শুক্রবার ২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

মাথার চুলকানি

  • ডাঃ দিদারুল আহসান

অনেকগুলো চর্মরোগ আছে যার কারণে মাথার চুলকানি হতে পারে যেমন মাথায় খুশকি হওয়া, মাথায় উকুন দেখা দেয়া, মাথায় ছত্রাকের আক্রমণ ঘটা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। নিচে খুব সংক্ষেপে ৩টি বিষয় নিয়ে একটু আলোচনা করা হলো :

উকুন : মাথার চুলে উকুন হয় তাকে পেডিকিউলাস ক্যাপিটিস বলা হয়।

উকুন হওয়ার কারণ :

(ক) আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকা, একই বিছানা বা পোশাক-পরিচ্ছদ ব্যবহার করা, একই চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানো, মাথা পরিষ্কার না রাখা ইত্যাদি কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। মানুষের দেহে তিন প্রকার উকুন থাকে। মাথার চুলে যে উকুন হয় তাকে বলা হয় পেডিকিউলাস ক্যাপিটিস। দেহে যে উকুন হয় তাকে বলা হয় পেডিকিউলাস করপোরিস এবং বিটপ দেহের লোমে, বগলে, গোঁফে-দাড়িতে, চোখের পাতায় যে উকুন হয় তাকে বলা হয় পেডিকিউলাস পিউবিস। মাথার উকুন তামাটে বর্ণের হয়। এরা এক একবারে শতাধিক ডিম পারে, যাদের ‘নিকি’ বলা হয়। এই নিকি থেকে এক হতে দেড় সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা হয় এবং মাথার উকুনের সংখ্যা বাড়তে থাকে। উকুন মাথায় কামড়ায় এবং ফলে চুলকায় এবং ছোট ছোট ক্ষতের সৃষ্টি করে।

চিকিৎসা :

লোশন চবৎসবঃযৎরহ ১% মাথায় ভালভাবে লাগাতে হয় এবং মাথায় কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখতে হয়, যাতে উকুন পালিয়ে যেতে না পারে। ব্যবহার শেষে ভালভাবে সাবান-জলে স্নান করে নিতে হয়।

খুশকি : সাধারণভাবে মাথায় হালকা আঁশের ন্যায় মরা চামড়া উঠাকে খুশকি বলা হয়। এ ক্ষেত্রে মাথায় চুলকানি থাকে, মাথার ত্বকে কুটকুটে ভাব থাকে। মাথার চুল বেড়ে গেলে, চুল ভেজা থাকা অবস্থায় আঁচড়ালে, মাথায় ময়লা জমলে, তৈল বেশি বেশি ব্যবহার করলে এবং সেই সঙ্গে মাথায় ছত্রাকের আক্রমণ ঘটলে রোগের উপসর্গ বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে তাই একই চিরুনি বহুজনের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রেই খুশকিকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব হয় না তবে দমিয়ে রাখা সম্ভব। যাদের মাথায় খুশকি হয় তাদের মাথায় তৈল মাখা কমিয়ে দিতে হবে অথবা বন্ধ করে দিতে হবে। খুশকি নিয়ন্ত্রণে না রাখলে চুল পড়ে যেতে পারে। তাই একে নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরী। এ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু বাজারে এখন সর্বত্রই পাওয়া যায়। তা ব্যবহারের মাধমে একে নিয়ন্ত্রণে খুব সহজেই রাখা যায়। আর যদি ওই শ্যাম্পু ব্যবহারে খুশকি নিয়ন্ত্রণে না আসে তাহলে অবশ্যই একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। কারণ আপনি যাকে খুশকি বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন তা হয়ত খুশকি না হয়ে গুরুতর কিছুই হতে পারে।

মাথার দাঁদ : ছত্রাকের আক্রমণ যখন মাথায় ঘটে তখন তাকে টিনিয়া ক্যাপিটিস বলা হয় বা মাথার দাঁদ বলা হয়। এই রোগটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শিশুদের মাথায় হতে দেখা যায়, তবে খুব কম ক্ষেত্রেই সাবালকদের হয়।

এক্ষেত্রে মাথার ত্বকের প্রদাহে, মরা চামড়া ওঠা, চুলকানি এবং মাথার চুলপড়া বিদ্যমান থাকতে পারে।

চিকিৎসা : এক্ষেত্রে দাঁদ নিরোধক এন্টি ফাংগাল ঔষধ যেমন গ্রাইসিওফুলভিন ৫ মিঃ গ্রাম/ কেজি শরীরের ওজনের অনুপাতে এক থেকে দেড় মাস খেতে হয়।

লেখক : চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

চেম্বার : আল-রাজী হাসপাতাল, ১২ ফার্মগেট, ঢাকা।

শীর্ষ সংবাদ:
চলে গেলেন দেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন         বিনিয়োগে রুট বদল ॥ করোনা মহামারীর ধাক্কা         দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলবে ॥ প্রধানমন্ত্রী         রিজেন্টের আইটি প্রধান গ্রেফতার, আটক সাহেদের ভায়রা         স্বাস্থ্য খাতে অনিয়মের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান চলবে         এই প্রথম সুস্থতার হার শনাক্তের চেয়ে বেশি         পাপুল কুয়েতের নাগরিকত্ব পাননি         তিন মাসের জন্য রোমে নিষিদ্ধ বাংলাদেশী যাত্রী ও ফ্লাইট         দীর্ঘমেয়াদী বন্যার শঙ্কা         বর্ষায়ও ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ নগরবাসী         এখন ফখরুল ও পুরো বিএনপি হোম আইসোলেশনে         শিক্ষার্থীদের হাতে ডিজিটাল ডিভাইস ও ইন্টারনেট দিতে হবে         ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারী প্রতিষ্ঠানে সব ধরনের গাড়ি কেনা বন্ধ         আধিপত্য ও চাঁদাবাজির কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় রক্ত ঝরছে পাহাড়ে         কেন্দ্রীয় ব্যাংক গবর্নরের বয়সসীমা বাড়ল দু’বছর         চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ ছাড়াল ১১ হাজার         ১৪ প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর         করোনা: শনাক্তের তুলনায় সুস্থ হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে         ক্ষুধায় প্রতিদিন ১২ হাজার মানুষের মৃত্যু হবে : অক্সফাম         গরুর ধাক্কায় আন্তঃনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস বিকল        
//--BID Records