ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯

প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ

হত্যার ২ বছর পর লাশ উদ্ধার: আটক ২

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট 

প্রকাশিত: ২০:৫৮, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

হত্যার ২ বছর পর লাশ উদ্ধার: আটক ২

লাশ উদ্ধার

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নিখোঁজের দীর্ঘ দুই বছর পর হত্যাকারীদের স্বীকারোক্তিতে বাঁশ বাগানে পুঁরে রাখা বস্তাবন্ধি রানা শরীফ (২৩) নামের এক যুবকের লাশ মোল্লাহাট থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে। 

উপজেলার শাসন গ্রামের শরীফ আহম্মেদ ওরফে বাচ্চু শরীফের ছেলে রানা শরীফ নিখোঁজ হবার পর প্রযুক্তির সহায়তায় আটক দুই যুবকের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।
  
মোল্লাহাট থানা অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশ বৃহস্পতিবার বিকেলে (২২ সেপ্টেম্বর) জানান, গত ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর মোবাইলে একটি কল পেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে রানা শরীফ নিখোঁজ হন। পরবরর্তীতে রানার পিতা জিডি করেন। 

বিষয়টি ধারাবাহিক অনুসন্ধান ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় শাসন গ্রামের এনামুল ফকিরের ছেলে রুহুল আমিন ফকির (২২) ও হেদায়েত চৌধুরীর ছেলে শহিদুল চৌধুরীকে(৩০) গত বুধবার আটক করা হয়। 

প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুহুল আমিন ও শহিদুল জানায়, তারা মোট পাঁচ জনে সেদিন রানাকে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্ধীর পর বাঁশ বাগানে পুতে রাখে। এরপর আটক রুহুল আমিন ও শহিদুলকে সঙ্গে নিয়ে তাদের দেখানো স্থান থেকে মাটি খুঁড়ে বস্তাবন্ধী রানা শরীফের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। নির্মম এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

রানা শরীফের পিতা শরীফ আহম্মেদ বাচ্চু শরীফ জানান, আমার ছেলের কাছে থাকা টাকা ছিনিয়ে নিয়ে তাকে নির্মমভাবে হত্যার পর লাশ গুম করে রাখে খুনিরা। আমি আমার ছেলের খুনিদের ফাঁসি চাই।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার শাসন গ্রামের শরীফ আহম্মেদ ওরফে বাচ্চু শরীফের ছেলে রানা শরীফ দীর্ঘ দুই বছর আগে নিখোঁজ হন। ওই ঘটনায় রানার পিতা মোল্লাহাট থানায় জিডি করেন। এরপরও তার কোন সন্ধান না পাওয়া ধারণা করা হচ্ছিল যে, রানাকে হয়তো তার বন্ধুরা কিছু করেছে। রানা যাদের সাথে চলাফেরা করতো তারা খারাপ স্বভাবের। অবশেষে পুলিশের প্রচেষ্টায় আজ সেটাই প্রমাণিত হলো। 
 

এমএস