ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১৮ আশ্বিন ১৪২৯

সংসদে প্রশ্নোত্তর নিয়ে শেখ সেলিমের ক্ষোভ

প্রকাশিত: ১১:১০, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সংসদে প্রশ্নোত্তর নিয়ে শেখ সেলিমের ক্ষোভ

সংসদ রিপোর্টার ॥ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শুরুতেই মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকে। একাদশ জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগেরই সংসদ সদস্য সংখ্যা ২৫৮ জন। এর মধ্যে বিপুল সংখ্যক সংসদ সদস্য এবারই প্রথম নির্বাচিত হয়ে সংসদে এসেছেন। কিন্তু প্রতিদিনই প্রশ্ন উত্থাপনকারী সংসদ সদস্যরা অনুপস্থিত থাকেন। ফলে স্পীকারকে বাধ্য হয়েই অন্য কাউকে প্রশ্নটি উত্থাপনের জন্য ফ্লোর দেন। এটা এখন নিত্য দিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আবার অনেকে প্রশ্নটি করেই সংসদ অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রবীণ সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। সোমবার বিকেলে স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে দিনের কার্যসূচীর শুরুতেই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন করার কথা ছিল চট্টগ্রাম-৩ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমানের (মিতা)। তার অনুপস্থিতিতে প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সাবেক হুইপ ও আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য শহিদুজ্জামান সরকার। এরপর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নের বেলাতেও আনোয়ারুল আজীম (আনার) এর অনুপস্থিতিতে অন্য একজন প্রশ্নটি উত্থাপন করেন। এভাবে আরও একটি প্রশ্ন করার কথা ছিল সরকারী দলের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের। তার অনুপস্থিতিতে প্রশ্নটি উত্থাপন করেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান। প্রশ্নটি উত্থাপনের আগেই স্পীকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, যারা সংসদে প্রশ্ন দিয়ে উপস্থিত থাকেন না, তাদের আপনি (স্পীকার) সুযোগ দিতে পারেন। কিন্তু যারা উপস্থিত থাকেন তাদের প্রশ্নটাই সুযোগ দেয়া বাঞ্ছনীয় বলে আমি মনে করি। এজন্য আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আসলে এটা একটা ফ্যাশন হয়ে গেছে। এভাবে প্রশ্ন দিয়ে যদি উপস্থিত না থাকেন তবে বিষয়টি দাঁড়াবে যে, সংসদের বিষয়ে কারোর কোন সিরিয়াসনেস নেই। বিষয়টি আপনার দৃষ্টিতে আনলাম। এ সময় সিনিয়র সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে শেখ ফজলুল করিম সেলিমের বক্তব্যে সমর্থন করেন।