে হাইকোর্টে বিচার কাজ শুরু         করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রুমিন ফারহানা         বৃষ্টিপাত হচ্ছে ॥ ৩ দিন পর আরও বাড়তে পারে         কাতার থেকে ফিরলেন ৪১৩ বাংলাদেশি        
//--BID Records