রবিবার ১০ মাঘ ১৪২৮, ২৩ জানুয়ারী ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

ভিজিডি কর্মসূচীতে দুর্নীতি

  • গোপালপুর হাদিরা ইউপিতে কার্ডপ্রতি তিন হাজার টাকা

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল, ৮ মার্চ ॥ দুস্থ’ ও অসহায় মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেয়ার সরকারী উদ্যোগ ভিজিডি কর্মসূচী নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে হাদিরা ইউনিয়নের নাম তালিকা জব্দ করেছেন ইউএনও মাসূমুর রহমান। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি এ ব্যবস্থা নেন। এদিকে এই দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়লে ইউপি চেয়ারম্যান সচিবকে দায়ী করছেন। অপরদিকে ইউপি সচিব চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন। জানা যায়, গোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের আড়াই শতাধিক দুস্থ মানুষকে সরকারী খাদ্য সহায়তা দেয়ার জন্য গত জানুয়ারিতে ইউনিয়ন পরিষদ একটি তালিকা তৈরি করে। এ থেকে দুস্থরা মাসে ৩০ কেজি চাল পাওয়ার কথা। তালিকা তৈরির আগে ভিজিডি কার্ড পিছু তিন থেকে চার হাজার টাকা করে উৎকোচ আদায় করা হয়। মায়মুনা বেগম (৫৫) নামে এক ভিখিরিীর কাছ থেকে এক ইউপি মেম্বার দুই হাজার টাকা উৎকোচ নেন। পরে ইউপি চেয়ারম্যানের ইন্ধনে উৎকোচের রেট তিন হাজার ওঠায় বাড়তি আরও এক হাজার টাকা দাবি করা হয়। ওই ভিখিরি তা দিতে অসমর্থ হলে ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের হস্তক্ষেপে মায়মুনার নাম কেটে দিয়ে ফেরদৌসি বেগমের নাম তালিকাভুক্ত করে। এভাবে প্রকৃত দুস্থদের বাদ দিয়ে অবস্থাপন্ন এবং আত্মীয়স্বজনের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়। এর পর ওই ভিখিরি স্থানীয় প্রেসক্লাবে গিয়ে এর প্রতিকার দাবি করেন। ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, সচিব জাকির হোসেন এবং ইউপি মেম্বারদের ৬জনের একটি সিন্ডিকেট এ কাজে জড়িত বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। এ তালিকা ধরেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুস্থদের মধ্যে প্রথমবারের মতো চাল বিতরণ শুরু করা হয়। এতে বঞ্চিতদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ওই ইউনিয়নে দায়িত্ব পালনকারী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আমিনা বেগমের নিকট সুবিচার না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসূমুর রহমানের নিকট অভিযোগ দেয়া হয়। পরে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম এবং পরিষদের সকল মেম্বারকে কার্যালয়ে ডেকে আনেন। তিনি অনিয়ম দেখতে পেয়ে ভিজিডির নাম তালিকা জব্দ করেন। এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসূমুর রহমান জানান, উপজেলা ভিজিডি কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে তিনি যে চূড়ান্ত তালিকায় স্বাক্ষর করেছেন সেটিকে ফ্লুইড দিয়ে মুছে বা ঘষামাজা করে অনেক দুস্থ মানুষের নাম বাদ দিয়ে নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত এবং তালিকা পুনরায় যাছাইবাছাই করা হচ্ছে। দায়িত্বে অবহেলার জন্য উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আমিনা বেগমকে শোকজ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জানান, কারো নিকট থেকে টাকাপয়সা নেয়া হয়নি।

তবে কোন অনিয়ম হয়ে থাকলে তার জন্য দায়ী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জাকির হোসেন। অপরদিকে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জাকির হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, এসব বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। অনিয়ম হলে তার জন্য চেয়ারম্যান আবুল কাশেম সাহেবই দায়ী।

শীর্ষ সংবাদ:
করোনা : সোমবার থেকে অর্ধেক জনবলে চলবে অফিস, প্রজ্ঞাপন জারি         ডেল্টার জায়গা দখল করছে নতুন ধরন ওমিক্রন ॥ স্বাস্থ্য অধিদফতর         ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ১৪, শনাক্তের হার বেড়ে ৩১.২৯         পিএসসির যে কোনো পরীক্ষায় লাগবে টিকা সনদ         করোনা : সোমবার থেকে সচিবালয়ে পাস ইস্যু বন্ধ         শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে টিকা সনদ বাধ্যতামূলক         সংসদে শাবি ভিসির অপসারণ দাবি ২ এমপির         দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় ইউএনওর পদাবনতি         যেকোনও প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজন তদারকি বাড়ানো ॥ নসরুল হামিদ         বিনা নোটিশেই অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হবে : আতিক         ৭৪২ পুলিশ সদস্য পেলেন ‘গুড সার্ভিসেস ব্যাজ’         করোনায় ভয়াবহ কিছু হবে না : অর্থমন্ত্রী         ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নিহত ১         স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ স্থায়ী জামিন         শাবি উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও         গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭৮০৯         যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে এবার ৩৫ জনের শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত         খালেদার বিরুদ্ধে গ্যাটকো মামলার শুনানি পেছাল         স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে কমনওয়েলথ গেমসের আরও কাছে বাংলাদেশ         চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক-মাহিন্দ্রা সংঘর্ষে নিহত ২