বৃহস্পতিবার ২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ০৯ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ১০ ডিসেম্বর

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্র্ষিক সম্মেলন আগামী ১০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার। সম্মেলনকে সামনে রেখে খুলনায় দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্মেলন সফল করতে প্রতিদিনই মহানর ও জেলার বিভিন্ন স্তরে আলোচনা সভা, বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নেতাদের সর্মথনে প্যানা বোর্ড, ফেস্টুন ও তোরণ নির্মাণ করা হচ্ছে। সভাপতি পদ নিয়ে খুব বেশি আগ্রহ দেখা না গেলেও নেতাকর্মীসহ শুভাকাক্সক্ষীদের দৃষ্টি হচ্ছে সাধারণ সম্পাদক পদের দিকে।

দলীয় সূত্র জানায়, পূর্বে ৭ ডিসেম্বের মহানগর আওয়ামী লীগের ও ৮ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে একই দিনে (১০ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগ খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার উদ্বোধনী আনুষ্ঠান যৌথভাবে করার সিদ্ধান্ত হয়। সার্কিট হাউস মাঠে সম্মেলন উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ম-লীর সদস্য পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এদিকে সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। পদ প্রত্যাশীরাও নানাভাবে নিজেদের উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। শীর্ষ দুইটি পদ নিয়েই ব্যাপক আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে। মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে একক ব্যক্তির নাম শোনা গেলেও জেলা শাখার সভাপতি পদে একাধিক ব্যক্তির নাম আলোচনায় আসছে। এছাড়া সাধারণ সম্পাদকের পদে জেলা ও মহানগর শাখায় একাধিক ব্যক্তি তৎপর। যদিও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, সবকিছুই নির্ভর করবে দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের উপর। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে সভাপতি পদ নিয়ে আলোচনায় সেভাবে আগ্রহ দেখা না গেলেও সাধারণ সম্পাদক নিয়ে নানামুখী আলোচনা চলছে। দুই কমিটিতেই সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য একাধিক নেতা লবিং শুরু করেছেন। মাঠপর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত তাদের সক্রিয় দেখা যাচ্ছে।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রয়ারি আওয়ামী লীগ খুলনা জেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে শেখ হারুনুর রশিদ সভাপতি ও এসএম মোস্তফা রশিদী সুজা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। জেলা শাখার সভাপতির পদে প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হারুনুর রশীদ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সভাপতি পদে তিনি এবারও নির্বাচিত হতে পারেন এমনটাই শোনা যাচ্ছে। তবে মহানগর শাখার সহ-সভাপতি খুলনা চেম্বার অব কর্মাস এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি কাজী আমিনুল হক জেলার রাজনীতিতে যুক্ত হচ্ছেন এমন খবরে কেউ কেউ মনে করছেন তিনি হয়তো সভাপতি পদে প্রার্থী হতে পারেন। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট এমএম মুজিবুর রহমান ও ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি সভাপতি পদে প্রার্থী হতে পারেন বলেও আলোচনায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

এদিকে গত বছর ১৮ জুলাই খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা রশিদী সুজার মৃত্যু হলে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারী। তিনি সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী হিসেবে সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামাল, আক্তারুজ্জামান বাবু (এমপি), ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা অসিত বরণ বিশ্বাসের নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়া বটিয়াঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খান এবং তেরখাদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে পারেন।

আওয়ামী লীগ খুলনা জেলা সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ বলেন, ‘সম্মেলনের মাধ্যমেই নেতৃত্ব নির্ধারণ হবে। তৃণমূলের চাহিদা ও হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে নেতা। আমরা চাচ্ছি সুন্দর একটি সম্মেলন উপহার দিতে।’ ইতোমধ্যে সম্মেলন প্রস্তুতির ৭৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

২০১৪ সালের ২৯ নবেম্বর খুলনা মহানগর শাখার সম্মেলনে তালুকদার আবদুল খালেক সভাপতি ও মিজানুর রহমান মিজান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। মহানগর কমিটির এই শীর্ষ দুই নেতাই মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। কমিটির সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক এখন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত মেয়র। মহানগর শাখার সভাপতি পদে এখন পর্যন্ত একক প্রার্থী হিসেবে তালুকদার খালেকেরই নাম শোনা যাচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান ছাড়াও এই পদে অন্য যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেনÑ খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম, নগর কুমুটর যুগ্ম সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ, আশরাফুল ইসলাম ও আবুল কালাম আজাদ কামাল, দৌলতপুর থানা সভাপতি সৈয়দ আলী প্রমুখ।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দলের সমন্বয়ক সাবেক এমপি মিজানুর রহমান মিজান বলেন, দল যাকে পছন্দ করবে তিনি হবেন পরবর্তী নেতা। আমরা চাইছি সুষ্ঠু ও সুন্দর সম্মেলন আয়োজন করতে। সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হতে পারে অথবা দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তে সমঝোতার মাধ্যমেও নেতা নির্বাচিত হতে পারে।

শীর্ষ সংবাদ:
করোনায় হলেও দম্ভ যায়নি ব্রাজিলিয়ান প্রেসিডেন্টের!         কাতারে আক্রান্ত লাখ ছাড়ালেও সুস্থই ৯৬ হাজারের বেশি         করোনা ॥ বাংলাদেশে আরও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির আশঙ্কা         বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি ॥ ময়ূর-২ এর মালিক মোসাদ্দেক গ্রেফতার         উখিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ রোহিঙ্গা নিহত, ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার         শক্তিশালী পাসপোর্ট র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে জাপান         বিদেশি শিক্ষার্থী ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতে মামলা         সিরিয়ায় ত্রাণ সহায়তার অজুহাতে পাশ্চাত্যের ষড়যন্ত্রমূলক পরিকল্পনা ব্যর্থ         ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের আহ্বান পম্পেওর         জম্মু-কাশ্মীরে বাবা-ভাইসহ বিজেপি নেতাকে গুলি করে হত্যা         মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর যে বক্তব্যে দুঃখ প্রকাশ করলেন সের্গেই ল্যাভরভ         জোড়া লাল কার্ডের ম্যাচে বার্সার জয়         হংকংয়ের শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ         ভারতীয় সেনাদের ফেসবুকসহ ৮৯টি অ্যাপ ব্যবহার নিষিদ্ধ         রিজেন্টের অনিয়ম খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নিয়েছি         চিকিৎসা প্রতারক সাহেদের উত্থান বিস্ময়কর         সরকার কঠোর ॥ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী নিয়ে দুর্নীতি         করোনা সঙ্কট উত্তরণে এখনই জোরালো বৈশ্বিক সাড়া দরকার         করোনায় আরও ৪৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৩৪৮৯         স্বাস্থ্যবিধি না মানার হতাশাজনক চিত্র        
//--BID Records