ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৯

monarchmart
monarchmart

মহাখালীতে অলস বসে আছে সাত শতাধিক বাস

প্রকাশিত: ১০:৪৫, ২৩ মার্চ ২০২০

  মহাখালীতে অলস বসে আছে সাত শতাধিক বাস

আজাদ সুলায়মান ॥ নজরদারি না থাকায় করোনাভাইরাসের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে পড়েছে বাসযাত্রীরা। এখন অধিকাংশ যাত্রীই এড়িয়ে চলছেন বাসের মতো গণপরিবহন। এতে রাজধানীতে সিটি সার্ভিসের বাসে একদিকে চলছে ভিড়, অন্যদিকে আন্তঃজেলার বাসগুলোতে দেখা দিয়েছে যাত্রীশূন্যতা। রাজধানীর মহাখালী টার্মিনাল সরেজমিন পরিদর্শনে এমনই চিত্র চোখে পড়েছে। শুধু এই একটি টার্মিনালেই অলস পড়ে আছে ৭ শতাধিক বাস। করোনাভাইরাসে আগ্রাসন বাড়তে থাকায় রাজধানীতে গণপরিবহনে সঙ্কট চরম আকার ধারণ করতে পারে। রবিবার দুপুরে উত্তরা ও বিমানবন্দর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাস- মিনিবাসের সংখ্যা কমে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে। যেখানে বিমানবন্দর গোলচক্কর বাস স্টপেজে প্রতিদিন বাস-মিনিবাসের জটলা লেগে থাকত, এখন বদলে গেছে সে দৃশ্য। সিটি সার্ভিসের হাতেগোনা কয়েকটি বাস অনেকক্ষণ পর পর এলেও তাতেও যাত্রী মিলছে না। সকালে অফিস সময়ে কিছুটা যাত্রীর ভিড় থাকলেও দুপুরে ফাঁকা। বলাকা পরিবহনের চালক নাজিম জানালেন, দিন দিনই কমে আসছে যাত্রী ও বাসের সংখ্যা। করোনার রোগী ও মৃত্যু বাড়ার খবরে চালক ও হেলপাররা গাড়ি বের করতে সাহস পায় না। আবার যে কয়টা বাস-মিনিবাস বের করা হয়- সেগুলোতেও যাত্রী কম। একেবারেই দায়ে না ঠেকলে কেউ পারতপক্ষে বাসে ওঠে না। এটা তো সিটি সার্ভিসের চিত্র। দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা বাস সার্ভিসের অবস্থা আরও খারাপ। করোনা আতঙ্কে অনেক মানুষ ঢাকা ছেড়ে গ্রামে চলে যাচ্ছে। কিন্তু গ্রাম থেকে কেউ আসছেন না। কিছু মানুষ ঢাকা ছাড়লেও গ্রাম থেকে বাস আসছে একেবারেই খালি। এ সম্পর্কে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন- দেশের ৯৩ শতাংশ মানুষ গণপরিবহন ব্যবহার করেন। করোনায় এখন যে অবস্থা তাতে তো যাত্রীদের পক্ষে গণপরিবহনে যাতায়াত বন্ধ করা সম্ভব নয়। তাই প্রতিনিয়ত গণপরিবহনগুলোতে জীবাণুনাশক স্প্রে করতে হবে।
monarchmart
monarchmart