মঙ্গলবার ২০ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৪ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

হাইকোর্টে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

হাইকোর্টে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

অনলাইন রিপোর্টার ॥ তলবে হাইকোর্টে হাজির হয়েছেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া নামিদামি কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের নিম্নমানের (সাবস্ট্যান্ডার্ড) ৫২ পণ্য বাজার থেকে অবিলম্বে না সরানোয় গত ২৩ মে তাকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট।

রবিবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে তিনি হাজির হন। সেখানে আইনজীবী কামাল উল আলম ও এ এম আমিন উদ্দিন রয়েছেন।

২৩ মে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুলও জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

সম্প্রতি ৪০৬টি খাদ্য পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছে বিএসটিআই। এর মধ্যে ৩১৩টি পণ্যের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ৩১৩টির মধ্যে ৫২ পণ্য মানহীন বলে প্রতিবেদন দেয় মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাটি। বাকি ৯৩ পণ্যের পরীক্ষার ফলাফল প্রতিবেদন ১৬ তারিখের মধ্যে দিতে বিএসটিআইকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সে অনুসারে বিএসটিআই ৯৩ পণ্যের মান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ২২টি নিম্নমানের বলে জানিয়েছেন তারা।

এর আগে গত ১২ মে এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট বাজার থেকে আইনানুসারে এসব পণ্য সরাতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ওই আদেশ বাস্তবায়ন করে ২৩ মে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

২৩ মে আদেশ বাস্তবায়নের প্রতিবেদন দেয় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। প্রতিবেদনে ৫২ পণ্যের একটির প্যাকেটও জব্দ করার বিষয়টি না থাকায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করে তাকে তলব করেন। তবে সারাদেশে ৫২ পণ্য জব্দের প্রতিবেদন দেওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে সাধুবাদ জানান আদালত।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম। ভোক্তা অধিকারের পক্ষে ছিলেন কামরুজ্জামান কচি।

প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের পক্ষে ছিলেন এম কে রহমান, এসিআই'র পক্ষে ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ এবং সান চিপসের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম। আর বাঘাবাড়ী ঘিয়ের পক্ষে ছিলেন মোমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী।

গত ১২ মে শিহাব উদ্দিন খান বলেছিলেন, আদালত সেই ৫২ সাব স্ট্যান্ডার্ড পণ্য অবিলম্বে বাজার থেকে অপসারণের নির্দেশ দিয়ে আইন অনুসারে ব্যবস্থা (জব্দ বা ধ্বংস) নিতে বলছেন। একই সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এসব পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা বিএসটিআই'র পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়। দু'জন বিবাদী এ বিষয়ে ২৩ মে আদালত আদেশ বাস্তবায়নের প্রতিবেদন দিতে বলেছেন। এছাড়া আদালত রুল জারি করেছেন।

গত ৮ মে ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি’র (সিসিএস) নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান এ রিট করেন।

বিএসটিআই পরীক্ষায় ওইসব কোম্পানির ভেজাল ও নিম্নমাণের পণ্য ধরা পড়ে।

শীর্ষ সংবাদ:
পুলিশের গুলিতে নিহত সাবেক মেজর সিনহার মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন         করোনা চিকিৎসায় সহজ কোনো সমাধান নেই : ডব্লিউএইচও         পাপিয়ার বিরুদ্ধে সোয়া ৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলা         বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ অনেক আগেই উন্নত দেশে পরিণত হতো : প্রযুক্তিমন্ত্রী         দুই সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা করলেন বিএসএফ কনস্টেবল         চট্টগ্রাম সিটির প্রশাসক হলেন আ.লীগ নেতা সুজন         করোনা ভাইরাসে আরও ৫০ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৯১৮         বিটিসিএলের টেলিফোন নম্বর পর্যায়ক্রমে ১১ ডিজিটে পরিবর্তন         ‘চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়াল নিয়ে পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত’         প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষকরা পদোন্নতি পেয়ে হবেন প্রধান শিক্ষক         জাতীয় পার্টি হচ্ছে গণমানুষের আস্থা ও ভালোবাসার রাজনৈতিক শক্তি : জি এম কাদের         কৃষকের ক্ষয়ক্ষতি পোষাতে বন্যাপ্লাবিত এলাকা পর্যবেক্ষণের নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর         সুন্দরবনে ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগ সভাপতিসহ আটক ৪৩         শুক্রবার থেকে ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনা করবে এয়ার অ্যারাবিয়া         শায়েস্তাগঞ্জে বাস চাপায় নিহত ২,আহত ২০         করোনা ভাইরাসের জাদুকরী সমাধান আশা করা বৃথা ॥ ডব্লিউএইচও         করোনা ভাইরাসে প্রাণ গেল আরও এক চিকিৎসকের         খাগড়াছড়িতে ক্ষোভে স্ত্রীর গলা কাটলেন স্বামী         ভরা বর্ষায় সাগরে লঘুচাপ, ৩ নম্বর সর্তক সংকেত         স্বস্তির বৃষ্টি        
//--BID Records