৬ এপ্রিল ২০২০, ২৩ চৈত্র ১৪২৬, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

১১ মাস পর ডেঙ্গুহীন হাসপাতাল

প্রকাশিত : ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ এগারো মাস পর এই প্রথম একটি দিন দেখল বাংলাদেশ, যেদিন হাসপাতালগুলোয় কোন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি থাকার তথ্য আসেনি। দেশের ১২ সরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত এবং ২৯ বেসরকারী হাসপাতালের পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম শুক্রবার জানায়, এসব হাসপাতালে কোন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি নেই। খবর বিডিনিউজের।

গত বছর ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার পর নিয়মিতভাবে ৪১ হাসপাতালের হালনাগাদ তথ্য প্রতিদিন প্রকাশ করে আসছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। তাতে দেখা যায়, এর আগে গতবছরের ৩১ মার্চ এসব হাসপাতালে কোন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ছিলেন না। স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ডাঃ আয়শা আক্তার বলেন, হাসপাতালে কোন রোগী না থাকা স্বস্তির। তবে বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে এখনই মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা দরকার।

‘গতবছর সারা বাংলাদেশে রোগটি ছড়িয়ে পড়ায় আমাদের টেনশন ছিল যে, কবে রোগটি শূন্যের ঘরে আসবে। এখন ভর্তি পেশেন্টের সংখ্যা শূন্যে এসেছে এটা ভাল। কিন্তু ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস মশা যেহেতু স্বচ্ছ পানিতে জন্মায়, সেহেতু আমাদের যেসব উদ্যোগ আছে সেগুলো কোনভাবেই থামানো যাবে না।’

২০১৯ সালে বাংলাদেশে ডেঙ্গু আসে নানা রেকর্ড নিয়ে। পুরো বছরে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে দেশের সবগুলো হাসপাতালে ভর্তির তথ্য স্বাস্থ্য অধিদফতরে না আসায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার কথা। এ বছর জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৪১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে।

২০১৯ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১৭৯ জন। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে সন্দেহে পাঠানো ২৭৬ জনের মৃত্যু পর্যালোচনা করে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের আইইডিসিআর। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে দেখা গেছে, ওই বছর আগস্টে সবচেয়ে বেশি ৯০ জন মারা যায়। এছাড়া এপ্রিল মাসে দু’জন, জুনে ৭, জুলাইয়ে ৪০, সেপ্টেম্বরে ২৭, অক্টোবরে ১১ এবং নবেম্বরে দু’জন মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

প্রকাশিত : ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

২৯/০২/২০২০ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ: