মঙ্গলবার ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, ১১ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

মাথার চুলকানি

  • ডাঃ দিদারুল আহসান

অনেকগুলো চর্মরোগ আছে যার কারণে মাথার চুলকানি হতে পারে যেমন মাথায় খুশকি হওয়া, মাথায় উকুন দেখা দেয়া, মাথায় ছত্রাকের আক্রমণ ঘটা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। নিচে খুব সংক্ষেপে ৩টি বিষয় নিয়ে একটু আলোচনা করা হলো :

উকুন : মাথার চুলে উকুন হয় তাকে পেডিকিউলাস ক্যাপিটিস বলা হয়।

উকুন হওয়ার কারণ :

(ক) আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকা, একই বিছানা বা পোশাক-পরিচ্ছদ ব্যবহার করা, একই চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানো, মাথা পরিষ্কার না রাখা ইত্যাদি কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। মানুষের দেহে তিন প্রকার উকুন থাকে। মাথার চুলে যে উকুন হয় তাকে বলা হয় পেডিকিউলাস ক্যাপিটিস। দেহে যে উকুন হয় তাকে বলা হয় পেডিকিউলাস করপোরিস এবং বিটপ দেহের লোমে, বগলে, গোঁফে-দাড়িতে, চোখের পাতায় যে উকুন হয় তাকে বলা হয় পেডিকিউলাস পিউবিস। মাথার উকুন তামাটে বর্ণের হয়। এরা এক একবারে শতাধিক ডিম পারে, যাদের ‘নিকি’ বলা হয়। এই নিকি থেকে এক হতে দেড় সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা হয় এবং মাথার উকুনের সংখ্যা বাড়তে থাকে। উকুন মাথায় কামড়ায় এবং ফলে চুলকায় এবং ছোট ছোট ক্ষতের সৃষ্টি করে।

চিকিৎসা :

লোশন চবৎসবঃযৎরহ ১% মাথায় ভালভাবে লাগাতে হয় এবং মাথায় কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখতে হয়, যাতে উকুন পালিয়ে যেতে না পারে। ব্যবহার শেষে ভালভাবে সাবান-জলে স্নান করে নিতে হয়।

খুশকি : সাধারণভাবে মাথায় হালকা আঁশের ন্যায় মরা চামড়া উঠাকে খুশকি বলা হয়। এ ক্ষেত্রে মাথায় চুলকানি থাকে, মাথার ত্বকে কুটকুটে ভাব থাকে। মাথার চুল বেড়ে গেলে, চুল ভেজা থাকা অবস্থায় আঁচড়ালে, মাথায় ময়লা জমলে, তৈল বেশি বেশি ব্যবহার করলে এবং সেই সঙ্গে মাথায় ছত্রাকের আক্রমণ ঘটলে রোগের উপসর্গ বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে তাই একই চিরুনি বহুজনের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রেই খুশকিকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব হয় না তবে দমিয়ে রাখা সম্ভব। যাদের মাথায় খুশকি হয় তাদের মাথায় তৈল মাখা কমিয়ে দিতে হবে অথবা বন্ধ করে দিতে হবে। খুশকি নিয়ন্ত্রণে না রাখলে চুল পড়ে যেতে পারে। তাই একে নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরী। এ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু বাজারে এখন সর্বত্রই পাওয়া যায়। তা ব্যবহারের মাধমে একে নিয়ন্ত্রণে খুব সহজেই রাখা যায়। আর যদি ওই শ্যাম্পু ব্যবহারে খুশকি নিয়ন্ত্রণে না আসে তাহলে অবশ্যই একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। কারণ আপনি যাকে খুশকি বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন তা হয়ত খুশকি না হয়ে গুরুতর কিছুই হতে পারে।

মাথার দাঁদ : ছত্রাকের আক্রমণ যখন মাথায় ঘটে তখন তাকে টিনিয়া ক্যাপিটিস বলা হয় বা মাথার দাঁদ বলা হয়। এই রোগটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শিশুদের মাথায় হতে দেখা যায়, তবে খুব কম ক্ষেত্রেই সাবালকদের হয়।

এক্ষেত্রে মাথার ত্বকের প্রদাহে, মরা চামড়া ওঠা, চুলকানি এবং মাথার চুলপড়া বিদ্যমান থাকতে পারে।

চিকিৎসা : এক্ষেত্রে দাঁদ নিরোধক এন্টি ফাংগাল ঔষধ যেমন গ্রাইসিওফুলভিন ৫ মিঃ গ্রাম/ কেজি শরীরের ওজনের অনুপাতে এক থেকে দেড় মাস খেতে হয়।

লেখক : চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

চেম্বার : আল-রাজী হাসপাতাল, ১২ ফার্মগেট, ঢাকা।

শীর্ষ সংবাদ:
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মারা গেছেন ৩৩ জন, নতুন শনাক্ত ২৯৯৬         দেশের উন্নয়নে প্রয়োজন অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ॥ সেতুমন্ত্রী         প্রণব মুখার্জির দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী         দেশে এক মাসে ১০৭ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার         মাথাপিছু আয় বেড়ে এখন ২০৬৪ ডলার         বাতিল হচ্ছে পিইসি-জেএসসি পরীক্ষা         মন্দির প্রাঙ্গণেই জন্মাষ্টমীর সব আয়োজন         গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, আড়াই ঘন্টা মহাসড়ক অবরোধ         ব্রাজিলে কমেছে সংক্রমণ, বেড়েছে সুস্থতা         বিতর্কিত নির্বাচনে উত্তাল বেলারুশ         করোনার ‘প্রকৃত তথ্য’ জানানোয় ইরানে পত্রিকা বন্ধ !         টিকটকে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ নেই ॥ সিআইএ         তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রীর সফরে নিয়ে ক্ষুব্ধ চীন         ব্রিটেনে মহাত্মা গান্ধীর চশমা নিলামে         বিশ্বে ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার মৃত্যু, ২ লাখের বেশি শনাক্ত         করোনা কোনো মৌসুম মানে না : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা         ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে লেবাননের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ         ট্রাম্পের ব্রিফিংকালে হোয়াইট হাউসের বাইরে গোলাগুলি         বার্মিংহামে প্লাস্টিক ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ আগুন         হায় স্বাস্থ্যবিধি! অস্তিত্ব শুধু কাগজে কলমে        
//--BID Records