২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১৭ ফাল্গুন ১৪২৬, শনিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চলের তিন জেলা

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী ২০২০

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ সারাদেশে আবারও শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ সবখানেই শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে। তবে দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীত ও শৈত্যপ্রবাহের মাত্রাটা তুলনামূলকভাবে বেশি। রাতে কনকনে ঠান্ডা ও দিনে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় ওই জেলাগুলোতে জনজীবন স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা। খবর নিজস্ব সংবাদদাতা ও স্টাফ রিপোর্টারের।

গাইবান্ধা থেকে জানান, বৃষ্টির পর গাইবান্ধা জেলার সর্বত্র পঞ্চম দফায় আবারও হিমেল হাওয়াসহ ঘনকুয়াশা পড়তে শুরু করেছে। বুধবার দুপুরে হাল্কা রোদ থাকলেও কোন উত্তাপ ছিল না। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ও ঘনকুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে গোটা গাইবান্ধা জেলা। সেইসঙ্গে হিমেল হাওয়া বইতে থাকে। হঠাৎ করে শীত শুরু হওয়ায় এবং রাতে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ায় এ জেলার মানুষরা চরম বিপাকে পড়ে। হঠাৎ শুরু হওয়া এই শীতে জেলার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ছিন্নমূলসহ চরাঞ্চলের মানুষরা বেশি দুর্ভোগের কবলে পড়ে। শীতে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্করা এতে কষ্ট পাচ্ছে বেশি। শহরের গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে এখন মানুষের উপচে পড়া ভিড়। এই সুযোগে গাউন মার্কেট ও গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ব্যবসায়িরা কাপড়ের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়েছে। ফলে অর্থাভাবে দরিদ্র মানুষদের পক্ষে শীতের কাপড় সংগ্রহ করা খুব কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে ঘনকুয়াশার কারণে ব্রহ্মপুত্র-যমুনাসহ অন্য নদ-নদীতে নৌ চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে মূল ভূমির সঙ্গে চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। রাতে ঘনকুয়াশার কারণে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে চরাঞ্চলের মানুষদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। ঘনকুয়াশা অব্যাহত থাকায় সরিষা গাছের ফুল ঝড়ে পড়ছে ও আসন্ন ইরি-বোরো বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী ২০২০

২৩/০১/২০২০ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



শীর্ষ সংবাদ: