শনিবার ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২১ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

রাজন হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই

  • ড. এম. হাসিবুল আলম প্রধান

৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের একটি দোকানঘরে চুরির অভিযোগে ১৩ বছরের শিশু সামিউল আলম রাজনকে খুঁটিতে বেঁধে ২৮ মিনিট ধরে নির্মম কায়দায় পিটিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনায় বিশ্ববিবেক স্তব্ধ। এ ঘটনায় সমগ্র জাতি শোকে স্তম্ভিত ও ক্ষুব্ধ। একটি শিশুর বাঁচার আকুতি, চোখের অশ্রু“কোন কিছুই ঘাতকদের মনে সামান্যতম করুণা সঞ্চারিত করেনি, বরং শতবেগে দানবের উল্লাস তাদের উন্মত্ত করেছে। শিশুটির জীবন প্রদীপ যখন নিভু নিভু তখন শেষবারের মতো আকুতি ছিল, ‘আমারে পানি খাওয়াও!’ তখন তার চোখ-মুখ বেয়ে অঝোরে ঘাম ঝরছিল। দানবেরা উল্লাসের সুরে তাকে বলে ‘পানির বদলা ঘাম খা!’ গত ১২ জুলাই শিশু রাজনকে পিটিয়ে হত্যার দৃশ্য ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়। যারা শিশু রাজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাটি ইন্টারনেটে ও বিভিন্ন খবরের ভিডিও ফুটেজে দেখেছেন তাঁরা শিউরে উঠেছেন। অনেকেই এই নৃশংস ঘটনাটির পুরো ভিডিও ফুটেজটি দেখতে পারেননি। এ দেশের লাখ লাখ শিশু-কিশোর যারা খবরে ও অন্যভাবে এ দৃশ্য দেখেছে, তাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে সীমাহীন যন্ত্রণার ক্ষতচিহ্ন। শুধু তাই নয়, এ নির্মম ঘটনার দৃশ্য দেখে স্বাভাবিক মানুষের চোখ থেকে ঘুমও হারিয়ে গেছে। এ ঘটনার পর ফেসবুকে আমার একজন পরিচিত সায়মা শাহনাজ পিংকি মেসেজ দিয়েছে যে, ‘আজ ২ রাত এক ফোঁটা চোখ বন্ধ করতে পারিনি। এ তো আমাদেরই সন্তান। নিজের চোখের পানি ধরে রাখতে পারছি না।’ শুধু ফেসবুকে নয়, সারাদেশে এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় বইছে। রাজন হত্যার খুনীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শুধু সিলেট নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ র‌্যালি হয়েছে। ঘাতকদের এই নৃশংসতা আবারও বাংলাদেশকে খবরের শিরোনাম করেছে আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমে। দেশের মতো বিদেশের বিভিন্ন জায়গাতেও এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড মানুষকে করেছে হতবিহ্বল ও ক্ষুব্ধ। কিছু নরপশুর জন্য আজ বিশ্ব দরবারে বীরের জাতি বাঙালীর মর্যাদা ক্ষুণœ হয়েছে। একটি শিশুকে পিটিয়ে হত্যা ও তার দৃশ্য ভিডিওতে ধারণ করে যারা উল্লাস করে, তারা পশুর চেয়ে ভয়ঙ্কর প্রজাতির প্রাণী। এই দানবরা সমাজ, রাষ্ট্র, জাতি ও সভ্যতার শত্রু। এই নরপশুদের ফাঁসি দেয়া ছাড়া মানুষের মনের ক্ষোভ প্রশমিত হবে কি করে?

আমরা বলি শিশুরা আমাদের ভবিষ্যত, আমরা বলি জাতির পিতা ঘুমিয়ে আছে সব শিশুরই অন্তরে। শিশুদের যুগে যুগে রাষ্ট্র ও সমাজ দেখেছে নমনীয় উদার দৃষ্টিভঙ্গিতে। বিশ্বের অনেক দেশে নিজের শিশু সন্তানকে প্রহার করলে সেটিও আইনত অপরাধ বলে গণ্য। ১৯৮৯ সালের জাতিসংঘ শিশু সনদসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনভেনশনে শিশুদের আত্মমর্যাদা, স্বাধীন চিন্তা ও নিজ স্বকীয়তায় বেড়ে ওঠার অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়েছে। আমাদের দেশে শিশুদের সংশোধন, মর্যাদা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সর্বপ্রথম ১৯৭৪ সালের শিশু আইনে শিশুরা ভয়ঙ্কর অপরাধ সংঘটিত করার পরও কিশোর আদালতে বিচারের মাধ্যমে তাদের জন্য সংশোধনাগার ও কিশোর কেন্দ্রে রাখাসহ লঘু সাজা ও প্রচলিত শাস্তির বিকল্প পদ্ধতি প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছিল। ১৯৭৪ সালের শিশু আইনটিকে রহিত করে আমাদের দেশে নতুন শিশু আইন-২০১৩, যেটি বর্তমানে কার্যকর আছে, সেখানেও শিশুদের সর্বোত্তম মঙ্গলের কথা বারবার উচ্চারিত হয়েছে। শিশুরা ভয়ঙ্কর অপরাধ করলেও তাদের কোমল শাস্তি প্রদান করে সংশোধনাগারে রাখার কথা বলা হয়েছে। আর যেমন তেমন অপরাধের জন্য সতর্কীকরণসহ প্রবেশন কর্মকর্তার অধীনে মুক্তি এবং বিকল্প পন্থার মাধ্যমে বিরোধের নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, শিশুর অপরাধের বিচার হবে সম্পূর্ণ গোপনে এবং তাদের নাম ও পরিচয় কোনভাবেই প্রকাশ করা যাবে না। আর একটি কথা, পূর্বে বলবতকৃত ১৯৭৪ সালের শিশু আইনে এবং বর্তমানে প্রযোজ্য শিশু আইনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, শিশুরা যত ভয়ঙ্কর অপরাধ করুক না কেন তাদের কোনভাবেই মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা যাবে না। শুধু তাই নয়, আমাদের দেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে স্কুল ও মাদ্রাসায় অনেক সময় শিক্ষকরা ছাত্রদের পেটায়। এটিও বর্তমানে গুরুতর অপরাধ। ব্লাস্ট ও আইন সালিশ কেন্দ্র বনাম সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়Ñ এই জনস্বার্থ মামলায় ১৩ জানুয়ারি ২০১১ মাননীয় হাইকোর্ট এক রায়ে শিশুদের ওপর যে কোন ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনকে অসাংবিধানিক ও মানবাধিকারের লংঘন আখ্যা দিয়ে বলেন, তা নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অপমানকর আচরণ এবং এ ধরনের নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে ২৫ এপ্রিল ২০১১ শিক্ষা মন্ত্রণালয় “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিত করা সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১১” জারি করে। শিশুরা যেহেতু তাদের বয়সে একজন স্বাভাবিক মানুষের ন্যায় চিন্তা করতে পারে না এবং শিশুদের শাস্তি প্রদান করলে ভবিষ্যতে জাতি নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত হবে ও সংশোধনের অভাবে শিশুরা ভয়ঙ্কর অপরাধী হিসেবে বেড়ে উঠতে পারে, এসব কিছু ভাবনায় রেখে শিশুদের অনেক রাষ্ট্রে এখন অপরাধী হিসেবে গণ্য না করে তাদের অসুস্থ বলে গণ্য করে কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে সুস্থ করার কৌশলকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে বেছে নিয়েছে। আমাদের দেশের প্রচলিত শিশু আইনেও কোথাও অপারাধ সংগঠনকারী শিশুকে অপরাধী বলা হয়নি, বরং বলা হয়েছে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু।

শিশুদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে শিশুরা অপরাধে জড়িয়ে পড়লেও তাদের প্রতি রাষ্ট্র ও সমাজের ওপরে বর্ণিত বিশেষ সুবিধা এবং বিশেষ বিচার ব্যবস্থা আজ পৃথিবীর সব দেশে স্বীকৃত পন্থা। আমাদের দেশে অপরাধ করলেও যেখানে শিশুদের প্রহার ও শারীরিক নির্যাতন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, সেখানে নৃশংস খুনীরা নিষ্পাপ শিশু রাজনকে পৈশাচিকভাবে পিটিয়ে হতা করে পৃথিবীর ইতিহাসে একটি বর্বরোচিত ঘটনার জন্ম দিল। এই নৃশংস ঘটনার পর যেমন খুনীদের বিরুদ্ধে চরম ঘৃণা ও ধিক্কার উচ্চারিত হয়েছে, তেমনি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও মানুষ ক্ষুব্ধ। রাজনের বাবা আজিজুর রহমান প্রথমে থানায় গিয়ে লাশের পরিচয় জানতে চাইলে এসআই আমিনুল রাজনকে চোর বলে উল্লেখ করে মৃত্যুর ঘটনার বর্ণনা দেন। পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা প্রদর্শনের অভিযোগ উত্থাপন জোরালোভাবে উচ্চারিত হওয়ার আর একটি বড় কারণ হলো, এত বড় একটি মর্মান্তিক ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজন আসামি বিদেশ পাড়ি জমাল কী করে! ইতোমধ্যে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় খবর এসেছে যে, খুনীদের বাঁচাতে পুলিশের সঙ্গে মোটা অঙ্কের লেনদেন হয়েছিল। ঘটনার ভিডিও ফুটেজটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় জনগণ ক্ষোভে ও বিক্ষোভে ফুঁসে উঠলেই পুলিশ আসামিদের ধরতে তৎপর হয়ে ওঠে। ঘটনার দিন রাজনকে হত্যা করে তার লাশ গুম করে ফেলার সময় গ্রামবাসী মুহিত আলম নামের এক আসামিকে ধরে পুলিশের কাছে তুলে দেয়ার পর পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। ভিডিও ফুটেজটি প্রকাশ না হলে খুনীরা শিশু রাজনকে চোরের অপবাদ দিয়ে যেভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে, ঠিক সেভাবে পুলিশও রাজনকে চোর হিসেবে চিহ্নিত করে ঘটনাটি ধামাচাপা দিত। একজন পুলিশ কর্মকর্তা, তিনিও তো কোন না কোন শিশুর বাবা! শিশুদের প্রতি এই বর্বরতায় তাদের মন কি কেঁদে ওঠে না? এই ঘটনার পর পুলিশ নরপশুদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দেয়ার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা কি নেবে না? আমি সিলেটের আইনজীবী সমাজকে ধন্যবাদ জানাই যে, সিলেট জেলার পিপির মাধ্যমে তাঁরা দেশবাসীর সামনে ঘোষণা দিয়েছেন যে, শিশু রাজনের ঘাতকদের পক্ষে কোন আইনজীবীই আদালতে দাঁড়াবেন না। এই ঘটনায় শুধু দেশের মানুষ নয়, প্রবাসীরাও চরম ক্ষুব্ধ হয়েছে। বিদেশে পালিয়েও রক্ষা পায়নি রাজন হত্যার অন্যতম আসামি কামরুল। সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশের মানুষ তাকে আটক করেছে। সেই আসামিকে এখন দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ঘাতকদের বিরুদ্ধে আজ শুধু সিলেটের মানুষই প্রতিবাদে ফেটে পড়েনি, বাংলাদেশের মানুষও প্রতিবাদমুখর। শিশু রাজন আজ হয়ে উঠেছে শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে এক আন্দোলনের প্রতীক। আমরা যারা শিশুর প্রতি সব ধরনের অন্যায় ও অবিচার দেখেও আমাদের বিবেককে ভোঁতা করে রেখেছিলাম, শিশু রাজন হত্যা সেই বিবেককে আজ জাগিয়ে তুলেছে। শিশু রাজনের পিতা-মাতার অশ্রু কোনদিন শুকাবে না। সন্তানের জন্য বুকটা হাহাকার করবে চিরকাল। তারপরও তারা কিছুটা হলেও সান্ত¡না পাবেন যদি দেখেন, তাদের প্রিয় বুকের ধনের বিনিময়ে এ দেশে শিশু নির্যাতন বন্ধে রাষ্ট্র, সমাজ ও মানুষ এগিয়ে এসেছে তাদের সব শক্তি নিয়ে।

শাস্তির অন্যতম একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে, শাস্তির কার্যকারিতা দেখে অন্যরা যেন অপরাধ কর্মকা- থেকে নিবৃত্ত হয়। তাই শিশু সামিউল রাজনের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অর্থাৎ ফাঁসি প্রদান করে অন্যদের আঙ্গুল উঁচিয়ে দেখানো হোক, তোমরা এ ধরনের অপরাধ করলে একই পরিণতি হবে। আমাদের দেশে শিশুরা নিরাপদ নয় ঘরে ও বাইরে। আজ শিশু রাজন হত্যার ঘটনাটি সামাজিক প্রচার মাধ্যমে এসেছে বলে প্রতিবাদ হচ্ছে এবং পুলিশের সর্বোচ্চ তৎপরতা লক্ষ্য করছি। কিন্তু শিশু রাজনের মতো আরো কত রাজন রোমহর্ষক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। প্রতিনিয়ত আমাদের সমাজের উচ্চবিত্ত মানুষের হাতে শত শত গৃহকর্মী শিশু কিভাবে পৈশাচিকতার শিকার হচ্ছে, তার খবর কে রাখে? সিলেটে শিশু সামিউল আলম রাজনকে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনা নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যে বরিশাল সরকারী শিশু পরিবারে দুই শিশুর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ওই নির্যাতনের তিন মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজ ১৩ জুলাই রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, গত ১৪ জুলাই নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকার সিমন (১০) ও ইমন (১২) নামে দুই শিশুকে কবুতর চুরির অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত দুই শিশু নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাজনের ঘটনা বাংলাদেশে শিশু নির্যাতনের সামগ্রিক চিত্রটিকে নতুন করে সামনে এনেছে। আমাদের জাগিয়ে দিয়ে বলছে, অসহায় শিশুদের বাঁচাতে আমরা যেন এগিয়ে আসি। আমরা আমাদের নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জান খান কামালের কথায় আশ্বস্ত থাকতে চাই যে, শিশু রাজন হত্যার ন্যায় বিচার হবেই। তিনি শিশু সামিউল আলম রাজনকে হত্যায় জড়িত অন্যদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, খুনীদের ছাড় দেয়া হবে না। অনেক ঘটনার মতো এই ঘটনাও যদি হারিয়ে যায়, তাহলে এদেশে শিশুর ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়বে। আসুন আমরা আমাদের শিশুদের ভালবাসি, শিশুদের মত ও চিন্তার প্রতি আস্থা রাখতে শিখি এবং শিশুরা নিজ স্বকীয়তায় যেন বেড়ে উঠতে পারে, তার জন্য এগিয়ে আসি। আমাদের শিশুদের নিরাপদ না রাখতে পারলে নিরাপদ সমাজ ভাবব কি করে? লেখাটি শেষ করছি আমাদের দেশের জনপ্রিয় ক্রিকেট তারকা মুশফিকুর রহীমের ফেসবুক ফ্যান পেজে এর একটি স্ট্যাটাস দিয়ে। রাজন হত্যার পর প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘একটি নিষ্পাপ শিশুকে নির্যাতন করে মেরে ফেলার মতো বড় অপরাধ মনে হয় আর নেই। শিশু নির্যাতনকে না বলুন।’

লেখক : অধ্যাপক, আইন বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

hprodhan@yahoo.com

শীর্ষ সংবাদ:
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ ॥ কাদের         বৃহস্পতিবার দেশে আসবে গাফ্ফার চৌধুরীর মরদেহ         কিডনিতে ২০৬ পাথর !         কৃষক ও যুবকসহ বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু         বৃত্তির ফল নিয়ে ভোগান্তিতে জবি শিক্ষার্থীরা         যে অপরাধ করবে তাকেই শাস্তি পেতে হবে ॥ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ একটি মাইলফলক : সেতুমন্ত্রী         ইভিএম পদ্ধতির ভুল প্রমান করতে পারলে পুরস্কৃত করা হবে ॥ ইসি আহসান হাবিব         অভিবাসীদের জীবন বাঁচাতে প্রচেষ্টা বাড়াতে হবে         অস্ত্র মামলায় ছাত্রলীগ নেতা সাঈদী রিমান্ডে ॥ জোবায়েরের জামিন         ইসলাম বিদ্বেষ, নারী বিদ্বেষকে ঘুষি মেরে বক্সিং-এ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জারিন         স্ত্রীর কবরের পাশে চিরশায়িত হবেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী         শিগগিরই সব দলের সঙ্গে সংলাপ : সিইসি         চাঁদপুরে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দুই পরীক্ষার্থী নিহত         তীব্র জ্বালানি সংকটে শ্রীলঙ্কায় স্কুল ও অফিস বন্ধ         মঠবাড়িয়ায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আহত ২         নগর ভবনে দরপত্র জমা দেওয়ার চেষ্টা         রাজধানীর বাজারে প্রায় সব পণ্যের দাম বৃদ্ধি         শনিবার গ্যাস থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়