৭ এপ্রিল ২০২০, ২৪ চৈত্র ১৪২৬, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

দুর্নীতি রোধে দেয়া সুপারিশ বাস্তবায়নে ফলোআপ করবে দুদক

প্রকাশিত : ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার দুর্নীতি প্রতিরোধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থায় দুর্নীতি প্রতিরোধে যেসব সুপারিশ বা পরামর্শ পাঠিয়েছে তার বাস্তবায়ন কার্যক্রম ফলোআপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিশনের অনির্ধারিত জরুরী সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দুদক কমিশনার ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খান, কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, সচিব মুহাম্মদ দিলোয়র বখ্ত, কমিশনের সকল মহাপরিচালক, পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র জানায়, দুদকের সভায় চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত গণশুনানির ওপর করা এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানা গেছে ফলোআপ গণশুনানি বাস্তবায়ন করায় গণশুনানি এখন দুর্নীতি প্রতিরোধে একটি অন্যতম কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফলোআপ কার্যক্রম শুরু করা আগে যে সব গণশুনানি হয়েছে তা ততটা কার্যকর হয়নি। ফলোআপ গণশুনানি বাস্তবায়ন করার মাধ্যমেই এ কর্মসূচী ফলপ্রসূ হয়েছে। তিনি বলেন, কমিশন দুদক আইন অনুসারে বিগত চার বছর নিয়মিতভাবে মহামান্য রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সরকারের নিকট কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদনে দুর্নীতি-অনিয়ম প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সুপারিশ পেশ করছে। এছাড়াও সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণায়ল, বিভাগ ও সংস্থায় বিদ্যমান দুর্নীতির সম্ভাব্য উৎস চিহ্নিত করে তা বন্ধে বহুমাত্রিক সুপারিশ প্রেরণ করা হচ্ছে। কখনও কখনও বিভিন্ন অনিয়ম চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে কমিশন কর্তৃক গঠিত বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক টিমের প্রতিবেদন, বার্ষিক প্রতিবেদন সন্নিবেশিত সুপারিশমালা, দুর্নীতি প্রতিরোধে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে যেসব প্রতিবেদন, পত্র প্রেরণ করা হচ্ছে তা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দুদকের একজন মহাপরিচালক পদমর্যাদার কর্মকর্তা নিয়মিত যোগাযোগ করবেন এবং বাস্তবায়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি কমিশনকে রিপোর্ট আকারে অবহিত করবেন।

তিনি বলেন, সাধারণত কমিশনের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাগণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান আইন, বিধি-বিধান, পরিচালন পদ্ধতি, সরকারী অর্থ অপচয়ের দিকসমূহ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতা, প্রতিবন্ধকতা, দুর্নীতির সম্ভাব্য উৎস ও তা প্রতিরোধের নিমিত্ত বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশমালা প্রণয়ন করে।

প্রকাশিত : ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০

২০/০২/২০২০ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



শীর্ষ সংবাদ: