ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ১১ আগস্ট ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

খুলনা কারাগারে জেএমবি নেতার ফাঁসি ॥ বাগেরহাটে দাফন

প্রকাশিত: ০৪:১৬, ১৮ অক্টোবর ২০১৬

খুলনা কারাগারে জেএমবি  নেতার ফাঁসি ॥  বাগেরহাটে দাফন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ খুলনা জেলা কারাগারে প্রায় সাড়ে ১২ বছর পর মৃত্যুদ-প্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। রবিবার রাত সাড়ে ১০টায় এ কারাগারে ঝালকাঠিতে দুই বিচারক হত্যা মামলায় জেএমবি নেতা আসাদুল ইসলাম আরিফের (৪৫) ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এর আগে ২০০৪ সালে কুখ্যাত নরঘাতক এরশাদ শিকদারের ফাঁসি কার্যকর হয় খুলনা জেলা কারাগারে। ঝালকাঠি জেলার সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের হত্যা মামলায় মৃত্যুদ-প্রাপ্ত ৭ আসামির মধ্যে ৬ জনের ইতোপূর্বে ফাঁসি হয়েছে। এ মামলার সর্বশেষ আসামি আরিফের ফাঁসি কার্যকর করার পর তার মরদেহ বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার উদয়পুর গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে দাফন করা হয়েছে। দ-প্রাপ্ত আসামি ফাঁসির আগে স্বজনদের জানিয়েছেনÑ কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত নন তিনি। খুলনা কারাগারে জেএমবি নেতা আরিফের মৃত্যুদ- কার্যকর করার সময় ডিআইজি প্রিজন টিপু সুলতান, খুলনা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুর-ই আলম, খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক, জেল সুপার মোঃ কামরুল ইসলামসহ ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল। ফাঁসি কার্যকরের পর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে রাত সাড়ে ১১টায় কারা কর্তৃপক্ষ স্ত্রী খাদিজা খাতুনের কাছে আরিফের মরদেহ হস্তান্তর করেন। এরপর আরিফের ইচ্ছা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া প্রহরায় এ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলার উদয়পুর গ্রামের শ্বশুরবাড়িতে নেয়া হয়। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও অন্য স্বজনরা। পুলিশ জানিয়েছে, রাতেই লাশের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ১৪ নবেম্বর ঝালকাঠি জেলার সিনিয়র সহকারী জজ সোহেল আহম্মেদ ও জগন্নাথ পাঁড়ের গাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২