শুক্রবার ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২০ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

বার্নার্ড শ’ ছিলেন স্ট্যালিনের প্রবল অনুরাগী

  • মূল : ফিনটান ও’টুল;###;রূপান্তর : এনামুল হক

স্নায়ুযুদ্ধ তখন বেশ জোরেশোরেই চলছে। এমনি সময় ১৯৫০ সালের ২ নবেম্বর মধ্যরাতের অল্প কিছুক্ষণ পর ব্রডওয়ে ও টাইমস স্কোয়ারের সমস্ত আলোচিত বাতির ঔজ্জ্বল্য কমিয়ে নিষ্প্রভ করা হলো। আর এভাবেই পাশ্চাত্যে স্ট্যালিনের সবচেয়ে বিশিষ্ট ভক্ত অনুরাগী মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছিল। আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ’ সবে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার প্রতি এভাবে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে ‘পিগম্যালিয়ান’, ‘ম্যান এ্যান্ড সুপারম্যান’ এবং ‘সেন্ট জোয়ান’-এর মতো নাটকগুলোর খ্যাতিই যেন প্রতিফলিত হলো।

কিন্তু শ’-এর নাটকগুলো রাজনৈতিক বক্তব্য ধর্মী ছাড়া আর কিছুই ছিল না। আর তার রাজনীতিতে সামগ্রিকভাবে কমিউনিজম ও বিশেষভাবে স্ট্যালিনের প্রতি সমর্থন যে ব্যক্ত ছিল সে ব্যাপারে তার আমেরিকান ভক্ত অনুরাগীদের মধ্যে সংশয় খুব অল্প ক’জনের মধ্যেই ছিল। তৎ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে তাকে যেভাবে সম্মানিত করা হয়েছিল সেটাই মনে করিয়ে দেয় যে, স্নায়ুযুদ্ধের মহা বিভাজনটা কখনই অত সহজ ছিল না। যেমনটা মনে করা হয়। তদুপরি স্ট্যালিনের প্রতি শ’-এর মোহাচ্ছন্নতার নিচে ছিল এমন এক শক্তি যা আজও আমাদের সঙ্গে আছে। তাহলে রাশিয়ার মধ্যে সেই সব গুণাবলী দেখতে চাওয়ার আশঙ্কা যা পাশ্চাত্যের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর নেই।

স্পষ্টতই বলতে হয় যে শ’ যেভাবে স্ট্যালিনকে দেবত্বরূপ দান করেছিলেন সেটা ছিল এক বিরাট ধাঁধা। যে মানুষটি সারা বিশ্বে তার নামের আদ্যক্ষর দ্বারা জিবিএস হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি একজন অসাধারণ নাট্যকার মাত্র ছিলেন না, তর্কসাপেক্ষে তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের এককভাবে সবচেয়ে প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী। শ’র মৃত্যুতে স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু বলেছিলেন, ‘তিনি তার যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্বই শুধু ছিলেন না, উপরন্তু তিনি ছিলেন এমন একজন যিনি দুই প্রজন্মের মানুষের চিন্তাধারাকে প্রভাবিত করেছিলেন।’

সেই প্রভাবকে একটি বলিষ্ঠ অনুজ্ঞায় সারসঙ্কলন করা যেতে পারে এবং সেটা হলো : অবিশ্বাসী হওয়ার দায়িত্ব। তিনি মহিলাদের ন্যায্য আসন থেকে শুরু করে সাম্রাজ্যগুলোর ভ-ামি, যুদ্ধের গৌরবগাথা থেকে শুরু করে জীবজন্তুর প্রতি আচরণ, সমকামিতা থেকে শুরু করে শিশুদের অধিকার, ধর্মীয় মতবাদ থেকে শুরু করে গরিবদের প্রতি আচরণ পর্যন্ত কল্পনাযোগ্য প্রশ্নে প্রতিটি ইস্যু সম্পর্কে প্রচলিত জ্ঞানের অন্তঃসারশূন্যতা ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়ার জন্য তার পাঠক ও দর্শকদের চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। স্বীকৃত ধারণাগুলোকে ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলগুলো দারুণ ক্ষেপে গিয়েছিল, শ’কে কুৎসিত ভাষায় গালিগালাজ করেছিল। তখন তিনি তার বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতাকে সাহসের সঙ্গে সমর্থন করেছিলেন। তিনি নিষ্ঠুরতাকে ঘৃণাসহকারে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং অপপ্রচারকে কুচি কুচি করে ছেঁটে ফেলেছিলেন।

অথচ এই মানুষটিই আবার স্বৈরাচারের রক্তাক্ত ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর মানুষটির ভক্ত অনুরাগী ছিলেন এবং যে প্রচার-প্রচারণার দ্বারা সোভিয়েত ইউনিয়নকে শ্রমিকদের স্বর্গরাজ্য হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছিল সেই প্রচারণায় প্রতারিত হতে স্বেচ্ছায় রাজি হয়েছিলেন। মহা সন্দেহবাদী এই মানুষটি তার ঘরের ফায়ারপ্লেসের তাকের ওপর রাখা স্ট্যালিনের ছবির দিকে যখন তাকাতেন তখন তিনি তার সমস্ত সংশয় সন্দেহ গলে বিলীন হয়ে যেতে দিতেন।

স্ট্যালিনের প্রতি তার সমর্থন ছিল দ্ব্যর্থহীন ও অকুণ্ঠ। মহা শুদ্ধি অভিযান হোক, কি ইউক্রেণের দুর্ভিক্ষ হোক কি স্ট্যালিন ও হিটলারের মধ্যকার চুক্তিই হোক কোন কিছুই সোভিয়েত একনায়কের মেধা ও প্রতিভা এবং তার ঐতিহাসিক ভূমিকার ওপর তার আস্থাকে বিন্দুমাত্র টলাতে পারেনি। এই স্ববিরোধিতাকে বুঝতে গেলে আমাদের ইচ্ছা পূরণের ক্ষমতা এবং কিভাবে রাশিয়া পাশ্চাত্যবাসীর অনেকের কাছে একটা স্থান নয় বরং একটা আইডিয়ায় পরিণত হয়েছিল, নিছক বাস্তবতায় নয় বরং এক ফ্যান্টাসিতে পরিণত হয়েছিল তা স্মরণ করতে হবে।

মানবতার মহান বন্ধু হিসেবে স্ট্যালিনের মিথকে চ্যালেঞ্জ করতে শ’-এর যে অপরাগতা অংশত তার ব্যাখ্যা পাওয়া যেতে পারে তার প্রতি স্তাবকতার মধ্যে। ১৯০১ সালে শ’ যখন আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী ব্রিটিশ পার্লামেন্টের রক্ষণশীল সদস্য ন্যান্সি এসটর সমভিব্যহারে সোভিয়েত ইউনিয়ন সফরে গিয়েছিলেন তখন মস্কোয় তাকে সামরিক বাহিনীর গার্ড অব অনার দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। ব্যানারে তার প্রতিকৃতিসহ প্রশংসাসূচক শব্দাবলী উৎকীর্ণ ছিল এবং জনতা চিৎকার করছিল ‘জয়তু, শ’!’

শ’-এর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে এক বিশাল নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। স্ট্যালিন নিজের শ’কে দুই ঘণ্টার দীর্ঘ এক ঘরোয়া সাক্ষাতকার দিয়েছিলেন। সেই সাক্ষাতকারে তার অতিথি এই একনায়ককে মুগ্ধ করার মতো খোশমেজাজে দেখতে পেয়েছিলেন।

শ’ যে সোভিয়েত ইউনিয়নকে মহান সমাজতান্ত্রিক ইউটোপিয়ার অগ্রদূত হিসেবে দেখতে চাইতেন তারও ব্যাখ্যা মিলতে পারে গণতন্ত্রের ব্যাপারে তার হতাশার মধ্যে। প্রাপ্ত বয়স্কদের বিশেষ করে মহিলা ও শ্রমিক শ্রেণীর জন্য সার্বজনীন ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি কয়েক দশক ধরে সংগ্রাম করেছিলেন। অনেক র‌্যাডিকেল বুদ্ধিজীবীর মতো তিনি হতাশার সঙ্গে লক্ষ্য করেন যে এই নতুন ভোটারদের অনেকে সমাজতন্ত্রকে সমর্থন করার কথা থাকলেও তারা সমর্থনের জন্য বরং রাজা ও দেশকেন্দ্রিক রক্ষণশীলতাকে বেছে নিয়েছিল। বিশেষ করে তখন মহামন্দা চেপে বসায় পার্লামেন্ট ও রাজনৈতিক দলগুলো একেবারেই অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। গণতন্ত্রের ব্যাপারে হতাশায় তিনি এতই অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছিলেন যে স্ট্যালিনের বাহ্যত পর্বতকে সরিয়ে দেয়ার এবং সব পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার দ্বারা সমাজকে রূপান্তর করার ক্ষমতা তাকে একটা প্রতিষেধক যুগিয়েছিল।

কিন্তু এসব কিছুর অন্তর্নিহিত ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল আরও প্রবলতর একটা প্রেরণা : সেটা হলো খোদ রাশিয়াকে নিয়ে ফ্যান্টাসি। বলশেভিক বিপ্লব সেই স্বপ্নকে খুবই সুনির্দিষ্ট একটা রাজনৈতিক উপাদান যোগানোর বহু আগেই শ’ এমন এক আন্তর্জাতিক আত্মিক পুনরুজ্জীবন আশা করেছিলেন যা শুরু হবে রাশিয়ায়। সেই আশা অতটা কল্পনাপ্রসূত ছিল না যেমনটি এখন মনে হতে পারে। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে যখন শ’-এর রাজনৈতিক ও শৈল্পিক চেতনা গঠিত হচ্ছিল সে সময় রুশ সাহিত্য, সঙ্গীতও নাট্যকলা ছিল পাশ্চাত্য সংস্কৃতির শীর্ষস্তরে। পরবর্তীকালে তিনি ম্যাক্সিম গোর্কির কাছে লিখেছিলেন, ‘রুশ শিল্পকলা ও ব্যক্তিগতভাবে এর শিল্পীদের দ্বারা অভিপ্রকাশিত রুশ চরিত্রের প্রতি আমি অন্য যে কারোর মতো প্রবল মুগ্ধতা পোষণ করি।’

জিবিএস সৃষ্টির পেছনে রাশিয়া যতখানি দায়ী প্রায় ততখানি দায়ী আয়ারল্যান্ড বা ইংল্যান্ড। নিজের রাজনৈতিক ধারার অনেকটাই তিনি শিক্ষালাভ করেছিলেন লন্ডন প্রবাসী জারবিরোধী ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিশেষ করে নৈরাজ্যবাদী পিটার ক্রোপোটকিন ও নিহিলিস্ট সার্গিউস স্টেপনিয়াকের কাছ থেকে। তর্কসাপেক্ষে বলা যায় যে শ’-এর সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক ‘হার্টব্রেক হাউস’-এর উপশিরোনাম হচ্ছে ‘এ ফ্যান্টাসিয়া ইন দ্য রাশিয়ান ম্যানার অন ইংলিশ থিমস’ এবং এটা চেখভের দ্বারা প্রবলভাবে প্রভাবিত হয়েছিল।

সর্বোপরি ১৮৮০-এর দশকের মাঝামাঝি রুশ সাহিত্যিক টলস্টয়ের ‘ওয়ার এ্যান্ড পিস’, আনা ক্যারেনিনা ও তার অপরাপর সাহিত্যকর্মের বেশিরভাগ অনূদিত আকারে আত্মপ্রকাশ করলে ইংরেজী ভাষাভাষী বিশ্বে টলস্টয়ের প্রতি উৎসাহ-উদ্দীপনার যে প্রবল জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল শ’ সেই জোয়ারের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন। শ’ টলস্টয়কে ‘গুরু’ আখ্যায়িত করেছিলেন। তিনি শিল্পের নীতি বা শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যর ওপর জোর দিয়েছিলেন এবং নিজের একটা ঋষিসুলভ ব্যক্তিত্ব গড়ে তুলেছিলেন। এটা একান্তভাবেই ছিল কেবল টলস্টয়ের।

এটা শুধু শৈল্পিক প্রভাবের বিষয় ছিল না। শ’-এর কাছে রাশিয়া ছিল এক ধরনের বিকল্প জগত, একটি কাল্পনিক ক্ষেত্র যেখানে সুবিশালত্বকে অবাধে রাজত্ব করতে দেয়া হয়েছিল যেটা অন্য ক্ষেত্রে হলো তিনি এর ছেদ টানতে আনন্দ পেতেন। কেউ ‘আইরিশ আত্মা’ বা ‘ইংলিশ আত্মা’ নিয়ে লিখলে তিনি তার উদ্দেশে বিধ্বংসী কৌতুক লিখতেন। কিন্তু তিনি কোন রকম বিদ্রƒপ ছাড়াই ‘রুশ জনগণের আত্মার’ কথা সানন্দচিত্তেই লিখেছিলেন। ক্রোপোটকিনের কন্যা যখন তাকে বলেছিলেন যে রুশরা বিশ্বকে তার হারানো আত্মা ফিরিয়ে দেবে শ’ তাকে উপহাস করেননি। বরং গোর্কিকে তিনি লিখেছিলেন ‘আমি সেটা বেশ বুঝতে পারছি। ব্যাপারটা আমার কাছে মোটেই হাস্যকর নয়।’

মার্ক্স নিজেই অবশ্য লিখেছিলেন যে, ইতিহাসের সবকিছুই দু’বার করে ঘটে। ‘প্রথমবার ট্র্যাজেডি হিসেবে, দ্বিতীয়বার প্রহসনরূপে।’ শ’-এর টলস্টয় থেকে স্ট্যালিন পর্যন্ত পথযাত্রায়, বিশ্বকে তার হারানো আত্মা ফিরিয়ে দেয়ার স্থান হিসেবে রাশিয়াকে দেখা থেকে শুরু করে ‘বিশ্বের একমাত্র আশা’ হিসেবে শেষ পর্যন্ত তার সোভিয়েত প্রকল্পকে আলিঙ্গন করা পর্যন্ত কিছু একটা ট্র্যাজেডি রয়ে গেছে। তবে সম্ভবত সেই একই আবেগগত প্রেরণা এখন আমাদের মধ্যে আছেÑ পুরোদস্তুর প্রহসনের রূপে।

ভøাদিমির পুতিন স্ট্যালিন নন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে থাকা শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীরাও নিশ্চয়ই শ’ নন। কিন্তু সেই একই প্রেরণার কিছুটা এখনও কাজ করছে : সেটা হলো কল্পনানুসারে ক্ষয়িষ্ণু পাশ্চাত্যের এক বলিষ্ঠ বিপরীত শক্তি হিসেবে রাশিয়ার কল্পিত রূপ দর্শন করার প্রবণতা। গণতন্ত্রের তালগোল পাকানো অবস্থা ও অদক্ষতা সম্পর্কে সেই একই অসহিষ্ণুতা লক্ষণীয়। এ থেকে সেই লৌহমানব নেতার ওপর সেই একই নির্ভরশীলতা চলে আসছে যিনি পার্লামেন্ট ও রাজনৈতিক দলগুলোর অপ্রাসঙ্গিক শব্দমালা কপচানি ভেদ করে বেরিয়ে আসবেন।

রাশিয়ার প্রতি শ’এর মোহাচ্ছন্নতা সোভিয়েত স্বৈরাচারীর সঙ্গে পুরোদস্তুর প্রেম ভালবাসায় রূপান্তরিত হয়েছিল। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের রোমান্সের চূড়ান্ত পরিণতি সম্পন্ন হয়নি বলে মনে হয়। তবে তাদের উভয়ের পরস্পরের প্রতি একটা সর্বনাশা আকর্ষণ আছে যা সোভিয়েত ইউনিয়নের আগেও ছিল এবং এখনও আছে : সেটা হলো সুদূরের কোন স্থানের প্রতি বিমোহিত হওয়া যেখানে মহান নেতাকে মান্য করা হয় কারণ তিনি হলেন জনগণের আত্মর মূর্ত প্রতীক।

সূত্র : নিউইয়র্ক টাইমস

শীর্ষ সংবাদ:
জড়িত ৮৪ রাঘববোয়াল ॥ পি কে হালদারের অর্থপাচার         স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নাম পরিবর্তন হবে না         এবার উল্টো পথে ডলার ॥ ৯৬ টাকায় নেমেছে         কোরানে হাফেজ হয়েও পেশা চুরি !         সিলেটে ২০ লাখ মানুষ পানিবন্দী দুর্ভোগ চরমে         চট্টগ্রামে ড্র করেই সন্তুষ্ট মুমিনুলরা         গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা আসতে পারে এ মাসেই         কুসিক নির্বাচনে অংশ নেয়ায় সাক্কুকে বহিষ্কার বিএনপির         দক্ষ স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ভূমি সেবাই আমাদের অঙ্গীকার         প্রতি কেজি কাঁচা চা পাতার মূল্য ১৮ টাকা নির্ধারণ         কারসাজি বন্ধে বাজারে বাজারে মনিটরিং সেল গঠনের তাগিদ         লিচুতে রঙিন রাজশাহীর বাজার ॥ ৪৪ কোটি টাকা বাণিজ্যের আশা         নিয়োগ পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিতে ১০-১৫ লাখ টাকায় চুক্তি!         শেখ হাসিনার সততার সোনালি ফসল পদ্মা সেতু ॥ কাদের         দেশে সব ধর্মের মানুষ সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে ধর্মীয় অধিকার ভোগ করছে : আইনমন্ত্রী         কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে ছয় মেয়রসহ ১৫৪ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা         বিএনপি থেকে সাক্কুর পদত্যাগ         সহসাই গ্যাস পাচ্ছেন না কামরাঙ্গীরচরের বাসিন্দারা         করোনা : ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৩৫         আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই ॥ মির্জা ফখরুল