সোমবার ১৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৩ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

সেনাবাহিনীকে জনগণের পাশে থাকতে হবে ॥ প্রধানমন্ত্রী

 সেনাবাহিনীকে জনগণের  পাশে থাকতে  হবে ॥ প্রধানমন্ত্রী
  • ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদর নির্বাচন পর্ষদ ’১৯ এর সভায় ভাষণ

বিডিনিউজ ॥ সেনাবাহিনীকে সব সময় জনগণের পাশে থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদর নির্বাচন পর্ষদ-২০১৯’র সভায় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

সেনাবাহিনীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস, নেতৃত্ব ও পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা, সততা ও আনুগত্য বিবেচনায় নিয়ে পদোন্নতি দিতে উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির লক্ষ্যে রবিবার থেকে শুরু হয়ে সেনাসদর নির্বাচন পর্ষদ-২০১৯ চলবে পাঁচদিন ধরে। পর্ষদে কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল পদে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত এ পর্ষদের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ভবিষ্যত জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য যোগ্য ও দক্ষ অফিসারগণ সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে পদোন্নতি পাবেন। প্রধানমন্ত্রী সকালে সেনাসদরে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। অনুষ্ঠানে মুখ্য সচিব নজিবুর রহমানসহ সামরিক ও বেসামরিক উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইহসানুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর ১৯টি অভ্যুত্থানের ঘটনা তুলে ধরেন। ১৯৮১ সালে নির্বাসিত জীবন থেকে দেশে ফেরার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, যখন দেশে ফিরলাম তখন বলেছিলাম এই আত্মঘাতী অবস্থা আমরা চাই না। দেশের সর্বক্ষেত্রে শান্তি চাই। মনোবল ছিল দেশে ফিরেছিলাম। মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসই আমার মূল শক্তি। বর্তমানে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা আমাদের একটা অর্জন।

১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুর করা প্রতিরক্ষা নীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার দূরদৃষ্টি ছিল। দেশের সেনাবাহিনী কেমন হবে সেই চিন্তাতেই তিনি নীতিমালা তৈরি করেছিলেন। ফোর্সেস গোল ২০৩০ ওই নীতিমালার ভিত্তিতেই প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় দেশের বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলে থাকার সময়ই তিনি দেশের উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। কোন্ খাতে কি ধরনের উন্নয়ন করা হবে পরিকল্পনাতে সেসব বিষয় ছিল।

আগামী অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে দশমিক ২০ ভাগ হবে। পরবর্তীতে দুই অঙ্কে নিয়ে যাব। মেগা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন হলে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়বে বলে জানান তিনি। প্রবৃদ্ধি যখন বাড়ে তখন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে তার সুফল পায় সাধারণ মানুষ। মানুষ ধীরে ধীরে দারিদ্র্যসীমা থেকে বেরিয়ে আসছে। পাঁচ কোটি মানুষ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতায় রয়েছে। নারীর ক্ষমতায়নে আমরা অগ্রগামী। এবারের ওআইসি সম্মেলনে আমাদের নারীর ক্ষমতায়নের মূল্যায়ন হয়েছে এবং প্রশংসা করেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

শীর্ষ সংবাদ:
মুজিববর্ষে সারাদেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হবে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী         রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধের নির্দেশ         জামালপুরে নৌকাডুবিতে দুই শিশুসহ তিন জনের মৃত্যু         গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় ৩০ জনের মৃত্যু         চলাচল নিয়ন্ত্রণ থাকবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত         ১৫ আগস্টের ষড়যন্ত্রকারীদের অপচেষ্টা আজও চলমান ॥ কাদের         বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ হাজার মানুষকে সহায়তা দেবে ইইউ         সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ         বাস-পিকআপ সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩ জনের         দাম না পেয়ে নদীতে চামড়া ফেললো ব্যবসায়ীরা         এমপি সালমা চৌধুরী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত         কিশোরগঞ্জে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ নববধূসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার        
//--BID Records