ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

উবাচ

প্রকাশিত: ০৫:৪০, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬

উবাচ

প্রকল্পের নির্বাচন! স্টাফ রিপোর্টার ॥ আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যোগ দেয়ার ঘোষণার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন সরকার দেশে নির্বাচন প্রকল্প শুরু করেছে। সবকিছু নিজেদের দখলে নিতে সরকার এই প্রকল্প চালু করেছে বলে দাবি করেন তিনি। গাজীপুরের মেয়র এমএ মান্নানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় ফখরুল বলেন, সরকার একেকটা নির্বাচন করবে, সমস্ত কিছু দখল করে নিয়ে যাবে। বিএনপি সরকারের নির্বাচন প্রকল্পের হালালীকরণে কেন অংশ নিচ্ছে এমন প্রশ্নেরও জবাব দেন তিনি। ফখরুল বলছেন স্রেফ জনগণকে বোঝানোর জন্য আমরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। যাতে জনগণ দেখে বোঝে এদের আন্ডারে ভাল ভোট সম্ভব নয়। এখন প্রশ্ন জাগতেই পারে নির্বাচনে হেরে কি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে কাজ করছে বিএনপি। যদিও তিনি বলেন, প্রতীক দিয়ে স্থানীয় নির্বাচন করা হচ্ছে। তারা বলবে আওয়ামী লীগ কত জনপ্রিয়, ধানের শীষ তো হেরে গেল, নৌকা জিতে গেল। জোড়াতালি দিয়ে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বেশি দিন টিকে থাকা যায় না। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে মন্তব্য করেছেন দলটির চেয়ারপার্সন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষের প্রাণ হারানো নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। আর যুদ্ধাপরাধীর দল জামায়াতের সঙ্গে সঙ্গ ছাড়তে নারাজ দলটি। সঙ্গত কারণে দলটির পাকিস্তানপ্রীতি নিয়ে ফের প্রশ্ন ওঠে। এই সন্দেহ থেকে বের হওয়ার জন্য বিএনপিকে মুক্তিযোদ্ধাদের দল আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এ দেশের জন্ম হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন জিয়াউর রহমান, আর আপনারা বলতে চান জেনারেল জিয়া পাকিস্তানের পক্ষের। এটা জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। ভারত প্রেমেই রামপাল স্টাফ রিপোর্টার ॥ কেবলমাত্র ভারত প্রেমের কারণে সরকার রামপালে বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সরকারের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘রামপালে বিদ্যুতকেন্দ্র গায়ের জোরে করতেই হবে। কারণ এই যে প্রেম, গভীর প্রেম। এই প্রেম যতই ধ্বংস আসুক না কেন তা থেকে বিচ্যুত হওয়া যাবে না। এ প্রেম অব্যাহত থাকতে হবে। এই প্রেম হচ্ছে মেরেছি কলসির কানা তাই বলে কি প্রেম দেব না। সেই নীতি নিয়েই বাংলাদেশ সরকার আজকে ভারতের সঙ্গে একের পর এক চুক্তি করছে, সেখানে জাতীয় স্বার্থ বিঘিœত হচ্ছে। রিজভী বলেন, ‘যখন রামপালে বিদ্যুতকেন্দ্র হচ্ছে, যেভাবে টিপাইমুখ বাঁধ দেয়া হয়েছে। আমরা এর প্রতিবাদ করতে পারব না। মানে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মানেই হচ্ছে দেশপ্রেমের ঘাটতি হওয়া; রাষ্ট্রদ্রোহী। আর প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কেউ বলতে পারবে নাÑ কী অদ্ভুত দেশ! তিনি বলেন, রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপন করার জন্য ৭০ শতাংশ ঋণ ভারত থেকে আনতে হবে। সব কিছু মিলিয়ে মনে হয় চারদিকে রশি দিয়ে বেঁধে মাথা ঝুলিয়ে রাখার মতো। অভিজ্ঞতা বিশেষজ্ঞ! স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রীর অভিজ্ঞতা নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তুললেন একজন সংসদ সদস্য। বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, বিমান মন্ত্রণালয় থেকে পর্যটন মন্ত্রণালয় আলাদা করা হবে কি না? বিমান ও পর্যটন বিষয়ে যাদের কোন অভিজ্ঞতা নেই তারা এখন এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে কাজী ফিরোজ রশীদ এমন প্রশ্ন ছুড়ে দেন। যদিও একজন বিশেষ মন্ত্রীর ক্ষেত্রে এমন প্রশ্ন ওঠা বিব্রতকর। এক্ষেত্রে অন্য সব মন্ত্রীরাই কি তাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভীষণ অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। প্রশ্ন উত্থাপনকারী কাজী ফিরোজ রশীদও এক সময় পানি সম্পদ মন্ত্রী ছিলেন। পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ভীষণ কারিগরি জ্ঞান দরকার হয়। এক্ষেত্রে তার কি কোন অভিজ্ঞতা ছিল। তিনি কি বিষয়টির বিশেষজ্ঞ! প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন, যে এ যাবত যারা এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তাদের এ ব্যাপারে অভিজ্ঞতার যথেষ্ট অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। যারা মন্ত্রী থাকেন তারা কখনই পর্যটনশিল্পকে একটু দেখবেন, সুন্দরবন কোথায়, বান্দরবান কোথায়, কোথাও ঘোরাঘুরি করেন না। কোথাও তাদের সেই অভিজ্ঞতা নেই। আমার প্রশ্ন হচ্ছে পর্যটনশিল্পকে অগ্রাধিকার দেয়ার জন্য এই বিমান মন্ত্রণালয় থেকে পর্যটন মন্ত্রণালয় আলাদা করা হবে কি না এবং আলাদা মন্ত্রী নিযুক্ত করবেন কি না? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সংসদ সদস্যের উত্তরে বলতে চাই, অভিজ্ঞতা হঠাৎ করে হয় না। কাজ করার মধ্য দিয়ে হয়। মাননীয় সংসদ সদস্য যিনি এই প্রশ্ন করলেন উনি সংসদ সদস্য হয়েছেন। সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা উনার পূর্বে ছিল না। এবার প্রথম সংসদ সদস্য হওয়ার পরই তো ধীরে ধীরে সেটা অর্জন করছেন। কাজেই যারা মন্ত্রী হয়েছেন তারা যে কাজ করছেন না, তা ঠিক নয়। কাজ করে যাচ্ছেন যথাযথভাবে। তাই যদি না করতেন তাহলে এই যে এতগুলো প্রশ্নের উত্তরে কথা বললাম সেগুলো কী করে হতো? প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, অভিজ্ঞতা তো কোনো একটা দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়েই অর্জন হয়। আমাদের ঠিক এই মুহূর্তে একটাকে ভেঙ্গে দুটো মন্ত্রণালয় করার কোন পরিকল্পনা নেই এবং নতুন মন্ত্রী নিয়োগ করার কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই।
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২
ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরস্কার ২০২২