রবিবার ২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ জুলাই ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

তিস্তা সেচ প্রকল্পের আওতায় ২৮ হাজার হেক্টর জমি

  • চুক্তি জরুরী ॥ পানি পাচ্ছে ১৬৩ হেক্টর

স্টাফ রিপোর্টার,নীলফামারী ॥ বোরো ধানের ক্ষেতে যেখানে ৬ ইঞ্চি পানি থাকার কথা, সেখানে তিস্তা সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকার বোরো ক্ষেতগুলো এখন শুকনো খটখটে, ধুলোময়। মেশিন কিংবা ডিপটিউবওয়েলের মাধ্যমে সেচের বিষয়ে কৃষকরা জানালেন, তিস্তায় পানি কমে যাওয়ার কারণে মাটির নিচের পানির স্তরও ৩০-৪০ ফুট নেমে গেছে। তাছাড়া তিস্তা প্রকল্পের তুলনায় ভূগর্ভস্থ পানি দিয়ে সেচের খরচ প্রায় ১০ গুণ বেশি। তিস্তা প্রকল্পের খালের মাধ্যমে এক মৌসুমে প্রতি বিঘা বোরো চাষে যেখানে ২-৩শ’ টাকা খরচ হতো, সেখানে মাটির নিচ থেকে পা¤েপর মাধ্যমে পানি তুলে সেচ দিতে বিঘাপ্রতি ৩ হাজার টাকার মতো খরচ হচ্ছে। পানি শুকিয়ে যাওয়ার কারণে ১ ঘণ্টার সমপরিমাণ পানি তুলতে এখন ৩-৪ ঘণ্টা পা¤প করতে হয়। আবার একবার পানি দিলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জমি শুকনো খটখটে হয়ে যায়। ফলে ভুট্টা ক্ষেতে আগে যেখানে সর্বসাকল্যে দুবার সেচ দিলেই হতো সেখানে ৮-১০ বার সেচ দিতে হচ্ছে। কাজেই ভারত গজলডোবা ব্যারেজ নির্মাণ করে তিস্তার পানি প্রায় পুরোটাই সরিয়ে নিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের তিস্তা অববাহিকার এখন মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উজানের নদী প্রমত্তা তিস্তা আর তিস্তায় ছিল না। পানি কমতে কমতে একশ’ কিউসেকে নেমেছে। উজানের প্রবাহ থমকে গেছে। চুয়ানো পানির সরু নালায় পরিণত হয়েছে তিস্তা। ফলে যতদূর চোখ যায় শুধু ধু-ধু বালুচর। সেচনির্ভর বোরো আবাদে কৃষকরা পড়েছে বিপাকে। সেচের দাবিতে তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া ডিভিশনের পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসে কৃষকরা ছুটছেন দলে দলে। কিন্তু নদীর দিকে তাকিয়ে তারা নিশ্চুপ হয়ে ফিরে আসছেন। এর পাশাপাশি চরম দুঃসময় চলছে তিস্তা অববাহিকার ২০ হাজার মৎস্যজীবী পরিবারের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানালেন বৃহস্পতিবার তারা পানি পেয়েছে মাত্র একশ’ কিউসেক। যে পানি দিয়ে সেচ প্রকল্পের একশ’ হেক্টর জমিতে সেচ দেয়া সম্ভব নয়।

ফাল্গুনের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টি নেমে এলেও বৃহস্পতিবার উজান থেকে কোন পানি প্রবাহ পাওয়া যায়নি।

যেটুকু পানি এসেছে তা ব্যারাজের ৪৪ কপাট বন্ধ করে আটকিয়ে সেই পানি সেচখালে নেয়া হয়। এদিন সেচ দেয়া হয় মাত্র ১৬৩ হেক্টর জমিতে। অথচ চলতি মৌসুমে তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকায় ২৮ হাজার ৫শ’ হেক্টরে সেচ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছিল। গত বছর এই সময় ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও নদীর পানিপ্রাপ্ততার ওপর সেচ প্রদান করা হয়েছিল ২৫ হাজার হেক্টরে। এবার উজানের পানিপ্রাপ্ততা একেবারেই না থাকায় সেচ প্রদান এক প্রকার থমকে গেছে। মানুষজনের অভিযোগ, উজানে ভারতের গজলডোবায় একতরফা পানি প্রত্যাহারের কারণে তিস্তা আজ পানিশূন্য। তিস্তার পানি চুক্তি জরুরী হয়ে পড়েছে।

করোনাভাইরাস আপডেট
বিশ্বব্যাপী
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
১২৬৪২৬৮৬
আক্রান্ত
১৮১১২৯
সুস্থ
৭৩৭৯৪১১
সুস্থ
৮৮০৩৪
শীর্ষ সংবাদ:
আসছে ভয়াবহ বন্যা         বনানীতে মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত সাহারা খাতুন         টেন্ডারবাজিতে ৫০ কোটি টাকা হাতিয়েছেন সাহেদ         ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩০ জনের মৃত্যু শনাক্ত ২৬৮৬         বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের গতি নিম্নমুখী         করোনায় অনলাইনে জমজমাট কোরবানির পশুর হাট         বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট ও যাত্রী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেনি ইতালি         স্কুল ফিডিংয়ের খাবার করোনাকালে যাবে শিক্ষার্থীদের বাড়ি         ইতিহাসের বৃহত্তম ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন শেখ হাসিনা ॥ তথ্যমন্ত্রী         টেন্ডার জটিলতায় থমকে গেছে ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্যক্রম         মানব ও অর্থ পাচারের অভিযোগে পাপুলের কুয়েতে শাস্তি নিশ্চিত         উগ্র-ধর্মান্ধদের এখনই প্রতিরোধ করা না হলে মহাসঙ্কটে পড়তে হবে         মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা         আখাউড়া-সিলেট রুটে ডুয়েলগেজ লাইন স্থাপন অনিশ্চিত         বিএসএমএমইউয়ে ‘নেগেটিভ প্রেশার আইসোলেশন ক্যানোপি’ উদ্ভাবন         বাংলাদেশ থেকে আসা ৭০ শতাংশ যাত্রীর করোনা পজিটিভ : ইতালির প্রধানমন্ত্রী         কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে ডিএনসিসিতে পশুর তিন হাট         করোনায়ও স্বাস্থ্যখাতের সকল সেবা অব্যাহত রাখতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী         ৮৬টি প্রতিষ্ঠানকে ৩ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা        
//--BID Records